আজকের পত্রিকা ডেস্ক

মিসরে শুরু হলো ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা। সোমবার রাতে (৬ অক্টোবর) বিবিসি ও সিএনএন জানিয়েছে, শুরু হওয়া এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হচ্ছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত ২০ দফা গাজা শান্তি পরিকল্পনার ভিত্তিতে।
ট্রাম্পের এই পরিকল্পনাটি হলো একটি সংক্ষিপ্ত ফ্রেমওয়ার্ক, যেখানে যুদ্ধবিরতি ও দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক সমাধানের জন্য কিছু ধাপ উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এতে বেশ কিছু মৌলিক ইস্যু অনির্ধারিত রয়ে গেছে। ইসরায়েল পরিকল্পনাটি সম্পূর্ণ সমর্থন করেছে, আর হামাস আংশিকভাবে এতে সম্মত হয়েছে।
হামাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরিকল্পনায় বর্ণিত বন্দী বিনিময় প্রক্রিয়ার সঙ্গে তারা নীতিগতভাবে একমত। তবে মাঠপর্যায়ের কিছু শর্ত পূরণ না হলে তা কার্যকর হবে না। যেহেতু জিম্মিরা হামাসের আলোচনার প্রধান হাতিয়ার, তাই তারা অন্য ধাপগুলো চূড়ান্ত হওয়ার আগে জিম্মিদের মুক্তি দেবে কিনা, তা এখনো অনিশ্চিত।
এদিকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু স্পষ্ট করেছেন, হামাসের নিরস্ত্রীকরণ ছাড়া কোনো সমঝোতা সম্ভব নয়। কিন্তু হামাসের প্রতিক্রিয়ায় নিরস্ত্রীকরণের কোনো উল্লেখ না থাকায় বোঝা যাচ্ছে, তাদের অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে।
পরিকল্পনায় গাজায় একটি অন্তর্বর্তী প্রশাসনের কথা বলা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক সহায়তায় পরিচালিত হবে এবং পরে তা ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের (পিএ) হাতে হস্তান্তর করা হবে। তবে নেতানিয়াহু এই প্রস্তাবে আপত্তি জানিয়ে বলেছেন, যুদ্ধ-পরবর্তী শাসনে পিএ-এর কোনো ভূমিকা থাকা উচিত নয়।
গাজার যুদ্ধক্ষেত্র থেকে ইসরায়েলের সরে আসার প্রক্রিয়াটি তিন ধাপে সম্পন্ন হওয়ার কথা থাকলেও এর সময়সীমা অস্পষ্ট, যা নিয়ে হামাস আলোচনা জোরদার করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, কায়রোয় চলমান এই আলোচনায় মধ্যস্থতা করবে মিসর ও কাতার। যুক্তরাষ্ট্র থাকবে পর্যবেক্ষক হিসেবে। হামাসের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন খালিল আল-হাইয়া, যিনি গত মাসে কাতারে ইসরায়েলি হামলা থেকে প্রাণে বেঁচে গেছেন। ইসরায়েলের পক্ষে নেতৃত্ব দিচ্ছেন দেশটির কৌশল বিষয়ক মন্ত্রী রন ডারমার।
ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জামাতা জ্যারেড কুশনার আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি হিসেবে অংশ নিচ্ছেন। রোববার রাতে ট্রাম্প তাঁর ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ প্ল্যাটফর্মে লিখেছেন, ‘সময় খুবই গুরুত্বপূর্ণ—দেরি হলে রক্তপাত বাড়বে। এখনই দ্রুত সমঝোতায় পৌঁছানো দরকার।’
তবে আলোচনার মাঝেও গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলা অব্যাহত থাকায় পরিস্থিতির ভঙ্গুরতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

মিসরে শুরু হলো ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা। সোমবার রাতে (৬ অক্টোবর) বিবিসি ও সিএনএন জানিয়েছে, শুরু হওয়া এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হচ্ছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত ২০ দফা গাজা শান্তি পরিকল্পনার ভিত্তিতে।
ট্রাম্পের এই পরিকল্পনাটি হলো একটি সংক্ষিপ্ত ফ্রেমওয়ার্ক, যেখানে যুদ্ধবিরতি ও দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক সমাধানের জন্য কিছু ধাপ উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এতে বেশ কিছু মৌলিক ইস্যু অনির্ধারিত রয়ে গেছে। ইসরায়েল পরিকল্পনাটি সম্পূর্ণ সমর্থন করেছে, আর হামাস আংশিকভাবে এতে সম্মত হয়েছে।
হামাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরিকল্পনায় বর্ণিত বন্দী বিনিময় প্রক্রিয়ার সঙ্গে তারা নীতিগতভাবে একমত। তবে মাঠপর্যায়ের কিছু শর্ত পূরণ না হলে তা কার্যকর হবে না। যেহেতু জিম্মিরা হামাসের আলোচনার প্রধান হাতিয়ার, তাই তারা অন্য ধাপগুলো চূড়ান্ত হওয়ার আগে জিম্মিদের মুক্তি দেবে কিনা, তা এখনো অনিশ্চিত।
এদিকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু স্পষ্ট করেছেন, হামাসের নিরস্ত্রীকরণ ছাড়া কোনো সমঝোতা সম্ভব নয়। কিন্তু হামাসের প্রতিক্রিয়ায় নিরস্ত্রীকরণের কোনো উল্লেখ না থাকায় বোঝা যাচ্ছে, তাদের অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে।
পরিকল্পনায় গাজায় একটি অন্তর্বর্তী প্রশাসনের কথা বলা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক সহায়তায় পরিচালিত হবে এবং পরে তা ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের (পিএ) হাতে হস্তান্তর করা হবে। তবে নেতানিয়াহু এই প্রস্তাবে আপত্তি জানিয়ে বলেছেন, যুদ্ধ-পরবর্তী শাসনে পিএ-এর কোনো ভূমিকা থাকা উচিত নয়।
গাজার যুদ্ধক্ষেত্র থেকে ইসরায়েলের সরে আসার প্রক্রিয়াটি তিন ধাপে সম্পন্ন হওয়ার কথা থাকলেও এর সময়সীমা অস্পষ্ট, যা নিয়ে হামাস আলোচনা জোরদার করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, কায়রোয় চলমান এই আলোচনায় মধ্যস্থতা করবে মিসর ও কাতার। যুক্তরাষ্ট্র থাকবে পর্যবেক্ষক হিসেবে। হামাসের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন খালিল আল-হাইয়া, যিনি গত মাসে কাতারে ইসরায়েলি হামলা থেকে প্রাণে বেঁচে গেছেন। ইসরায়েলের পক্ষে নেতৃত্ব দিচ্ছেন দেশটির কৌশল বিষয়ক মন্ত্রী রন ডারমার।
ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জামাতা জ্যারেড কুশনার আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি হিসেবে অংশ নিচ্ছেন। রোববার রাতে ট্রাম্প তাঁর ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ প্ল্যাটফর্মে লিখেছেন, ‘সময় খুবই গুরুত্বপূর্ণ—দেরি হলে রক্তপাত বাড়বে। এখনই দ্রুত সমঝোতায় পৌঁছানো দরকার।’
তবে আলোচনার মাঝেও গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলা অব্যাহত থাকায় পরিস্থিতির ভঙ্গুরতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালত আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) আজ সোমবার থেকে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগে দায়ের করা ঐতিহাসিক মামলার পূর্ণাঙ্গ শুনানি শুরু হচ্ছে। পশ্চিম আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়া ২০১৯ সালে এই মামলাটি করে।
৩ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল রোববার বলেছেন, ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানে ব্যাপক সরকারবিরোধী বিক্ষোভের মধ্যে সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকি দেওয়ার পর দেশটির নেতৃত্ব তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করে ‘আলোচনায় বসতে’ চেয়েছে। তবে তিনি এও বলেছেন যে, আলোচনায় বসার আগেই একটা কিছু করে ফেলতে পারেন তিনি।
৩ ঘণ্টা আগে
ভারতের কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুতে সপ্তাহখানেক আগে এক নারী সফটওয়্যার প্রকৌশলীর মরদেহ উদ্ধার করা হয় তাঁর ভাড়া বাসায়। উদ্ধারের এক সপ্তাহ পর তদন্তকারীরা চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, যৌন হেনস্তার চেষ্টা প্রতিরোধ করায় ১৮ বছর বয়সী এক তরুণ ওই নারীকে হত্যা করেছে।
৫ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড প্রস্তাবিত গাজা যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপের জন্য নির্ধারিত হলুদ রেখা আরও গভীরে ঠেলে দিতে চায় ইসরায়েল। উদ্দেশ্য অবরুদ্ধ ছিটমহলটির আরও ভূখণ্ড নিজের কবজায় নেওয়া। এ লক্ষ্যে আগামী মার্চে দখলদার বাহিনী গাজায় ফের আগ্রাসন শুরু করতে চায়।
৬ ঘণ্টা আগে