
হামাসের হাতে জিম্মি বেসামরিক ইসরায়েলি বন্দীদের মুক্তির বিনিময়ে উত্তর গাজায় নিজ বাসভূমে ফিরে যাওয়ার অনুমতি পেয়েছেন ফিলিস্তিনিরা। হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি চুক্তির মধ্যস্থতাকারী দেশ কাতার এই বিষয়টি জানিয়েছে। সৌদি আরবের সংবাদমাধ্যম আরব নিউজের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
মধ্যস্থতাকারী কাতার আজ সোমবার সকালে ঘোষণা করেছে, এক ইসরায়েলি বেসামরিক বন্দীর মুক্তির বিনিময়ে ফিলিস্তিনিদের উত্তর গাজায় ফিরে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে—এই মর্মে একটি চুক্তি হয়েছে হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে। এই চুক্তি ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে নাজুক অস্ত্রবিরতির প্রথম বড় সংকট নিরসনে সহায়তা করবে।
কাতারের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হামাস বেসামরিক বন্দী আরবেল ইয়াহুদ এবং আরও দুই বন্দীকে আগামী শুক্রবারের আগেই মুক্তি দেবে। আর আজ ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ ফিলিস্তিনিদের উত্তর গাজায় ফিরে যাওয়ার অনুমতি দেবে।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বন্দী মুক্তির মধ্যে ইসরায়েলি সেনা আগাম বার্গারও অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। তাঁকে আগামী বৃহস্পতিবার মুক্তি দেবে হামাস। এ ছাড়া নিশ্চিত করা হয়েছে, ফিলিস্তিনিরা স্থানীয় সময় আজ সকাল ৭টা থেকে হেঁটে এবং ৯টা থেকে গাড়িতে করে উত্তর গাজায় যেতে পারবে। পাশাপাশি নেতানিয়াহুর কার্যালয় জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহে আরও ছয় বন্দী মুক্তি পাবে। এই মুক্তির সময়সূচি অনুযায়ী তিনজনকে বৃহস্পতিবার এবং বাকি তিনজনকে পরের শনিবার মুক্তি দেওয়া হবে।
যুদ্ধবিরতি চুক্তি অনুযায়ী, গত শনিবার থেকেই ফিলিস্তিনিদের তাদের বাড়িতে ফিরে যাওয়ার অনুমতি দেওয়ার কথা ছিল ইসরায়েলের। কিন্তু দেশটি দাবি করে, ইয়াহুদকে শনিবার মুক্তি দেওয়া উচিত ছিল। কিন্তু তা না হওয়ায় এই প্রক্রিয়া স্থগিত রাখা হয়। হামাস পাল্টা অভিযোগ করে যে, ইসরায়েল চুক্তি লঙ্ঘন করেছে।
নতুন এই সমঝোতা ইসরায়েল-হামাসের যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকার আশা জিইয়ে রাখল। এর আগে, ১৫ মাসের বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধ গাজা উপত্যকাকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছে এবং প্রায় সব বাসিন্দাকে বাস্তুচ্যুত করেছে।
উল্লেখ্য, ইসরায়েল ফিলিস্তিনিদের উত্তর গাজায় ফিরে যাওয়ার জন্য একটি উপকূলীয় সড়ক ব্যবহারে বাধা দিচ্ছিল এবং হামাসের বিরুদ্ধে চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছিল। তাদের দাবি ছিল, হামাস বেসামরিক নারী বন্দীদের মুক্তি দিতে ব্যর্থ হয়েছে। তবে আজ সেই অবস্থান পরিবর্তন করে নেতানিয়াহুর কার্যালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘হামাস তাদের অবস্থান পরিবর্তন করেছে এবং বৃহস্পতিবার আরও একটি ধাপে বন্দী মুক্তি দেবে।’

হামাসের হাতে জিম্মি বেসামরিক ইসরায়েলি বন্দীদের মুক্তির বিনিময়ে উত্তর গাজায় নিজ বাসভূমে ফিরে যাওয়ার অনুমতি পেয়েছেন ফিলিস্তিনিরা। হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি চুক্তির মধ্যস্থতাকারী দেশ কাতার এই বিষয়টি জানিয়েছে। সৌদি আরবের সংবাদমাধ্যম আরব নিউজের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
মধ্যস্থতাকারী কাতার আজ সোমবার সকালে ঘোষণা করেছে, এক ইসরায়েলি বেসামরিক বন্দীর মুক্তির বিনিময়ে ফিলিস্তিনিদের উত্তর গাজায় ফিরে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে—এই মর্মে একটি চুক্তি হয়েছে হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে। এই চুক্তি ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে নাজুক অস্ত্রবিরতির প্রথম বড় সংকট নিরসনে সহায়তা করবে।
কাতারের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হামাস বেসামরিক বন্দী আরবেল ইয়াহুদ এবং আরও দুই বন্দীকে আগামী শুক্রবারের আগেই মুক্তি দেবে। আর আজ ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ ফিলিস্তিনিদের উত্তর গাজায় ফিরে যাওয়ার অনুমতি দেবে।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বন্দী মুক্তির মধ্যে ইসরায়েলি সেনা আগাম বার্গারও অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। তাঁকে আগামী বৃহস্পতিবার মুক্তি দেবে হামাস। এ ছাড়া নিশ্চিত করা হয়েছে, ফিলিস্তিনিরা স্থানীয় সময় আজ সকাল ৭টা থেকে হেঁটে এবং ৯টা থেকে গাড়িতে করে উত্তর গাজায় যেতে পারবে। পাশাপাশি নেতানিয়াহুর কার্যালয় জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহে আরও ছয় বন্দী মুক্তি পাবে। এই মুক্তির সময়সূচি অনুযায়ী তিনজনকে বৃহস্পতিবার এবং বাকি তিনজনকে পরের শনিবার মুক্তি দেওয়া হবে।
যুদ্ধবিরতি চুক্তি অনুযায়ী, গত শনিবার থেকেই ফিলিস্তিনিদের তাদের বাড়িতে ফিরে যাওয়ার অনুমতি দেওয়ার কথা ছিল ইসরায়েলের। কিন্তু দেশটি দাবি করে, ইয়াহুদকে শনিবার মুক্তি দেওয়া উচিত ছিল। কিন্তু তা না হওয়ায় এই প্রক্রিয়া স্থগিত রাখা হয়। হামাস পাল্টা অভিযোগ করে যে, ইসরায়েল চুক্তি লঙ্ঘন করেছে।
নতুন এই সমঝোতা ইসরায়েল-হামাসের যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকার আশা জিইয়ে রাখল। এর আগে, ১৫ মাসের বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধ গাজা উপত্যকাকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছে এবং প্রায় সব বাসিন্দাকে বাস্তুচ্যুত করেছে।
উল্লেখ্য, ইসরায়েল ফিলিস্তিনিদের উত্তর গাজায় ফিরে যাওয়ার জন্য একটি উপকূলীয় সড়ক ব্যবহারে বাধা দিচ্ছিল এবং হামাসের বিরুদ্ধে চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছিল। তাদের দাবি ছিল, হামাস বেসামরিক নারী বন্দীদের মুক্তি দিতে ব্যর্থ হয়েছে। তবে আজ সেই অবস্থান পরিবর্তন করে নেতানিয়াহুর কার্যালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘হামাস তাদের অবস্থান পরিবর্তন করেছে এবং বৃহস্পতিবার আরও একটি ধাপে বন্দী মুক্তি দেবে।’

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
৩ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
৩ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
৬ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
৬ ঘণ্টা আগে