আজকের পত্রিকা ডেস্ক

অবরুদ্ধ উপত্যকা গাজায় আর পাখি গান গায় না, শিশুর হাসিতে মুখরিত হয় না চারপাশ। সারাক্ষণই উপত্যকার কোথাও না কোথাও বিস্ফোরিত হচ্ছে বোমা কিংবা কারও না কারও ওপর নির্বিচারে চালানো হচ্ছে গুলি। সঙ্গে মাথার ওপর অনবরত ইসরায়েলি নজরদারি ড্রোনের ভন ভন শব্দ মাথায় যন্ত্রণা ধরিয়ে দেয়। কিন্তু এই শব্দ থেকে পালানোর কোনো পথ নেই।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর থেকেই গাজার আকাশে বিরতিহীনভাবে উড়ছে ইসরায়েলের শত শত কোয়াডকপ্টার। প্রথম প্রথম এই শব্দ আতঙ্ক তৈরি করলেও এখন এটি এক অসহ্য যন্ত্রণা আর বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গাজার মানুষ এখন আর মরতে ভয় পায় না। কিন্তু অনবরত এই ভোঁ ভোঁ শব্দ আর সহ্য করতে পারছে না তারা। যেকোনো মূল্যে এই শব্দ থেকে মুক্তি চায় গাজাবাসী।
কাতারি সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার সংবাদদাতা ইব্রাহীম আল খলিলি বলেন, ‘গাজায় যুদ্ধের বাস্তবতা থেকে পালানোর কোনো পথ নেই। গাজার আকাশে অনবরত কোয়াডকপ্টারের উড়ে বেড়ানো শুধু নজরদারি নয়। এটা এক ধরনের মানসিক যুদ্ধ। বিরামহীন এই শব্দ ভেতর থেকে গাজার মানুষকে ভেঙে দিচ্ছে, অস্থির করে তুলছে।’
এবার সেই অসহ্যকর শব্দ থেকে বাঁচার অভিনব এক পন্থা আবিষ্কার করেছেন উপত্যকার এক গানের শিক্ষক। ড্রোনের এই ভোঁ ভোঁ শব্দকে তিনি পরিণত করেছেন শ্রুতিমধুর গানে। আবু আমশা নামের ওই ব্যক্তি বলেন, ‘আমাদের যা নিয়ে বাঁচতে হয়, যার ভুক্তভোগী আমরা—তা থেকেই আসলে এই আইডিয়াটা আসে। শিশুরা আমাকে এসে যখন বলল যে এই শব্দে ওরা বিরক্ত, ক্লান্ত, তখন আমি বললাম, না আমাদের এই শব্দের সঙ্গেই গান গাইতে হবে। বাজে এই শব্দটাকেই আমরা ভালো কিছুতে রূপান্তর করব।’
তিনি জানান, ড্রোনের শব্দের সঙ্গে সুর মিলিয়ে গাওয়া বিভিন্ন গান তারা রেকর্ড করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে আপলোড করেন। তিনি বলেন, ‘যুদ্ধের নির্মম শব্দকে সুন্দর কিছুতে পরিণত করাটাই আসল উদ্দেশ্য ছিল আমাদের।’
তিনি বলেন, এই গানগুলো শিল্প তৈরির উদ্দেশ্যে বানানো হয়নি। বরং ইসরায়েল এবং পুরো বিশ্বকে এই বার্তা দেওয়ার জন্য যে, গাজার মানুষের জীবন কেমন হবে তা নজরদারির জন্য তৈরি বিশ্রী শব্দ করা একটা যন্ত্র ঠিক করে দিতে পারে না। এটাও প্রতিবাদের একটা ভাষা।

