
জাতীয় নিরাপত্তা প্রধান আলী লারিজানি ও বাসিজ আধা সামরিক বাহিনীর কমান্ডার গোলামরেজা সোলেইমানি হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইসরায়েলের অভ্যন্তরে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। এই হামলায় মধ্য ইসরায়েলে অন্তত দুজনের মৃত্যু হয়েছে এবং বিভিন্ন স্থানে অবকাঠামোর মারাত্মক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।
আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, তেল আবিব এবং এর পার্শ্ববর্তী শহর বেনি ব্রাক ও রামাত গান এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। এতে রামাত গানে সত্তরোর্ধ্ব এক দম্পতি নিহত হয়েছেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ক্ষেপণাস্ত্রটি সরাসরি তাঁদের বসার ঘরে আঘাত হানে। নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার আগেই এই ঘটনা ঘটে। এ ছাড়া শ্যারন এলাকা এবং বেনি ব্রাকে বেশ কয়েকজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
হামলায় তেল আবিবের একটি প্রধান রেলস্টেশন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নিরাপত্তার খাতিরে ইসরায়েলজুড়ে সাময়িকভাবে ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। গত এক ঘণ্টায় মধ্য ইসরায়েলে পুনরায় সাইরেন বেজে উঠলে জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরান এবং হিজবুল্লাহর সমন্বিত হামলা ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার ওপর প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি করছে। উত্তর দিক থেকে হিজবুল্লাহ প্রতিদিন ১০০টির মতো রকেট ছুড়ছে, যার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ইরানের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র। অধিকাংশ প্রজেক্টাইল আকাশে ধ্বংস করা সম্ভব হলেও কিছু লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানছে।
উদ্বেগজনক তথ্য হলো, কিছু ক্ষেত্রে আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার ইন্টারসেপ্টর বা প্রতিরোধক ক্ষেপণাস্ত্রগুলোই মাটিতে পড়ে ক্ষয়ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। রামাত গানে প্রাণহানির পেছনে সরাসরি রকেট নাকি ইন্টারসেপ্টরের ধ্বংসাবশেষ দায়ী, তা নিয়ে বর্তমানে তদন্ত চলছে। কয়েক দিন আগেও একটি ইন্টারসেপ্টরের কারণে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ইরান সাফ জানিয়ে দিয়েছে, তাদের এই হামলা পূর্ববর্তী হত্যাকাণ্ডগুলোর সুনির্দিষ্ট প্রতিশোধ। এই উত্তেজনার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত আরও দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিচ্ছে।

কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটির ওপর শক্তিশালী ‘বাংকার বাস্টার’ বোমা হামলা চালিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। গতকাল মঙ্গলবার মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে এই দাবি করেছে।
২ ঘণ্টা আগে
ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের অযৌক্তিক আগ্রাসনে শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা ড. আলী লারিজানিকে হত্যার প্রতিশোধ হিসেবে তেল আবিবে ১০০টির বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানের জাতীয় নিরাপত্তাপ্রধান আলী লারিজানি হত্যাকাণ্ডের পর যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে যে ধরনের প্রতিক্রিয়া আশা করা হয়েছিল, তার পরিবর্তে দেখা যাচ্ছে এক রহস্যময় নীরবতা।
২ ঘণ্টা আগে
ব্রিটেনের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জোনাথন পাওয়েল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শেষ দফার আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি মনে করেছিলেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে তেহরানের দেওয়া প্রস্তাব যুদ্ধের দিকে দ্রুত ধাবিত হওয়া ঠেকানোর মতো যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
২ ঘণ্টা আগে