
জাতিসংঘের শীর্ষ আদালতের আদেশ উপেক্ষা করে গাজায় ত্রাণ পৌঁছাতে বাধা দিচ্ছে ইসরায়েল। গতকাল সোমবার দুটি মানবাধিকার বিষয়ক সংস্থা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করে।
ঠিক এক মাস আগে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিজে) অবরুদ্ধ গাজায় যেকোনো মূল্যে গণহত্যামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ করতে আদেশ দেন। এ ছাড়া আদালত ইসরায়েলকে গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছে দিতে তাৎক্ষণিক ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে বলেন।
মানবাধিকার বিষয়ক আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বলেছে, ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ গত ২৬ জানুয়ারি আন্তর্জাতিক আদালতের আদেশ মেনে চলার জন্য ‘ন্যূনতম পদক্ষেপ নিতেও ব্যর্থ হয়েছে’।
অ্যামনেস্টি ও হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ) বলেছে, আদালতের আদেশের পর গাজায় ত্রাণের ট্রাক প্রবেশের সংখ্যা উল্টো এক–তৃতীয়াংশ কমে গেছে। দক্ষিণ আফ্রিকা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গাজায় গণহত্যা চালানোর অভিযোগ আনার পর এ আদেশ দেন আদালত।
এইচআরডব্লিউয়ের ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন বিষয়ক পরিচালক ওমর শাকির বলেন, ‘ইসরায়েল সরকার গাজার ২৪ লাখ ফিলিস্তিনিকে অনাহারে রেখেছে। তারা ফিলিস্তিনিদের বিশ্ব আদালতের বাধ্যতামূলক আদেশের আগের চেয়ে বেশি বিপদে ফেলছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ইসরায়েল সরকার আদালতের আদেশ উপেক্ষা করেছে এবং জীবন রক্ষাকারী সহায়তা সরবরাহে আরও বেশি বাধা দেওয়াসহ দমন–পীড়ন আরও তীব্র করেছে।’
আন্তর্জাতিক আদালতের আদেশ মান্য করা আইনত বাধ্যতামূলক, কিন্তু আদালতের তা প্রয়োগের কোনো এখতিয়ার নেই।
জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ বলছে, গাজায় গত জানুয়ারির তুলনায় ফেব্রুয়ারিতে মানবিক সহায়তা প্রবেশের পরিমাণ ৫০ শতাংশ কমে এসেছে।
ইউএনআরডব্লিউএ প্রধান ফিলিপ লাজারনি এক্স প্ল্যাটফর্মে বলেন, ‘মানবেতর জীবন যাপন করা ২০ লাখ ফিলিস্তিনির চাহিদা মেটানোর জন্য সরবরাহ বাড়ানোর কথা ছিল কমানোর নয়। রাজনৈতিক অনিচ্ছা এবং সীমান্ত পারাপার নিয়মিত বন্ধ থাকার কারণে সরবরাহ কমে গেছে।’
এদিকে গাজার দক্ষিণাঞ্চলের শহর রাফাহে স্থল অভিযান শুরুর পরিকল্পনা করছে ইসরায়েল। এমন সময়ে এ দুই মানবিক সংস্থা থেকে এমন অভিযোগ এল। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস গতকাল সোমবার বলেছেন, রাফাহে ইসরায়েলের অভিযান ত্রাণ কর্মসূচি বন্ধে শেষ পেরেকটি ঠুকবে।
ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যের বরাত দিয়ে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, গত ৭ অক্টোবর শুরু হওয়া ইসরায়েলি হামলায় গাজায় নিহত হয়েছে অন্তত ২৯ হাজার ৭৮২ জন এবং পশ্চিম তীরে এই সময়ে নিহত হয়েছে অন্তত ৩৯৫ জন। সব মিলিয়ে ফিলিস্তিনের দুই ভূখণ্ডে ইসরায়েলি আগ্রাসনে নিহত হয়েছে ৩০ হাজার ১৭৭ জন।
গাজায় নিহতদের মধ্যে ১২ হাজার ৩০০টিই শিশু এবং ৮ হাজার ৪০০ জন নারী। এর বাইরে গাজায় ইসরায়েলি হামলার কারণে নিখোঁজ থাকা ব্যক্তির সংখ্যা ৭ হাজারেরও বেশি। এ ছাড়া, পশ্চিম তীরে নিহত ৩৯৫ জনের মধ্যে ১০৫ জনই শিশু। এরই মধ্যে খাবার, পানি ও চিকিৎসা সরঞ্জামের চরম সংকট দেখা দিয়েছে। জাতিসংঘ কয়েক মাস ধরেই এলাকাটিতে দুর্ভিক্ষের হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছে। বিভিন্ন শরণার্থীশিবিরে খাবারের অভাবে ধুঁকছে লাখো মানুষ।

জাতিসংঘের শীর্ষ আদালতের আদেশ উপেক্ষা করে গাজায় ত্রাণ পৌঁছাতে বাধা দিচ্ছে ইসরায়েল। গতকাল সোমবার দুটি মানবাধিকার বিষয়ক সংস্থা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করে।
ঠিক এক মাস আগে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিজে) অবরুদ্ধ গাজায় যেকোনো মূল্যে গণহত্যামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ করতে আদেশ দেন। এ ছাড়া আদালত ইসরায়েলকে গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছে দিতে তাৎক্ষণিক ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে বলেন।
মানবাধিকার বিষয়ক আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বলেছে, ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ গত ২৬ জানুয়ারি আন্তর্জাতিক আদালতের আদেশ মেনে চলার জন্য ‘ন্যূনতম পদক্ষেপ নিতেও ব্যর্থ হয়েছে’।
