জেরুসালেম পোস্টের প্রতিবেদন

গাজায় নতুন করে ২৮ দিনের একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে যেকোনো সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকর করার বিষয়ে নিজেদের শর্তে অনড় ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাস। হামাসের জ্যেষ্ঠ নেতা সামি আবু জুহরি গতকাল মঙ্গলবার বলেছেন, হামাস যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনায় প্রস্তুত, তবে ইসরায়েলকে অবশ্যই গাজা থেকে সব সৈন্য প্রত্যাহার করে নিতে হবে।
চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি কায়রোতে এক সংবাদ সম্মেলনে দুদিনের সাময়িক যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেন। প্রস্তাব অনুসারে, এই দুই দিনের যুদ্ধবিরতির সময় ৪ ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দেবে হামাস। বিনিময়ে ইসরায়েলি কারাগারে থাকায় কয়েকজন ফিলিস্তিনিও মুক্তি পাবেন এবং দুদিনের যুদ্ধবিরতি শেষে টানা ১০ দিনের আলোচনার মাধ্যমে একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতি অর্জন করা হবে।
এ ছাড়া, মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন করে ২৮ দিনের একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে। ইসরায়েলও এই দিকেই ইঙ্গিত দিয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যমটি। এই ৮ জন জিম্মিকে মুক্তি দেওয়ার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।
যুদ্ধবিরতির বিষয়ে সামি আবু জুহরি বলেন, ‘হামাস নিশ্চিত করেছে যে, তারা গাজার জনগণের কষ্ট দূর করা এবং একটি স্থায়ী অস্ত্রবিরতি ও গাজা উপত্যকা থেকে দখলদার (ইসরায়েলি) বাহিনীর প্রত্যাহার নিশ্চিত করতে পারে এমন যেকোনো চুক্তি বা ধারণার প্রতি উন্মুক্ত মনোভাব পোষণ করছে।’ তিনি জানান, হামাস মধ্যস্থতাকারীদের কাছ থেকে জিম্মি ও অস্ত্রবিরতি চুক্তির জন্য নতুন প্রস্তাবগুলো পর্যালোচনা করছে।
ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের আশা ছিল, চলতি মাসের মাঝামাঝি ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে হামাস নেতা ইয়াহইয়া সিনওয়ারের হত্যার পর গোষ্ঠীটি এসব শর্ত কিছুটা শিথিল করবে। যুক্তরাষ্ট্র সিনওয়ারকেই যুদ্ধবিরতি চুক্তি না হওয়ার জন্য দায়ী করছিল।
চলতি সপ্তাহে কাতারের রাজধানী দোহায় মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ-এর পরিচালক উইলিয়াম বার্নস, ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের পরিচালক ডেভিড বার্নিয়া এবং কাতারের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ আল-থানি নতুন একটি চুক্তির কাঠামো নিয়ে আলোচনা করেছেন এবং উভয় পক্ষের মধ্যে আস্থা বৃদ্ধির জন্য একটি ছোট চুক্তির সম্ভাবনা নিয়েও কথা বলেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় কাতার ও মিসর প্রধান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছে। মিসর চারজন জিম্মিকে মুক্তি দেওয়ার বিনিময়ে ৪৮ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনার কথা বলেছে। ইসরায়েল এ ধরনের একটি প্রস্তাব গ্রহণ করবে বলে জানিয়েছে দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দপ্তর।
অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, এই অস্ত্রবিরতি ২৮ দিন স্থায়ী হবে এবং আটজন জিম্মির মুক্তির বিনিময়ে হবে। দোহায় যুদ্ধবিরতি আলোচনার বিষয়ে অবগত একটি সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে জেরুসালেম পোস্টকে নিশ্চিত করেছে যে, দোহায় ডেভিড বার্নিয়াও একই ধরনের প্রস্তাব দিয়েছেন।
গত আগস্টের শেষ পর্যন্ত জিম্মি মুক্তি সংক্রান্ত আলোচনাগুলো তিন-পর্যায়ের একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে কাজ করছিল। যেখানে, হামাসের হাতে বন্দী ১০১ জন জিম্মির মধ্যে সর্বাধিক ৩২ জনকে মুক্তির বিনিময়ে ছয় সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু সেই আলোচনা পরে ভেস্তে যায়।