অবরুদ্ধ উপত্যকা গাজায় আর পাখি গান গায় না, শিশুর হাসিতে মুখরিত হয় না চারপাশ। সারাক্ষণই উপত্যকার কোথাও না কোথাও বিস্ফোরিত হচ্ছে বোমা কিংবা কারও না কারও ওপর নির্বিচারে চালানো হচ্ছে গুলি। সঙ্গে মাথার ওপর অনবরত ইসরায়েলি নজরদারি ড্রোনের ভন ভন শব্দ মাথায় যন্ত্রণা ধরিয়ে দেয়। কিন্তু এই শব্দ থেকে পালানোর কোনো পথ নেই।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর থেকেই গাজার আকাশে বিরতিহীনভাবে উড়ছে ইসরায়েলের শত শত কোয়াডকপ্টার। প্রথম প্রথম এই শব্দ আতঙ্ক তৈরি করলেও এখন এটি এক অসহ্য যন্ত্রণা আর বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গাজার মানুষ এখন আর মরতে ভয় পায় না। কিন্তু অনবরত এই ভোঁ ভোঁ শব্দ আর সহ্য করতে পারছে না তারা। যেকোনো মূল্যে এই শব্দ থেকে মুক্তি চায় গাজাবাসী।
কাতারি সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার সংবাদদাতা ইব্রাহীম আল খলিলি বলেন, ‘গাজায় যুদ্ধের বাস্তবতা থেকে পালানোর কোনো পথ নেই। গাজার আকাশে অনবরত কোয়াডকপ্টারের উড়ে বেড়ানো শুধু নজরদারি নয়। এটা এক ধরনের মানসিক যুদ্ধ। বিরামহীন এই শব্দ ভেতর থেকে গাজার মানুষকে ভেঙে দিচ্ছে, অস্থির করে তুলছে।’
এবার সেই অসহ্যকর শব্দ থেকে বাঁচার অভিনব এক পন্থা আবিষ্কার করেছেন উপত্যকার এক গানের শিক্ষক। ড্রোনের এই ভোঁ ভোঁ শব্দকে তিনি পরিণত করেছেন শ্রুতিমধুর গানে। আবু আমশা নামের ওই ব্যক্তি বলেন, ‘আমাদের যা নিয়ে বাঁচতে হয়, যার ভুক্তভোগী আমরা—তা থেকেই আসলে এই আইডিয়াটা আসে। শিশুরা আমাকে এসে যখন বলল যে এই শব্দে ওরা বিরক্ত, ক্লান্ত, তখন আমি বললাম, না আমাদের এই শব্দের সঙ্গেই গান গাইতে হবে। বাজে এই শব্দটাকেই আমরা ভালো কিছুতে রূপান্তর করব।’
তিনি জানান, ড্রোনের শব্দের সঙ্গে সুর মিলিয়ে গাওয়া বিভিন্ন গান তারা রেকর্ড করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে আপলোড করেন। তিনি বলেন, ‘যুদ্ধের নির্মম শব্দকে সুন্দর কিছুতে পরিণত করাটাই আসল উদ্দেশ্য ছিল আমাদের।’
তিনি বলেন, এই গানগুলো শিল্প তৈরির উদ্দেশ্যে বানানো হয়নি। বরং ইসরায়েল এবং পুরো বিশ্বকে এই বার্তা দেওয়ার জন্য যে, গাজার মানুষের জীবন কেমন হবে তা নজরদারির জন্য তৈরি বিশ্রী শব্দ করা একটা যন্ত্র ঠিক করে দিতে পারে না। এটাও প্রতিবাদের একটা ভাষা।

ভারতের কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুতে সপ্তাহখানেক আগে এক নারী সফটওয়্যার প্রকৌশলীর মরদেহ উদ্ধার করা হয় তাঁর ভাড়া বাসায়। উদ্ধারের এক সপ্তাহ পর তদন্তকারীরা চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, যৌন হেনস্তার চেষ্টা প্রতিরোধ করায় ১৮ বছর বয়সী এক তরুণ ওই নারীকে হত্যা করেছে।
১ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড প্রস্তাবিত গাজা যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপের জন্য নির্ধারিত হলুদ রেখা আরও গভীরে ঠেলে দিতে চায় ইসরায়েল। উদ্দেশ্য অবরুদ্ধ ছিটমহলটির আরও ভূখণ্ড নিজের কবজায় নেওয়া। এ লক্ষ্যে আগামী মার্চে দখলদার বাহিনী গাজায় ফের আগ্রাসন শুরু করতে চায়।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান দেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সংকট সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সরকার বিক্ষোভকারীদের কথা ‘শুনতে প্রস্তুত।’ তবে একই সঙ্গে তিনি জনগণকে সতর্ক করে দিয়েছেন যেন ‘দাঙ্গাকারী’ এবং ‘সন্ত্রাসী উপাদানগুলো’ দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে। খবর আল–জাজিরার।
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানে চলমান বিক্ষোভের প্রতিক্রিয়ায় ওয়াশিংটন দেশটিতে সামরিক হস্তক্ষেপসহ ‘কঠোর পদক্ষেপের’ কথা বিবেচনা করছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল–জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
২ ঘণ্টা আগে