
গত ৭ অক্টোবর থেকে হামাস-ইসরায়েল সংঘাত শুরু হওয়ার পর গাজায় ধারাবাহিকভাবে হামলা চালানোর প্রতিবাদে প্রথমবারের মতো সরাসরি পদক্ষেপ নিয়েছে জর্ডান। আজ বুধবার ইসরায়েল থেকে নিজেদের রাষ্ট্রদূতকে প্রত্যাহার করে নিয়েছে দেশটি। আমিরাতভিত্তিক দ্য ন্যাশনালের এক খবরে এ তথ্য জানা গেছে।
এ বিষয়ে এক বিবৃতিতে জর্ডানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, রাষ্ট্রদূত সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্তের মাধ্যমে তারা গাজায় ইসরায়েলের হামলাকে প্রত্যাখ্যান এবং এর নিন্দা জানিয়েছে।
জর্ডানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আয়মান আল সাফাদিকে উদ্ধৃত করে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইসরায়েল গাজায় যুদ্ধ বন্ধ করলেই কেবল দেশটিতে আবারও রাষ্ট্রদূতকে পাঠানো হবে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে—ইসরায়েলি অভিযান নিরীহদের হত্যা করছে এবং একটি নজিরবিহীন মানবিক বিপর্যয় ঘটাচ্ছে।
এদিকে জর্ডানে নিযুক্ত ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত সম্প্রতি নিজ দেশে ফিরেছিলেন। জর্ডান তাঁকে আম্মানে না ফেরার জন্য বলে দিয়েছে। ১৯৯৪ সালে প্রথমবারের মতো ইসরায়েল ও জর্ডানের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল।
এর আগে গাজায় ইসরায়েলি নৃশংস হামলার প্রতিবাদে দেশটির সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছে লাতিন আমেরিকার দেশ বলিভিয়া। চলমান সংঘাতের মধ্যে বলিভিয়াই প্রথম ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা দেয়।
বলিভিয়ার উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী ফ্রেডি মামানি গত মঙ্গলবার রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘বলিভিয়া গাজা উপত্যকায় সংঘটিত আক্রমণাত্মক ও অগ্রহণযোগ্য ইসরায়েলি সামরিক আক্রমণ নিন্দাভরে প্রত্যাখ্যান করছে এবং ইসরায়েলি রাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’
বলিভিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রশাসনবিষয়ক মন্ত্রী মারিয়া নেলা প্রাদা ঘোষণা দিয়েছেন, দেশটি গাজায় মানবিক সহায়তা পাঠাবে। একই সংবাদ সম্মেলনে নেলা প্রাদা বলেন, ‘গাজা উপত্যকায় যে হামলা চলছে, তা এখন পর্যন্ত কয়েক হাজার মানুষের প্রাণহানি, হাজারো মানুষের বাস্তুচ্যুতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমরা গাজায় এ ধরনের আক্রমণের অবসান চাই।’

গত ৭ অক্টোবর থেকে হামাস-ইসরায়েল সংঘাত শুরু হওয়ার পর গাজায় ধারাবাহিকভাবে হামলা চালানোর প্রতিবাদে প্রথমবারের মতো সরাসরি পদক্ষেপ নিয়েছে জর্ডান। আজ বুধবার ইসরায়েল থেকে নিজেদের রাষ্ট্রদূতকে প্রত্যাহার করে নিয়েছে দেশটি। আমিরাতভিত্তিক দ্য ন্যাশনালের এক খবরে এ তথ্য জানা গেছে।
এ বিষয়ে এক বিবৃতিতে জর্ডানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, রাষ্ট্রদূত সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্তের মাধ্যমে তারা গাজায় ইসরায়েলের হামলাকে প্রত্যাখ্যান এবং এর নিন্দা জানিয়েছে।
জর্ডানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আয়মান আল সাফাদিকে উদ্ধৃত করে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইসরায়েল গাজায় যুদ্ধ বন্ধ করলেই কেবল দেশটিতে আবারও রাষ্ট্রদূতকে পাঠানো হবে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে—ইসরায়েলি অভিযান নিরীহদের হত্যা করছে এবং একটি নজিরবিহীন মানবিক বিপর্যয় ঘটাচ্ছে।
এদিকে জর্ডানে নিযুক্ত ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত সম্প্রতি নিজ দেশে ফিরেছিলেন। জর্ডান তাঁকে আম্মানে না ফেরার জন্য বলে দিয়েছে। ১৯৯৪ সালে প্রথমবারের মতো ইসরায়েল ও জর্ডানের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল।
এর আগে গাজায় ইসরায়েলি নৃশংস হামলার প্রতিবাদে দেশটির সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছে লাতিন আমেরিকার দেশ বলিভিয়া। চলমান সংঘাতের মধ্যে বলিভিয়াই প্রথম ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা দেয়।
বলিভিয়ার উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী ফ্রেডি মামানি গত মঙ্গলবার রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘বলিভিয়া গাজা উপত্যকায় সংঘটিত আক্রমণাত্মক ও অগ্রহণযোগ্য ইসরায়েলি সামরিক আক্রমণ নিন্দাভরে প্রত্যাখ্যান করছে এবং ইসরায়েলি রাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’
বলিভিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রশাসনবিষয়ক মন্ত্রী মারিয়া নেলা প্রাদা ঘোষণা দিয়েছেন, দেশটি গাজায় মানবিক সহায়তা পাঠাবে। একই সংবাদ সম্মেলনে নেলা প্রাদা বলেন, ‘গাজা উপত্যকায় যে হামলা চলছে, তা এখন পর্যন্ত কয়েক হাজার মানুষের প্রাণহানি, হাজারো মানুষের বাস্তুচ্যুতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমরা গাজায় এ ধরনের আক্রমণের অবসান চাই।’

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
৩ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
৪ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
৭ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
৭ ঘণ্টা আগে