গাজায় নতুন করে ২৮ দিনের একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে যেকোনো সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকর করার বিষয়ে নিজেদের শর্তে অনড় ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাস। হামাসের জ্যেষ্ঠ নেতা সামি আবু জুহরি গতকাল মঙ্গলবার বলেছেন, হামাস যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনায় প্রস্তুত, তবে ইসরায়েলকে অবশ্যই গাজা থেকে সব সৈন্য প্রত্যাহার করে নিতে হবে।
চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি কায়রোতে এক সংবাদ সম্মেলনে দুদিনের সাময়িক যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেন। প্রস্তাব অনুসারে, এই দুই দিনের যুদ্ধবিরতির সময় ৪ ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দেবে হামাস। বিনিময়ে ইসরায়েলি কারাগারে থাকায় কয়েকজন ফিলিস্তিনিও মুক্তি পাবেন এবং দুদিনের যুদ্ধবিরতি শেষে টানা ১০ দিনের আলোচনার মাধ্যমে একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতি অর্জন করা হবে।
এ ছাড়া, মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন করে ২৮ দিনের একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে। ইসরায়েলও এই দিকেই ইঙ্গিত দিয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যমটি। এই ৮ জন জিম্মিকে মুক্তি দেওয়ার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।
যুদ্ধবিরতির বিষয়ে সামি আবু জুহরি বলেন, ‘হামাস নিশ্চিত করেছে যে, তারা গাজার জনগণের কষ্ট দূর করা এবং একটি স্থায়ী অস্ত্রবিরতি ও গাজা উপত্যকা থেকে দখলদার (ইসরায়েলি) বাহিনীর প্রত্যাহার নিশ্চিত করতে পারে এমন যেকোনো চুক্তি বা ধারণার প্রতি উন্মুক্ত মনোভাব পোষণ করছে।’ তিনি জানান, হামাস মধ্যস্থতাকারীদের কাছ থেকে জিম্মি ও অস্ত্রবিরতি চুক্তির জন্য নতুন প্রস্তাবগুলো পর্যালোচনা করছে।
ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের আশা ছিল, চলতি মাসের মাঝামাঝি ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে হামাস নেতা ইয়াহইয়া সিনওয়ারের হত্যার পর গোষ্ঠীটি এসব শর্ত কিছুটা শিথিল করবে। যুক্তরাষ্ট্র সিনওয়ারকেই যুদ্ধবিরতি চুক্তি না হওয়ার জন্য দায়ী করছিল।
চলতি সপ্তাহে কাতারের রাজধানী দোহায় মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ-এর পরিচালক উইলিয়াম বার্নস, ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের পরিচালক ডেভিড বার্নিয়া এবং কাতারের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ আল-থানি নতুন একটি চুক্তির কাঠামো নিয়ে আলোচনা করেছেন এবং উভয় পক্ষের মধ্যে আস্থা বৃদ্ধির জন্য একটি ছোট চুক্তির সম্ভাবনা নিয়েও কথা বলেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় কাতার ও মিসর প্রধান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছে। মিসর চারজন জিম্মিকে মুক্তি দেওয়ার বিনিময়ে ৪৮ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনার কথা বলেছে। ইসরায়েল এ ধরনের একটি প্রস্তাব গ্রহণ করবে বলে জানিয়েছে দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দপ্তর।
অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, এই অস্ত্রবিরতি ২৮ দিন স্থায়ী হবে এবং আটজন জিম্মির মুক্তির বিনিময়ে হবে। দোহায় যুদ্ধবিরতি আলোচনার বিষয়ে অবগত একটি সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে জেরুসালেম পোস্টকে নিশ্চিত করেছে যে, দোহায় ডেভিড বার্নিয়াও একই ধরনের প্রস্তাব দিয়েছেন।
গত আগস্টের শেষ পর্যন্ত জিম্মি মুক্তি সংক্রান্ত আলোচনাগুলো তিন-পর্যায়ের একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে কাজ করছিল। যেখানে, হামাসের হাতে বন্দী ১০১ জন জিম্মির মধ্যে সর্বাধিক ৩২ জনকে মুক্তির বিনিময়ে ছয় সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু সেই আলোচনা পরে ভেস্তে যায়।

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
৩ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
৩ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
৬ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
৭ ঘণ্টা আগে