
ইরানে সাম্প্রতিক সরকারবিরোধী বিক্ষোভের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে আরও চারজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় বার্তা সংস্থা মিজান নিউজের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি।
তেহরানের বিপ্লবী আদালত বলেছেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের একজন বিক্ষোভকারী এক পুলিশ সদস্যকে গাড়ির ধাক্কা দিয়ে মেরে ফেলেছেন। দ্বিতীয়জনের কাছে একটি ছুরি ও বন্দুক ছিল। তৃতীয় ব্যক্তি রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ করে দিয়ে সন্ত্রাস সৃষ্টি করেছিলেন। আর চতুর্থজন ছুরি হামলা চালিয়েছিলেন।
মানবাধিকারকর্মীরা এই মৃত্যুদণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। গত রোববার থেকে এ পর্যন্ত পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলো। এসব মৃত্যুদণ্ডকে মানবাধিকার কর্মীরা ‘অন্যায় বিচারের ফলাফল’ বলে অভিহিত করেছেন।
নরওয়েভিত্তিক ইরান হিউম্যান রাইটসের পরিচালক মাহমুদ আমিরি মোগাদ্দাম বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেছেন, ‘বিক্ষোভকারীরা জিজ্ঞাসাবাদের সময় নিজেদের আইনজীবী রাখতে পারেন না। বেশির ভাগ সময় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের মাধ্যমে আসামিদের কাছ থেকে মিথ্যা স্বীকারোক্তি নেওয়া হয় এবং এসব স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে সাজা দেওয়া হয়।’
বিবিসি বলেছে, ইরানের বিচার বিভাগ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের নাম-পরিচয় প্রকাশ করেনি। তবে মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বলেছে, তারা মানবাধিকারকর্মীদের কাছ থেকে বিশ্বাসযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পেরেছেন যে মোহাম্মদ ঘোবাদলু, মানুচেহর মেহমান নাভাজ, মাহান সেদারাত মাদানি, মোহাম্মদ বোরোঘানি এবং সাহান্দ নূর মোহাম্মদ জাদেহ নামের পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বিবিসির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, মোট ২১ জন বন্দীর মধ্যে পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলো। এঁদের বিরুদ্ধে ‘আল্লাহর বিরুদ্ধে শত্রুতা’ ও ‘দুর্নীতির অভিযোগ’ ছিল। ইরানের শরিয়া আইনে এসব অপরাধ মৃত্যুদণ্ডযোগ্য।
তিন আস আগে পুলিশি হেফাজতে ২২ বছর বয়সী কুর্দি তরুণী মাহসা আমিনির মৃত্যুর পর সারা ইরানে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। হিউম্যান রাইটস অ্যাকটিভিস্ট নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ) জানিয়েছে, সাম্প্রতিক বিক্ষোভে অন্তত ৩৮৪ জন বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন এবং ১৫ হাজার ৯০০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরই মধ্যে বিচার বিভাগের তরফ থেকে মৃত্যুদণ্ডের খবর এল।
এদিকে বিক্ষোভকারীরা ‘রক্তাক্ত নভেম্বর’ স্মরণে তিন দিনের বিক্ষোভ ও ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন। এর আগে জ্বালানির দাম হঠাৎ বাড়ানোর প্রতিবাদে ২০১৯ সালের ১৫ নভেম্বর ইরানে ব্যাপক বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেই বিক্ষোভে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়েছিল।
গতকাল বুধবার রাতে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর ইজেহের একটি বাজারে সশস্ত্র বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন। খুজেস্তান প্রদেশের ডেপুটি গভর্নর জানিয়েছেন, নিহতদের মধ্যে তিনজন পুরুষ, একজন নারী ও একজন মেয়ে রয়েছেন।
তবে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, বিক্ষোভকারীরা মঙ্গলবারে বুকান ও কামিয়ারনে একজন কর্নেলসহ ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড কর্পসের দুই সদস্যকে গুলি করে হত্যা করেছেন। অন্যদিকে দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর শিরাজে একটি মোলোটভ ককটেলের আঘাতে আধা সামরিক বাহিনী বাসিজ রেজিস্ট্যান্স ফোর্সের এক সদস্য নিহত হয়েছেন।
বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর থেকে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এ পর্যন্ত ৩৮ জন নিরাপত্তাকর্মী নিহত হওয়ার দাবি করেছে।

ইরানে সাম্প্রতিক সরকারবিরোধী বিক্ষোভের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে আরও চারজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় বার্তা সংস্থা মিজান নিউজের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি।
তেহরানের বিপ্লবী আদালত বলেছেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের একজন বিক্ষোভকারী এক পুলিশ সদস্যকে গাড়ির ধাক্কা দিয়ে মেরে ফেলেছেন। দ্বিতীয়জনের কাছে একটি ছুরি ও বন্দুক ছিল। তৃতীয় ব্যক্তি রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ করে দিয়ে সন্ত্রাস সৃষ্টি করেছিলেন। আর চতুর্থজন ছুরি হামলা চালিয়েছিলেন।
