
ঢাকা: ২০১৮ সালে দুবাইয়ের প্রাসাদ ছেড়ে পালিয়েছিলেন রাজকন্যা লতিফা। তিনি দুবাইয়ের শাসক মোহাম্মেদ বিন রশিদ আল মাখতুমের কন্যা। পালিয়ে যাওয়ার কয়েকদিনের মধ্যেই লতিফাকে ভারত মহাসাগর থেকে আবারও দেশে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। এর পর থেকে তার আর কোন খোঁজই ছিলনা। অনেকেই আশঙ্কা করেন, লতিফার ভাগ্যে হয়তো খারাপ কিছু ঘটেছে। জল এতটাই ঘোলা হয় যে, গত এপ্রিলে লতিফার বেঁচে থাকার প্রমাণ চেয়ে বসে জাতিসংঘও। তবে, শেষ পর্যন্ত লতিফা বেঁচে আছেন বলেই মনে করা হচ্ছে। দুই দিন আগে ইন্সটাগ্রামে পোস্ট করা একটি ছবি অন্তত সে কথাই জানান দিচ্ছে।
গত শনিবার দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়– ইন্সটাগ্রামে লতিফার অ্যাকাউন্ট থেকেই ছবিটি পোস্ট করা হয়েছে। ছবিটিতে তার সঙ্গে যুক্তরাজ্যের রাজকীয় নৌবাহিনীর সদস্য সিয়ন্ড টেইলরকেও দেখা গেছে। ইন্সটাগ্রামে সিয়ন্ড টেইলরও একই ছবি পোস্ট করেছেন।
দুবাইয়ের একটি শপিং মলে তোলা সেই ছবিতে দেখা যায়– একটি কফি শপের টেবিলে লতিফা ও টেইলর ছাড়াও আরও একজন নারী বসে আছেন। মেটাডাটা ব্যবহার না করায় ছবিটি কবে তোলা হয়েছে তা জানার কোন উপায় নেই। তবে তাদের পেছনেই এনিমেশন মুভি ‘ডেমন স্ল্যায়ার: মিউগেন ট্রেন’–এর একটি বিজ্ঞাপন দেখা গেছে। গত ১৩ এপ্রিল আরব আমিরাতে এই সিনেমাটি মুক্তি দেওয়া হয়। বিবিসির কাছে ছবিটিকে আসল বলেই দাবি করেছেন রাজকন্যা লতিফার ঘনিষ্ঠ বন্ধুরা।
মাকতুমের ছয় স্ত্রীর মধ্যে লতিফার মা হলেন আলজেরিয়ার নাগরিক হুররিয়া আহমেদ আল-মা’শ। মাকতুমের ২৩ সন্তানের মধ্যে হুররিয়ার ঘরে মোট চার সন্তান জন্মগ্রহণ করেন, যাদের মধ্যে লতিফা তৃতীয়। ২০১৮ সালে প্রাসাদ ছেড়ে পালানোর সময় লতিফার বয়স ছিল ৩৩ বছর। ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশোনা করা লতিফা ছিলেন দক্ষ স্কাই ডাইভার। তাকে প্রায়ই দেখা যেত– আরব আমিরাতের জাতীয় পতাকা গায়ে চাপিয়ে প্লেন থেকে প্যারাসুট নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ছেন। তবে, প্রাসাদ ছেড়ে পালানোর আগে এক ভিডিওতে লতিফা দাবি করেন– এ সব লোক দেখানো স্টান্টবাজি। তিনি ১৮ বছর ধরে কার্যত বন্দি। এই বন্দিজীবন শুরু হয় তার বড় বোন রাজকন্যা শামসা ইংল্যান্ডের প্রাসাদ থেকে পালিয়ে যাওয়ার পর থেকে। সেসময় ১৯ বছর বয়সী শামসাকেও কিছুদিনের মধ্যেই শেখ মুহাম্মদ আল মাকতুমের ব্যক্তিগত অনুচররা খুঁজে বের করে দেশে ফিরিয়ে নিয়ে যায়। তখন থেকেই শামসার মতো লতিফার জীবনেও আসে নানাবিধ নিষেধাজ্ঞা। শামসাকে ফিরিয়ে নেওয়ার দুই বছর পর ১৬ বছর বয়সে লতিফা প্রথমবারের মতো প্রাসাদ ছেড়ে পালাতে গিয়ে ব্যর্থ হন। এরপর প্রায় তিন বছর তিনি সম্পূর্ণ বন্দি অবস্থায় ছিলেন।
২০১১ সালে লতিফা আবারও পালানোর পরিকল্পনা শুরু করেন। যোগাযোগ করেন ফরাসি নৌ কর্মকর্তা হার্ভে জুঁবের সঙ্গে। তিনি একসময় আরব আমিরাতে ব্যবসায়ী পরিচয়ে থাকতেন।
