আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ইসরায়েল গতকাল বৃহস্পতিবার গাজাজুড়ে হামলা চালিয়ে অন্তত ১৪ জন ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে, যাদের মধ্যে পাঁচ শিশুও রয়েছে; এমনটি জানিয়েছে চিকিৎসা সূত্রগুলো। অক্টোবর মাসে ঘোষিত যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকা সত্ত্বেও উপকূলীয় এই ভূখণ্ডে বোমাবর্ষণ অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল। আল জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
দক্ষিণ গাজার আল-মাওয়াসি এলাকায় বাস্তুচ্যুত মানুষের জন্য স্থাপন করা তাঁবুতে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে চিকিৎসা সূত্র। এ ছাড়া গাজা সিটির জেইতুন এলাকায় চালানো আরেক হামলায় চারজন নিহত হন। একই দিনে মধ্য গাজার বুরেইজ ও নুসেইরাত এলাকাতেও বোমাবর্ষণ চালায় ইসরায়েল।
আলাদাভাবে উত্তর গাজার জাবালিয়া এলাকায় ইসরায়েলি গোলাবর্ষণে ১১ বছর বয়সী ফিলিস্তিনি কন্যাশিশু হামসা হুসু নিহত হয়। হামসার চাচা খামিস হুসু জানান, পরিবারের ভবনে চিৎকার শুনে তিনি ঘুম থেকে জেগে ওঠেন। তিনি বলেন, ‘আমি দেখেছি হামসা মেঝেতে পড়ে আছে, তার নাক ও মুখ দিয়ে রক্ত বের হচ্ছিল।’
এই হামলাগুলো এমন এক সময়ে ঘটল, যখন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি ১০ অক্টোবর থেকে কার্যকর হওয়ার পরও গাজায় সামরিক অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। ফিলিস্তিনের পপুলার ফ্রন্ট ফর দ্য লিবারেশন অব প্যালেস্টাইন (পিএফএলপি) বৃহস্পতিবার বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলি হামলাকে যুদ্ধাপরাধ বলে আখ্যা দিয়েছে। সংগঠনটি বলেছে, এসব হামলা গাজাকে বসবাসের অযোগ্য করে তোলার ইসরায়েলি লক্ষ্যকে প্রতিফলিত করে।
এক বিবৃতিতে বামপন্থী এই সংগঠন জানায়, ‘আমরা জোর দিয়ে বলছি, এই সত্তা কোনো যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে সম্মান করে না এবং বিশ্বাসঘাতকতা ও মিথ্যা নিরাপত্তা অজুহাতের ওপর নির্ভর করে গণহত্যা ও বাস্তুচ্যুতির পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।’
গাজার ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১১ অক্টোবরের পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৪২৫ ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১ হাজার ২০৬ জন আহত হয়েছে। এদিকে ইসরায়েলের গণহত্যামূলক যুদ্ধে ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়ে যাওয়ার পর গাজাজুড়ে অস্থায়ী তাঁবুশিবিরে আশ্রয় নিয়েছে কয়েক লাখ বাস্তুচ্যুত পরিবার।
জাতিসংঘ ও বিভিন্ন মানবিক সংস্থার সতর্কবার্তা সত্ত্বেও গাজা উপত্যকায় আশ্রয়সামগ্রীর অবাধ প্রবাহে অনুমতি দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে ইসরায়েল। সংস্থাগুলো বলছে, প্রাণঘাতী শীতকালীন ঝড়ের মধ্যে ফিলিস্তিনিরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ভারী বৃষ্টিতে বহু তাঁবুশিবির পানিতে তলিয়ে গেছে। এর ফলে উন্নত মানের তাঁবু, কম্বল ও উষ্ণ পোশাকের দাবিতে ফিলিস্তিনিরা আহ্বান জানাচ্ছেন। ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস (এমএসএফ) জানিয়েছে, কঠোর জীবনযাপনের কারণে গাজায় ফিলিস্তিনিরা ‘শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ, ক্ষত জটিলতা ও চর্মরোগে’ ভুগছেন। সংস্থাটি আরও জানায়, শিশুরা ‘তীব্র শীতের কষ্টে’ ভুগছে এবং ‘এমন পরিস্থিতিতে ইসরায়েল তাঁবু, ত্রিপল ও অস্থায়ী আবাসনের মতো জরুরি সরবরাহ প্রবেশে বাধা দিচ্ছে বা বিলম্ব ঘটাচ্ছে।’
