
গাজায় ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাস আরও দুই ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দিয়েছে। আজ শনিবার এই দুই জিম্মিকে মুক্তি দেওয়া হয়। এই জিম্মি বিনিময়ের মধ্যেই ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে দুই শিশু নিহত হয়েছে। লেবাননের সংবাদমাধ্যম আল-মায়েদিন ও কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার পৃথক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
আজ শনিবার ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ গোষ্ঠী হামাস ছয় ইসরায়েলি বন্দী মুক্তি দেওয়ার অংশ হিসেবে দুই জিম্মিকে আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটির (আইসিআরসি) কাছে হস্তান্তর করেছে। একই সময়ে, পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বাহিনী গুলি চালিয়ে ১২ ও ১৩ বছর বয়সী দুই ফিলিস্তিনি শিশুকে হত্যা করেছে।
গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর রাফাহে সপ্তম ধাপের বন্দী বিনিময়ের প্রথম দফায় দুজনকে ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলে হামাসের যোদ্ধারা একটি ব্যানার উঁচিয়ে ধরেছিলেন। সেখানে লেখা ছিল, ‘আমরাই প্লাবন...আমরাই চূড়ান্ত শক্তি।’ ঘটনাস্থলে হামাসের সামরিক শাখা ইজ্জুদ্দিন আল-ক্বাসাম ব্রিগেডের শত শত যোদ্ধা মোতায়েন ছিল।
আল-মায়েদিনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি বন্দী তাল শোহাম এবং আভেরা মেংগিস্তুকে রাফাহ শহরে মুক্তি দেওয়া হয়। সপ্তম ধাপের দ্বিতীয় দফার বন্দী বিনিময় গাজার মধ্যাঞ্চলের নুসেইরাতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। যেখানে প্রতিরোধ যোদ্ধারা আরেকটি ব্যানারে লিখেছে, ‘এই ভূমি তাঁর প্রকৃত সন্তানদের চেনে, দ্বৈত-জাতীয়তার বিদেশিদের নয়।’
বন্দী বিনিময়ের অংশ হিসেবে ইসরায়েল ৫০ জন যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত, ৬০ জন দীর্ঘমেয়াদি কারাদণ্ডপ্রাপ্ত এবং ৪৭ জন পূর্বে মুক্তি পাওয়া কিন্তু পুনরায় আটককৃত ফিলিস্তিনি বন্দীকে মুক্তি দেবে। এ ছাড়া, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর গাজা থেকে আটক ৪৪৫ জনকেও মুক্তি দেওয়া হবে।
এদিকে, পশ্চিম তীরের দখলকৃত এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনী দুই ফিলিস্তিনি শিশুকে হত্যা করেছে। ১২ বছর বয়সী আয়মান নাসের আল-হাইমুনিকে হেবরনে এবং ১৩ বছর বয়সী রিমাস আল-আমুরিকে জেনিনে গুলি করে হত্যা করে ইসরায়েলি সেনারা।

ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও ওয়াফা সংবাদ সংস্থা নিশ্চিত করেছে যে, হাইমুনি তার আত্মীয়ের বাড়িতে গিয়েছিল বেড়াতে। সেখানেই তাকে গুলি করা হয়, পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে সে মারা যায়।
ডিফেন্স ফর চিলড্রেন ইন্টারন্যাশনাল, ফিলিস্তিন (ডিসিআইপি) জানায়, আল-আমুরিকে তার পরিবারের বাড়ির উঠোনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় গুলি করা হয়। ইসরায়েলি সেনারা একটি সাঁজোয়া গাড়ি থেকে প্রায় ৫০ মিটার দূর থেকে পাঁচটি গুলি ছোড়ে, যার একটি তার পিঠে লাগে।
ডিসিআইপির কর্মকর্তা আয়েদ আবু ইকতাইশ বলেন, ‘আয়মান ও রিমাসকে হঠাৎ করে, বিনা নোটিশে এবং পেছন থেকে গুলি করা হয়েছে, যখন ইসরায়েলি সেনারা নিরাপদে সাঁজোয়া যানগুলোর ভেতরে ছিল।’
এই হত্যাকাণ্ড এমন সময়ে ঘটেছে, যখন ইসরায়েলি বাহিনী পশ্চিম তীরে বড় পরিসরে অভিযান চালাচ্ছে, বিশেষ করে নাবলুস, তুলকারেম ও জেনিনে।