অ্যামনেস্টি ও হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ) বলেছে, আদালতের আদেশের পর গাজায় ত্রাণের ট্রাক প্রবেশের সংখ্যা উল্টো এক–তৃতীয়াংশ কমে গেছে। দক্ষিণ আফ্রিকা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গাজায় গণহত্যা চালানোর অভিযোগ আনার পর এ আদেশ দেন আদালত।
এইচআরডব্লিউয়ের ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন বিষয়ক পরিচালক ওমর শাকির বলেন, ‘ইসরায়েল সরকার গাজার ২৪ লাখ ফিলিস্তিনিকে অনাহারে রেখেছে। তারা ফিলিস্তিনিদের বিশ্ব আদালতের বাধ্যতামূলক আদেশের আগের চেয়ে বেশি বিপদে ফেলছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ইসরায়েল সরকার আদালতের আদেশ উপেক্ষা করেছে এবং জীবন রক্ষাকারী সহায়তা সরবরাহে আরও বেশি বাধা দেওয়াসহ দমন–পীড়ন আরও তীব্র করেছে।’
আন্তর্জাতিক আদালতের আদেশ মান্য করা আইনত বাধ্যতামূলক, কিন্তু আদালতের তা প্রয়োগের কোনো এখতিয়ার নেই।
জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ বলছে, গাজায় গত জানুয়ারির তুলনায় ফেব্রুয়ারিতে মানবিক সহায়তা প্রবেশের পরিমাণ ৫০ শতাংশ কমে এসেছে।
ইউএনআরডব্লিউএ প্রধান ফিলিপ লাজারনি এক্স প্ল্যাটফর্মে বলেন, ‘মানবেতর জীবন যাপন করা ২০ লাখ ফিলিস্তিনির চাহিদা মেটানোর জন্য সরবরাহ বাড়ানোর কথা ছিল কমানোর নয়। রাজনৈতিক অনিচ্ছা এবং সীমান্ত পারাপার নিয়মিত বন্ধ থাকার কারণে সরবরাহ কমে গেছে।’
এদিকে গাজার দক্ষিণাঞ্চলের শহর রাফাহে স্থল অভিযান শুরুর পরিকল্পনা করছে ইসরায়েল। এমন সময়ে এ দুই মানবিক সংস্থা থেকে এমন অভিযোগ এল। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস গতকাল সোমবার বলেছেন, রাফাহে ইসরায়েলের অভিযান ত্রাণ কর্মসূচি বন্ধে শেষ পেরেকটি ঠুকবে।
ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যের বরাত দিয়ে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, গত ৭ অক্টোবর শুরু হওয়া ইসরায়েলি হামলায় গাজায় নিহত হয়েছে অন্তত ২৯ হাজার ৭৮২ জন এবং পশ্চিম তীরে এই সময়ে নিহত হয়েছে অন্তত ৩৯৫ জন। সব মিলিয়ে ফিলিস্তিনের দুই ভূখণ্ডে ইসরায়েলি আগ্রাসনে নিহত হয়েছে ৩০ হাজার ১৭৭ জন।
গাজায় নিহতদের মধ্যে ১২ হাজার ৩০০টিই শিশু এবং ৮ হাজার ৪০০ জন নারী। এর বাইরে গাজায় ইসরায়েলি হামলার কারণে নিখোঁজ থাকা ব্যক্তির সংখ্যা ৭ হাজারেরও বেশি। এ ছাড়া, পশ্চিম তীরে নিহত ৩৯৫ জনের মধ্যে ১০৫ জনই শিশু। এরই মধ্যে খাবার, পানি ও চিকিৎসা সরঞ্জামের চরম সংকট দেখা দিয়েছে। জাতিসংঘ কয়েক মাস ধরেই এলাকাটিতে দুর্ভিক্ষের হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছে। বিভিন্ন শরণার্থীশিবিরে খাবারের অভাবে ধুঁকছে লাখো মানুষ।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে চলতি জানুয়ারি মাসের মধ্যেই ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যে ঐতিহাসিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরিত হতে পারে। আজ সোমবার গুজরাটের আহমেদাবাদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্জ এই সম্ভাবনার কথা জানিয়ে...
৫ ঘণ্টা আগে
ইরানে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে—এমন আশঙ্কা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। ইন্টারনেট সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকলেও মোবাইল ফোনে ধারণ করা ভিডিও ও ছবি বাইরে আসতে শুরু করেছে।
৫ ঘণ্টা আগে
ইরানের রাজধানী তেহরানের ফরেনসিক ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড ল্যাবরেটরি সেন্টারের একটি ভিডিওতে বিপুলসংখ্যক মরদেহ দেখা যাওয়ার দাবি ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গত কয়েক দিনে সামাজিক মাধ্যমে ওই কেন্দ্র থেকে ধারণ করা অন্তত ছয়টি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বিচারিক সংস্থা আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) সোমবার (১২ জানুয়ারি) গাম্বিয়া অভিযোগ করেছে, মিয়ানমার পরিকল্পিতভাবে সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের ধ্বংসের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে এবং তাদের জীবনকে এক ভয়াবহ দুঃস্বপ্নে রূপ দিয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে