
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর ইরানে হামলা চালানো বন্ধ করেছে ইসরায়েলি বিমানবাহিনী (আইএএফ)। এমনটাই জানিয়েছে, ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
আইডিএফ এক বিবৃতিতে বলেছে, ইসরায়েলি বিমানবাহিনী স্থানীয় সময় আজ বুধবার ভোর ৩টার পর থেকে ইরানে আর কোনো হামলা চালায়নি। এর আগে, আইডিএফ জানায়, ইসরায়েলের দিকে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা কমাতে একটি ধারাবাহিক আক্রমণ পরিচালনা করা হয়েছিল।
এদিকে, আইডিএফ বলছে, তারা লেবাননে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে লড়াই অব্যাহত রেখেছে। মঙ্গলবার রাতভর চালানো ওই ‘ব্যাপক’ হামলায় ইসরায়েলি বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমানগুলো হিজবুল্লাহর ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চারগুলোতে আঘাত হানে। সামরিক বাহিনীর ভাষ্য অনুযায়ী, এর উদ্দেশ্য ছিল ‘ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের পরিসর উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো এবং দমন করা’।
আইডিএফ এক বিবৃতিতে জানায়, ‘সামরিক গোয়েন্দা অধিদপ্তরের নির্দেশনায় পরিচালিত ইসরায়েলি বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমানগুলো ডজনখানেক উৎক্ষেপণ কেন্দ্র লক্ষ্য করে হামলা চালায়—ফলে ইসরায়েল রাষ্ট্রের দিকে লক্ষ্য করে ছোড়া বড় ধরনের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ব্যাহত হয়।’
এদিকে, ইরানও আজ ভোর সাড়ে ৩টা পর্যন্ত ইসরায়েলের দিকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে যেতে থাকে। আইডিএফ জানায়, যুদ্ধবিরতির আগে তারা ইরানের বিভিন্ন এলাকায় ‘গুরুত্বপূর্ণ’ তথাকথিত অস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্রেও হামলা চালায়। তারা বলছে, ‘রাজনৈতিক নেতৃত্বের নির্দেশনা অনুযায়ী, আইডিএফ ইরানের বিরুদ্ধে অভিযানে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করেছে এবং প্রতিরক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। কোনো লঙ্ঘন হলে তাৎক্ষণিক জবাব দিতে প্রস্তুত।’
এর আগে, ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি ঘোষণার চার ঘণ্টা পর ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় এক বিবৃতি দিয়ে যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানায়। তবে তারা জোর দিয়ে বলেছে, পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীদের ভিন্ন দাবির বিপরীতে এই যুদ্ধবিরতি লেবাননকে অন্তর্ভুক্ত করে না। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ইসরায়েল প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সেই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করে, যার মাধ্যমে ইরানের বিরুদ্ধে হামলা দুই সপ্তাহের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। এই শর্তে যে ইরান অবিলম্বে প্রণালিগুলো খুলে দেবে এবং যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও অঞ্চলের দেশগুলোর বিরুদ্ধে সব ধরনের হামলা বন্ধ করবে।’
উল্লেখ্য, এই বিবৃতিটি শুধু ইংরেজিতেই প্রকাশ করা হয়েছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রের সেই প্রচেষ্টাকেও সমর্থন করে, যার লক্ষ্য হলো নিশ্চিত করা—ইরান আর যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল, ইরানের আরব প্রতিবেশী দেশগুলো এবং বিশ্বের জন্য কোনো পারমাণবিক, ক্ষেপণাস্ত্র বা সন্ত্রাসী হুমকি হয়ে না ওঠে।’
এতে আরও বলা হয়, ‘যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলকে জানিয়েছে যে আসন্ন আলোচনায় তারা এই লক্ষ্যগুলো অর্জনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই লক্ষ্যগুলো যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং ইসরায়েলের আঞ্চলিক মিত্রদের অভিন্ন লক্ষ্য।’ নেতানিয়াহুর কার্যালয় আরও বলেছে, ‘দুই সপ্তাহের এই যুদ্ধবিরতি লেবাননকে অন্তর্ভুক্ত করে না।’

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি কর্মকর্তারা গত সোমবার এক কৌতূহলী ঘটনার কথা জানতে পারেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আলটিমেটামের সময় যখন ঘনিয়ে আসছিল, ঠিক তখনই ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি তাঁর প্রতিনিধিদের নির্দেশ দেন চুক্তির দিকে এগিয়ে যেতে। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এই প্রথমবারের মতো...
৩ মিনিট আগে
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এবং মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ পৃথকভাবে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। কিন্তু যুদ্ধবিরতি আলোচনার কোথাও ইসরায়েলের অংশগ্রহণ ছিল না বলে অভিযোগ করে ইসরায়েল..
২ ঘণ্টা আগে
ইরানের সামরিক স্থাপনার পাশাপাশি দেশটির বেসামরিক ও সাংস্কৃতিক অবকাঠামোগুলো বেছে বেছে লক্ষ্যবস্তু করেছে ইসরায়েল। গত কয়েক দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বিমান হামলায় ইরানের শীর্ষস্থানীয় অন্তত ৩০টি বিশ্ববিদ্যালয় এবং অসংখ্য গবেষণাকেন্দ্র ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। তেহরানের ‘শরিফ ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি’তে
২ ঘণ্টা আগে
ইরানে চূড়ান্ত অপমানজনক পরাজয় বরণ করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এমনটাই জানিয়েছে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আজ বুধবার এক বিবৃতিতে রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ইরানে বিনা উসকানিতে হামলা চালানোর পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ‘চূড়ান্ত অপমানজনক পরাজয়’ ঘটেছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার
৩ ঘণ্টা আগে