২০১৪ সালে লতিফার পরিকল্পনায় যুক্ত হন ফিনল্যান্ডের নাগরিক টিনা জুহাইনেন। দুবাইয়ে মার্শাল আর্ট শেখাতে এসে তিনি হয়ে ওঠেন লতিফার সার্বক্ষণিক সঙ্গী। ২০১৮ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি টিনার সঙ্গেই একটি গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে পড়েন লতিফা। ওমানের বর্ডার পেরিয়ে জুঁবের ইয়টে গিয়ে ওঠেন। ইয়ট ছুটে চলে ভারতের দিকে। সেখান থেকে প্লেনে চড়ে আমেরিকা গিয়ে রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা করার কথা ছিল লতিফার। কিন্তু আরব আমিরাতের একটি হ্যাকার বাহিনী ফোন ট্র্যাক করে তাদের অবস্থান জেনে যায়। ২০১৮ সালের ৪ মার্চ ভারতের গোয়া সমুদ্রবন্দর থেকে ৩০ মাইল দূরে থাকা অবস্থায় ভারতীয় কোস্টগার্ড তাদের ঘিরে ফেলে। কিছুক্ষণের মধ্যেই হেলিকপ্টারে করে সেখানে পৌঁছে বেশ কয়েকজন আমিরাতি সৈন্য। লতিফা, টিনা, জুঁবে এবং অন্য ক্রুদের ইয়টে করেই আমিরাতের ন্যাভাল বেইজ পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনাটি এতটাই গোপন ছিল যে, পাঁচদিন পর ব্রিটিশ ট্যাবলয়েড ডেইলি মেইল তাদের অপহরণের সংবাদটি প্রকাশ করে।

ঢাকা: ২০১৮ সালে দুবাইয়ের প্রাসাদ ছেড়ে পালিয়েছিলেন রাজকন্যা লতিফা। তিনি দুবাইয়ের শাসক মোহাম্মেদ বিন রশিদ আল মাখতুমের কন্যা। পালিয়ে যাওয়ার কয়েকদিনের মধ্যেই লতিফাকে ভারত মহাসাগর থেকে আবারও দেশে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। এর পর থেকে তার আর কোন খোঁজই ছিলনা। অনেকেই আশঙ্কা করেন, লতিফার ভাগ্যে হয়তো খারাপ কিছু ঘটেছে। জল এতটাই ঘোলা হয় যে, গত এপ্রিলে লতিফার বেঁচে থাকার প্রমাণ চেয়ে বসে জাতিসংঘও। তবে, শেষ পর্যন্ত লতিফা বেঁচে আছেন বলেই মনে করা হচ্ছে। দুই দিন আগে ইন্সটাগ্রামে পোস্ট করা একটি ছবি অন্তত সে কথাই জানান দিচ্ছে।
গত শনিবার দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়– ইন্সটাগ্রামে লতিফার অ্যাকাউন্ট থেকেই ছবিটি পোস্ট করা হয়েছে। ছবিটিতে তার সঙ্গে যুক্তরাজ্যের রাজকীয় নৌবাহিনীর সদস্য সিয়ন্ড টেইলরকেও দেখা গেছে। ইন্সটাগ্রামে সিয়ন্ড টেইলরও একই ছবি পোস্ট করেছেন।
দুবাইয়ের একটি শপিং মলে তোলা সেই ছবিতে দেখা যায়– একটি কফি শপের টেবিলে লতিফা ও টেইলর ছাড়াও আরও একজন নারী বসে আছেন। মেটাডাটা ব্যবহার না করায় ছবিটি কবে তোলা হয়েছে তা জানার কোন উপায় নেই। তবে তাদের পেছনেই এনিমেশন মুভি ‘ডেমন স্ল্যায়ার: মিউগেন ট্রেন’–এর একটি বিজ্ঞাপন দেখা গেছে। গত ১৩ এপ্রিল আরব আমিরাতে এই সিনেমাটি মুক্তি দেওয়া হয়। বিবিসির কাছে ছবিটিকে আসল বলেই দাবি করেছেন রাজকন্যা লতিফার ঘনিষ্ঠ বন্ধুরা।
মাকতুমের ছয় স্ত্রীর মধ্যে লতিফার মা হলেন আলজেরিয়ার নাগরিক হুররিয়া আহমেদ আল-মা’শ। মাকতুমের ২৩ সন্তানের মধ্যে হুররিয়ার ঘরে মোট চার সন্তান জন্মগ্রহণ করেন, যাদের মধ্যে লতিফা তৃতীয়। ২০১৮ সালে প্রাসাদ ছেড়ে পালানোর সময় লতিফার বয়স ছিল ৩৩ বছর। ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশোনা করা লতিফা ছিলেন দক্ষ স্কাই ডাইভার। তাকে প্রায়ই দেখা যেত– আরব আমিরাতের জাতীয় পতাকা গায়ে চাপিয়ে প্লেন থেকে প্যারাসুট নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ছেন। তবে, প্রাসাদ ছেড়ে পালানোর আগে এক ভিডিওতে লতিফা দাবি করেন– এ সব লোক দেখানো স্টান্টবাজি। তিনি ১৮ বছর ধরে কার্যত বন্দি। এই বন্দিজীবন শুরু হয় তার বড় বোন রাজকন্যা শামসা ইংল্যান্ডের প্রাসাদ থেকে পালিয়ে যাওয়ার পর থেকে। সেসময় ১৯ বছর বয়সী শামসাকেও কিছুদিনের মধ্যেই শেখ মুহাম্মদ আল মাকতুমের ব্যক্তিগত অনুচররা খুঁজে বের করে দেশে ফিরিয়ে নিয়ে যায়। তখন থেকেই শামসার মতো লতিফার জীবনেও আসে নানাবিধ নিষেধাজ্ঞা। শামসাকে ফিরিয়ে নেওয়ার দুই বছর পর ১৬ বছর বয়সে লতিফা প্রথমবারের মতো প্রাসাদ ছেড়ে পালাতে গিয়ে ব্যর্থ হন। এরপর প্রায় তিন বছর তিনি সম্পূর্ণ বন্দি অবস্থায় ছিলেন।
