
ইসরায়েলি সম্প্রচারমাধ্যম চ্যানেল-১২ দাবি করেছে, দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনী হামাসের প্রধান ইয়াহিয়া সিনওয়ারকে হত্যার সুযোগ পেয়েছিল। কিন্তু তারপরও তাঁকে হত্যা করেনি। ইসরায়েলের আশঙ্কা ছিল, এতে হামাসের হাতে থাকা জিম্মিদের প্রাণ ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম জেরুজালেম পোস্ট চ্যানেল-১২–এর বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে। চ্যানেল-১২ গতকাল রোববার এক প্রতিবেদনে এই দাবি করে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরায়েল গোয়েন্দা পেয়েছিল যা, দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনীকে সিনওয়ারকে হত্যা করার একটি অনন্য সুযোগ দিয়েছিল। তবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, এ ধরনের অপারেশন খুব ঝুঁকিপূর্ণ হবে। কারণ, হামাসের শীর্ষ যেখানে অবস্থান করছিলেন, সেখানেই ইসরায়েলি জিম্মিদের রাখা হয়েছে।
সম্প্রচারমাধ্যমটির দাবি, ইরানের রাজধানী তেহরানে হামাসের তৎকালীন প্রধান ইসমাইল হানিয়াকে হত্যার পর গোষ্ঠীটির শীর্ষ নেতা নির্বাচিত হন ইয়াহিয়া সিনওয়ার। এর পর থেকেই গাজায় হামাসের টানেল নেটওয়ার্কে লুকিয়ে আছেন। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সিনওয়ার নিজেকে জিম্মিদের দিয়ে ঘিরে রেখেছিলেন এবং তাদের মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার করেছেন যাতে ইসরায়েল তাঁর ক্ষতি না করে।
সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সম্প্রচারমাধ্যম আল-অ্যারাবিয়া গত শনিবার এক প্রতিবেদনে বলেছে, ইয়াহিয়া সিনওয়ার ইসরায়েলি বিমান হামলায় হিজবুল্লাহ মহাসচিব হাসান নাসরুল্লাহর নিহত হওয়ার বিষয়টি জানার পর গাজা উপত্যকায় স্থানান্তরিত হয়েছেন। তবে গাজায় তিনি ঠিক কোথায় অবস্থান করছেন, সে বিষয়ে কোনো তথ্য দেয়নি সম্প্রচারমাধ্যমটি।
বিগত সপ্তাহগুলোতে গুজব ছড়িয়ে পড়েছিল, ইয়াহিয়া সিনওয়ার নিহত হয়েছেন। কিন্তু আইডিএফ তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারেনি। তবে ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেত বিশ্বাস করে, সিনওয়ার এখনো বেঁচে আছেন।

ইসরায়েলি সম্প্রচারমাধ্যম চ্যানেল-১২ দাবি করেছে, দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনী হামাসের প্রধান ইয়াহিয়া সিনওয়ারকে হত্যার সুযোগ পেয়েছিল। কিন্তু তারপরও তাঁকে হত্যা করেনি। ইসরায়েলের আশঙ্কা ছিল, এতে হামাসের হাতে থাকা জিম্মিদের প্রাণ ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম জেরুজালেম পোস্ট চ্যানেল-১২–এর বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে। চ্যানেল-১২ গতকাল রোববার এক প্রতিবেদনে এই দাবি করে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরায়েল গোয়েন্দা পেয়েছিল যা, দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনীকে সিনওয়ারকে হত্যা করার একটি অনন্য সুযোগ দিয়েছিল। তবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, এ ধরনের অপারেশন খুব ঝুঁকিপূর্ণ হবে। কারণ, হামাসের শীর্ষ যেখানে অবস্থান করছিলেন, সেখানেই ইসরায়েলি জিম্মিদের রাখা হয়েছে।
সম্প্রচারমাধ্যমটির দাবি, ইরানের রাজধানী তেহরানে হামাসের তৎকালীন প্রধান ইসমাইল হানিয়াকে হত্যার পর গোষ্ঠীটির শীর্ষ নেতা নির্বাচিত হন ইয়াহিয়া সিনওয়ার। এর পর থেকেই গাজায় হামাসের টানেল নেটওয়ার্কে লুকিয়ে আছেন। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সিনওয়ার নিজেকে জিম্মিদের দিয়ে ঘিরে রেখেছিলেন এবং তাদের মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার করেছেন যাতে ইসরায়েল তাঁর ক্ষতি না করে।
সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সম্প্রচারমাধ্যম আল-অ্যারাবিয়া গত শনিবার এক প্রতিবেদনে বলেছে, ইয়াহিয়া সিনওয়ার ইসরায়েলি বিমান হামলায় হিজবুল্লাহ মহাসচিব হাসান নাসরুল্লাহর নিহত হওয়ার বিষয়টি জানার পর গাজা উপত্যকায় স্থানান্তরিত হয়েছেন। তবে গাজায় তিনি ঠিক কোথায় অবস্থান করছেন, সে বিষয়ে কোনো তথ্য দেয়নি সম্প্রচারমাধ্যমটি।
বিগত সপ্তাহগুলোতে গুজব ছড়িয়ে পড়েছিল, ইয়াহিয়া সিনওয়ার নিহত হয়েছেন। কিন্তু আইডিএফ তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারেনি। তবে ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেত বিশ্বাস করে, সিনওয়ার এখনো বেঁচে আছেন।

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৪২ মিনিট আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৩ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৩ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৪ ঘণ্টা আগে