গাজায় ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাস আরও দুই ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দিয়েছে। আজ শনিবার এই দুই জিম্মিকে মুক্তি দেওয়া হয়। এই জিম্মি বিনিময়ের মধ্যেই ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে দুই শিশু নিহত হয়েছে। লেবাননের সংবাদমাধ্যম আল-মায়েদিন ও কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার পৃথক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
আজ শনিবার ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ গোষ্ঠী হামাস ছয় ইসরায়েলি বন্দী মুক্তি দেওয়ার অংশ হিসেবে দুই জিম্মিকে আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটির (আইসিআরসি) কাছে হস্তান্তর করেছে। একই সময়ে, পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বাহিনী গুলি চালিয়ে ১২ ও ১৩ বছর বয়সী দুই ফিলিস্তিনি শিশুকে হত্যা করেছে।
গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর রাফাহে সপ্তম ধাপের বন্দী বিনিময়ের প্রথম দফায় দুজনকে ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলে হামাসের যোদ্ধারা একটি ব্যানার উঁচিয়ে ধরেছিলেন। সেখানে লেখা ছিল, ‘আমরাই প্লাবন...আমরাই চূড়ান্ত শক্তি।’ ঘটনাস্থলে হামাসের সামরিক শাখা ইজ্জুদ্দিন আল-ক্বাসাম ব্রিগেডের শত শত যোদ্ধা মোতায়েন ছিল।
আল-মায়েদিনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি বন্দী তাল শোহাম এবং আভেরা মেংগিস্তুকে রাফাহ শহরে মুক্তি দেওয়া হয়। সপ্তম ধাপের দ্বিতীয় দফার বন্দী বিনিময় গাজার মধ্যাঞ্চলের নুসেইরাতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। যেখানে প্রতিরোধ যোদ্ধারা আরেকটি ব্যানারে লিখেছে, ‘এই ভূমি তাঁর প্রকৃত সন্তানদের চেনে, দ্বৈত-জাতীয়তার বিদেশিদের নয়।’
বন্দী বিনিময়ের অংশ হিসেবে ইসরায়েল ৫০ জন যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত, ৬০ জন দীর্ঘমেয়াদি কারাদণ্ডপ্রাপ্ত এবং ৪৭ জন পূর্বে মুক্তি পাওয়া কিন্তু পুনরায় আটককৃত ফিলিস্তিনি বন্দীকে মুক্তি দেবে। এ ছাড়া, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর গাজা থেকে আটক ৪৪৫ জনকেও মুক্তি দেওয়া হবে।
এদিকে, পশ্চিম তীরের দখলকৃত এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনী দুই ফিলিস্তিনি শিশুকে হত্যা করেছে। ১২ বছর বয়সী আয়মান নাসের আল-হাইমুনিকে হেবরনে এবং ১৩ বছর বয়সী রিমাস আল-আমুরিকে জেনিনে গুলি করে হত্যা করে ইসরায়েলি সেনারা।

ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও ওয়াফা সংবাদ সংস্থা নিশ্চিত করেছে যে, হাইমুনি তার আত্মীয়ের বাড়িতে গিয়েছিল বেড়াতে। সেখানেই তাকে গুলি করা হয়, পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে সে মারা যায়।
ডিফেন্স ফর চিলড্রেন ইন্টারন্যাশনাল, ফিলিস্তিন (ডিসিআইপি) জানায়, আল-আমুরিকে তার পরিবারের বাড়ির উঠোনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় গুলি করা হয়। ইসরায়েলি সেনারা একটি সাঁজোয়া গাড়ি থেকে প্রায় ৫০ মিটার দূর থেকে পাঁচটি গুলি ছোড়ে, যার একটি তার পিঠে লাগে।
ডিসিআইপির কর্মকর্তা আয়েদ আবু ইকতাইশ বলেন, ‘আয়মান ও রিমাসকে হঠাৎ করে, বিনা নোটিশে এবং পেছন থেকে গুলি করা হয়েছে, যখন ইসরায়েলি সেনারা নিরাপদে সাঁজোয়া যানগুলোর ভেতরে ছিল।’
এই হত্যাকাণ্ড এমন সময়ে ঘটেছে, যখন ইসরায়েলি বাহিনী পশ্চিম তীরে বড় পরিসরে অভিযান চালাচ্ছে, বিশেষ করে নাবলুস, তুলকারেম ও জেনিনে।

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
২ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৫ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৫ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৬ ঘণ্টা আগে