২০১১ সালে লতিফা আবারও পালানোর পরিকল্পনা শুরু করেন। যোগাযোগ করেন ফরাসি নৌ কর্মকর্তা হার্ভে জুঁবের সঙ্গে। তিনি একসময় আরব আমিরাতে ব্যবসায়ী পরিচয়ে থাকতেন।
২০১৪ সালে লতিফার পরিকল্পনায় যুক্ত হন ফিনল্যান্ডের নাগরিক টিনা জুহাইনেন। দুবাইয়ে মার্শাল আর্ট শেখাতে এসে তিনি হয়ে ওঠেন লতিফার সার্বক্ষণিক সঙ্গী। ২০১৮ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি টিনার সঙ্গেই একটি গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে পড়েন লতিফা। ওমানের বর্ডার পেরিয়ে জুঁবের ইয়টে গিয়ে ওঠেন। ইয়ট ছুটে চলে ভারতের দিকে। সেখান থেকে প্লেনে চড়ে আমেরিকা গিয়ে রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা করার কথা ছিল লতিফার। কিন্তু আরব আমিরাতের একটি হ্যাকার বাহিনী ফোন ট্র্যাক করে তাদের অবস্থান জেনে যায়। ২০১৮ সালের ৪ মার্চ ভারতের গোয়া সমুদ্রবন্দর থেকে ৩০ মাইল দূরে থাকা অবস্থায় ভারতীয় কোস্টগার্ড তাদের ঘিরে ফেলে। কিছুক্ষণের মধ্যেই হেলিকপ্টারে করে সেখানে পৌঁছে বেশ কয়েকজন আমিরাতি সৈন্য। লতিফা, টিনা, জুঁবে এবং অন্য ক্রুদের ইয়টে করেই আমিরাতের ন্যাভাল বেইজ পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনাটি এতটাই গোপন ছিল যে, পাঁচদিন পর ব্রিটিশ ট্যাবলয়েড ডেইলি মেইল তাদের অপহরণের সংবাদটি প্রকাশ করে।

প্রায় সিকি শতাব্দী ধরে রাশিয়ার ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থান করছেন ভ্লাদিমির পুতিন। বিশ্ব রাজনীতির অন্যতম প্রভাবশালী এই নেতার মুখ ও বক্তব্য অহরহ দেখা গেলেও তাঁর ব্যক্তিগত জীবন আজও রয়ে গেছে কঠোর গোপনীয়তার আড়ালে। রাষ্ট্রীয় প্রচারণা যন্ত্রের ছাঁকনি পেরিয়ে পুতিনের পারিবারিক জীবনের খুব কম তথ্যই জনসমক্ষ
৮ ঘণ্টা আগে
ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে যুক্তরাষ্ট্রকে ‘শয়তান’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, ইরানি জাতি বরাবরের মতোই শত্রুদের হতাশ করবে।
৮ ঘণ্টা আগে
ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মেয়র হিসেবে প্রথম দিনেই মামদানি তাঁর আসল চেহারা দেখিয়েছেন। তিনি ইহুদি-বিদ্বেষের আন্তর্জাতিক সংজ্ঞা (আইএইচআরএ) বাতিল করেছেন এবং ইসরায়েল বয়কটের ওপর থেকে বিধিনিষেধ তুলে নিয়েছেন। এটি নেতৃত্ব নয়, বরং এটি খোলা আগুনে ইহুদি-বিদ্বেষী ঘি ঢালার সমান।
৯ ঘণ্টা আগে
গত মাসে এসটিসি এই অঞ্চলটি দখলের পর সৌদি জোটের পক্ষ থেকে এটিই প্রথম সরাসরি প্রাণঘাতী হামলা। এর আগে সৌদি-সমর্থিত সরকারি বাহিনী হাজরামাউতের সামরিক স্থাপনাগুলো ‘শান্তিপূর্ণভাবে’ নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার ঘোষণা দেয়। কিন্তু ওই ঘোষণা দেওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই বিমান হামলা শুরু হয়।
১০ ঘণ্টা আগে