এর মধ্যেই এমএসএফ ও নরওয়েজিয়ান রিফিউজি কাউন্সিলসহ আন্তর্জাতিক ত্রাণ সংস্থাগুলোর গাজায় কার্যক্রম বন্ধে উদ্যোগ নিয়েছে ইসরায়েল। নতুন বিধিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্য না থাকায় ৩৭টি ত্রাণ সংস্থার কার্যক্রমের লাইসেন্স বাতিল করেছে ইসরায়েল। এসব বিধিমালায় কর্মী, অর্থায়ন ও কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব শর্ত মানবিক নীতিমালার পরিপন্থী এবং ফিলিস্তিনিদের সহায়তাকারী সংস্থাগুলোর কাজ ব্যাহত করতে ইসরায়েলি সরকারের দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টারই অংশ।
বৃহস্পতিবার রয়টার্স জানায়, এমএসএফ, মেডেসাঁ দ্যু মঁদ সুইস ও ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল জানিয়েছে, ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ চলতি সপ্তাহে তাদের আন্তর্জাতিক কর্মীদের গাজায় প্রবেশের অনুমতি দেয়নি। এই সংস্থাগুলোর সতর্কবার্তা অনুযায়ী, ইসরায়েলের নিষেধাজ্ঞার ফলে গাজায় স্বাস্থ্যসেবাসহ গুরুত্বপূর্ণ সেবা বন্ধ হয়ে যেতে পারে, যা ফিলিস্তিনিদের জীবনকে মারাত্মক ঝুঁকিতে ফেলবে।

ইসরায়েল গতকাল বৃহস্পতিবার গাজাজুড়ে হামলা চালিয়ে অন্তত ১৪ জন ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে, যাদের মধ্যে পাঁচ শিশুও রয়েছে; এমনটি জানিয়েছে চিকিৎসা সূত্রগুলো। অক্টোবর মাসে ঘোষিত যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকা সত্ত্বেও উপকূলীয় এই ভূখণ্ডে বোমাবর্ষণ অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল। আল জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
দক্ষিণ গাজার আল-মাওয়াসি এলাকায় বাস্তুচ্যুত মানুষের জন্য স্থাপন করা তাঁবুতে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে চিকিৎসা সূত্র। এ ছাড়া গাজা সিটির জেইতুন এলাকায় চালানো আরেক হামলায় চারজন নিহত হন। একই দিনে মধ্য গাজার বুরেইজ ও নুসেইরাত এলাকাতেও বোমাবর্ষণ চালায় ইসরায়েল।
আলাদাভাবে উত্তর গাজার জাবালিয়া এলাকায় ইসরায়েলি গোলাবর্ষণে ১১ বছর বয়সী ফিলিস্তিনি কন্যাশিশু হামসা হুসু নিহত হয়। হামসার চাচা খামিস হুসু জানান, পরিবারের ভবনে চিৎকার শুনে তিনি ঘুম থেকে জেগে ওঠেন। তিনি বলেন, ‘আমি দেখেছি হামসা মেঝেতে পড়ে আছে, তার নাক ও মুখ দিয়ে রক্ত বের হচ্ছিল।’
এই হামলাগুলো এমন এক সময়ে ঘটল, যখন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি ১০ অক্টোবর থেকে কার্যকর হওয়ার পরও গাজায় সামরিক অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। ফিলিস্তিনের পপুলার ফ্রন্ট ফর দ্য লিবারেশন অব প্যালেস্টাইন (পিএফএলপি) বৃহস্পতিবার বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলি হামলাকে যুদ্ধাপরাধ বলে আখ্যা দিয়েছে। সংগঠনটি বলেছে, এসব হামলা গাজাকে বসবাসের অযোগ্য করে তোলার ইসরায়েলি লক্ষ্যকে প্রতিফলিত করে।
এক বিবৃতিতে বামপন্থী এই সংগঠন জানায়, ‘আমরা জোর দিয়ে বলছি, এই সত্তা কোনো যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে সম্মান করে না এবং বিশ্বাসঘাতকতা ও মিথ্যা নিরাপত্তা অজুহাতের ওপর নির্ভর করে গণহত্যা ও বাস্তুচ্যুতির পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।’
গাজার ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১১ অক্টোবরের পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৪২৫ ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১ হাজার ২০৬ জন আহত হয়েছে। এদিকে ইসরায়েলের গণহত্যামূলক যুদ্ধে ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়ে যাওয়ার পর গাজাজুড়ে অস্থায়ী তাঁবুশিবিরে আশ্রয় নিয়েছে কয়েক লাখ বাস্তুচ্যুত পরিবার।