মানবাধিকারকর্মীরা এই মৃত্যুদণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। গত রোববার থেকে এ পর্যন্ত পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলো। এসব মৃত্যুদণ্ডকে মানবাধিকার কর্মীরা ‘অন্যায় বিচারের ফলাফল’ বলে অভিহিত করেছেন।
নরওয়েভিত্তিক ইরান হিউম্যান রাইটসের পরিচালক মাহমুদ আমিরি মোগাদ্দাম বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেছেন, ‘বিক্ষোভকারীরা জিজ্ঞাসাবাদের সময় নিজেদের আইনজীবী রাখতে পারেন না। বেশির ভাগ সময় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের মাধ্যমে আসামিদের কাছ থেকে মিথ্যা স্বীকারোক্তি নেওয়া হয় এবং এসব স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে সাজা দেওয়া হয়।’
বিবিসি বলেছে, ইরানের বিচার বিভাগ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের নাম-পরিচয় প্রকাশ করেনি। তবে মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বলেছে, তারা মানবাধিকারকর্মীদের কাছ থেকে বিশ্বাসযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পেরেছেন যে মোহাম্মদ ঘোবাদলু, মানুচেহর মেহমান নাভাজ, মাহান সেদারাত মাদানি, মোহাম্মদ বোরোঘানি এবং সাহান্দ নূর মোহাম্মদ জাদেহ নামের পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বিবিসির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, মোট ২১ জন বন্দীর মধ্যে পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলো। এঁদের বিরুদ্ধে ‘আল্লাহর বিরুদ্ধে শত্রুতা’ ও ‘দুর্নীতির অভিযোগ’ ছিল। ইরানের শরিয়া আইনে এসব অপরাধ মৃত্যুদণ্ডযোগ্য।
তিন আস আগে পুলিশি হেফাজতে ২২ বছর বয়সী কুর্দি তরুণী মাহসা আমিনির মৃত্যুর পর সারা ইরানে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। হিউম্যান রাইটস অ্যাকটিভিস্ট নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ) জানিয়েছে, সাম্প্রতিক বিক্ষোভে অন্তত ৩৮৪ জন বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন এবং ১৫ হাজার ৯০০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরই মধ্যে বিচার বিভাগের তরফ থেকে মৃত্যুদণ্ডের খবর এল।
এদিকে বিক্ষোভকারীরা ‘রক্তাক্ত নভেম্বর’ স্মরণে তিন দিনের বিক্ষোভ ও ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন। এর আগে জ্বালানির দাম হঠাৎ বাড়ানোর প্রতিবাদে ২০১৯ সালের ১৫ নভেম্বর ইরানে ব্যাপক বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেই বিক্ষোভে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়েছিল।
গতকাল বুধবার রাতে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর ইজেহের একটি বাজারে সশস্ত্র বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন। খুজেস্তান প্রদেশের ডেপুটি গভর্নর জানিয়েছেন, নিহতদের মধ্যে তিনজন পুরুষ, একজন নারী ও একজন মেয়ে রয়েছেন।
তবে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, বিক্ষোভকারীরা মঙ্গলবারে বুকান ও কামিয়ারনে একজন কর্নেলসহ ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড কর্পসের দুই সদস্যকে গুলি করে হত্যা করেছেন। অন্যদিকে দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর শিরাজে একটি মোলোটভ ককটেলের আঘাতে আধা সামরিক বাহিনী বাসিজ রেজিস্ট্যান্স ফোর্সের এক সদস্য নিহত হয়েছেন।
বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর থেকে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এ পর্যন্ত ৩৮ জন নিরাপত্তাকর্মী নিহত হওয়ার দাবি করেছে।

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করতে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের কয়েক মাস আগেই দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেলোর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। অভিযানের পরও এই যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক ব্যক্তি।
২ ঘণ্টা আগে
আল-জাজিরার তেহরান প্রতিনিধি রেসুল সেরদার জানান, খামেনির বক্তব্যে আগের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত হলেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ও নতুন তথ্য উঠে এসেছে। সেটা হলো, প্রাণহানির সংখ্যা। তিনি বলেন, ‘এই প্রথম খামেনি নিহতের সংখ্যা নিয়ে ইঙ্গিত দিলেন। তিনি বলেছেন, সহিংস বিক্ষোভকারীরা হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
২ ঘণ্টা আগে
এই ভাষণে প্রথমবারের মতো খামেনি বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুর সংখ্যা ‘হাজার হাজার’ বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পৃক্তরা এখানে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে এবং কয়েক হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
৩ ঘণ্টা আগে
ইন্দোনেশিয়ার দক্ষিণ সুলাওয়েসি প্রদেশের মারোস জেলায় ১১ জন আরোহী নিয়ে ইন্দোনেশিয়া এয়ার ট্রান্সপোর্টের (আইএটি) একটি ফ্লাইট নিখোঁজ হয়েছে। আজ শনিবার স্থানীয় সময় বেলা ১টা ১৭ মিনিটে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে বিমানটির শেষ যোগাযোগ হয়েছিল।
৪ ঘণ্টা আগে