
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তেল আবিবে অবস্থিত ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের সদর দপ্তরে সফলভাবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। মঙ্গলবার ভোরে চালানো এই হামলায় ভবনটিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে এবং তা এখনো জ্বলছে বলে দাবি করেছে ইরান।
আইআরজিসির বিবৃতিতে বলা হয়, ‘অপারেশন ট্রু প্রমিস-৩-এর নবম ধাপে আমরা তেল আবিবে অবস্থিত সন্ত্রাসী পরিকল্পনার মূল কেন্দ্র মোসাদ সদর দপ্তরে আঘাত করেছি। অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও আমাদের ক্ষেপণাস্ত্র লক্ষ্যভেদে সফল হয়েছে।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজ ও ছবি ইঙ্গিত দিচ্ছে, হামলার পরপরই গ্লিলট এলাকায় ব্যাপক ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠতে দেখা যায়। এই এলাকাতেই মোসাদ ও আমান গোয়েন্দা ইউনিটের প্রধান ঘাঁটিগুলো অবস্থিত।
ইরান দাবি করছে, এই হামলার মাধ্যমে তারা ইসরায়েলি গোয়েন্দা অবকাঠামোয় মারাত্মক আঘাত হেনেছে। যদিও ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে হামলার বিস্তারিত ক্ষয়ক্ষতির তথ্য প্রকাশ করেনি।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, এই হামলা যদি সত্যি হয়, তাহলে এটি ইসরায়েলের জন্য কৌশলগতভাবে একটি বড় ধাক্কা। কারণ, মোসাদ শুধু মধ্যপ্রাচ্যে নয়, বিশ্বব্যাপী ইসরায়েলের গোপন ও সেনা-সহযোগিতামূলক অভিযানের প্রধান নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র।
ইরানের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, এই প্রতিক্রিয়ামূলক অভিযান অব্যাহত থাকবে যতক্ষণ না ইসরায়েল আগ্রাসন বন্ধ করে এবং যুদ্ধাপরাধের জবাবদিহি করে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে জানান, এই চুক্তিটি নিশ্চিত করার আগে তিনি লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে ‘চমৎকার’ আলোচনা করেছেন। তিনি আরও জানান, দুই দেশের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই এই ১০ দিনের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছেন দুই
৮ ঘণ্টা আগে
উদ্বেগের বিষয় হলো, যেহেতু দুই দেশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধাবস্থায় রয়েছে, তাই ইরান তাদের মাইনের বিস্তারিত মানচিত্র যুক্তরাষ্ট্রের হাতে দেবে কি না, তা নিয়ে গভীর সংশয় রয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি থেকে মাইন অপসারণের জন্য একটি জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ অভিযানে নেমেছে যুক্তরাষ্ট্র। এই প্রণালি দিয়ে বিশ্বের উল্লেখযোগ্য অংশের তেল পরিবহন করা হয়। ফলে এখানে বিঘ্ন ঘটলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
৯ ঘণ্টা আগে
গত সপ্তাহে প্রথম দফার আলোচনা শেষ হলেও মধ্যস্থতাকারী ও সহায়তাকারী হিসেবে পাকিস্তানের ভূমিকা শেষ হয়ে যায়নি। বরং এই প্রক্রিয়া এখনো চলমান রয়েছে। তিনি জানান, শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির বর্তমানে একটি প্রতিনিধিদল নিয়ে ইরান সফর করছেন।
১০ ঘণ্টা আগে