জাতিসংঘ ও বিভিন্ন মানবিক সংস্থার সতর্কবার্তা সত্ত্বেও গাজা উপত্যকায় আশ্রয়সামগ্রীর অবাধ প্রবাহে অনুমতি দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে ইসরায়েল। সংস্থাগুলো বলছে, প্রাণঘাতী শীতকালীন ঝড়ের মধ্যে ফিলিস্তিনিরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ভারী বৃষ্টিতে বহু তাঁবুশিবির পানিতে তলিয়ে গেছে। এর ফলে উন্নত মানের তাঁবু, কম্বল ও উষ্ণ পোশাকের দাবিতে ফিলিস্তিনিরা আহ্বান জানাচ্ছেন। ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস (এমএসএফ) জানিয়েছে, কঠোর জীবনযাপনের কারণে গাজায় ফিলিস্তিনিরা ‘শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ, ক্ষত জটিলতা ও চর্মরোগে’ ভুগছেন। সংস্থাটি আরও জানায়, শিশুরা ‘তীব্র শীতের কষ্টে’ ভুগছে এবং ‘এমন পরিস্থিতিতে ইসরায়েল তাঁবু, ত্রিপল ও অস্থায়ী আবাসনের মতো জরুরি সরবরাহ প্রবেশে বাধা দিচ্ছে বা বিলম্ব ঘটাচ্ছে।’
এর মধ্যেই এমএসএফ ও নরওয়েজিয়ান রিফিউজি কাউন্সিলসহ আন্তর্জাতিক ত্রাণ সংস্থাগুলোর গাজায় কার্যক্রম বন্ধে উদ্যোগ নিয়েছে ইসরায়েল। নতুন বিধিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্য না থাকায় ৩৭টি ত্রাণ সংস্থার কার্যক্রমের লাইসেন্স বাতিল করেছে ইসরায়েল। এসব বিধিমালায় কর্মী, অর্থায়ন ও কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব শর্ত মানবিক নীতিমালার পরিপন্থী এবং ফিলিস্তিনিদের সহায়তাকারী সংস্থাগুলোর কাজ ব্যাহত করতে ইসরায়েলি সরকারের দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টারই অংশ।
বৃহস্পতিবার রয়টার্স জানায়, এমএসএফ, মেডেসাঁ দ্যু মঁদ সুইস ও ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল জানিয়েছে, ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ চলতি সপ্তাহে তাদের আন্তর্জাতিক কর্মীদের গাজায় প্রবেশের অনুমতি দেয়নি। এই সংস্থাগুলোর সতর্কবার্তা অনুযায়ী, ইসরায়েলের নিষেধাজ্ঞার ফলে গাজায় স্বাস্থ্যসেবাসহ গুরুত্বপূর্ণ সেবা বন্ধ হয়ে যেতে পারে, যা ফিলিস্তিনিদের জীবনকে মারাত্মক ঝুঁকিতে ফেলবে।

ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত অন্তত ৪৮ বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো। একই সঙ্গে নিহত হয়েছেন ১৪ নিরাপত্তা সদস্য; এমন তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ)।
৫ মিনিট আগে
কঠোর দমনপীড়নের মধ্যেও ইরানের রাজধানী তেহরানের রাস্তায় শুক্রবার রাতে আবার ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছে বলে জানিয়েছেন এক প্রত্যক্ষদর্শী। ইরান ইন্টারন্যাশনালকে দেওয়া বর্ণনায় তিনি জানান, শহরের বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভকারীরা ‘স্বৈরশাসকের মৃত্যু হোক’ স্লোগান দিচ্ছেন।
২৭ মিনিট আগে
ইরানের বিভিন্ন শহরে সাম্প্রতিক বিক্ষোভে অন্তত কয়েক ডজন মানুষ নিহত হয়েছেন বলে মানবাধিকার সংগঠন ও প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্যে জানা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার রাতের পর দেশজুড়ে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ায় প্রকৃত হতাহতের সংখ্যা এখনো স্পষ্ট নয়।
৩০ মিনিট আগে
ইউক্রেনজুড়ে কয়েক শ ড্রোন ও কয়েক ডজন ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে রুশ বাহিনী। এই হামলায় রাজধানী কিয়েভে অন্তত চারজন নিহত এবং ২৫ জন আহত হয়েছে। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি, প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বাসভবনে ইউক্রেনীয় হামলার জবাবেই এই আক্রমণ চালানো হয়েছে।
৩৩ মিনিট আগে