এএফপি, জেরুজালেম

ফিলিস্তিনের গাজার পরিণতির দিকে ধীরে ধীরে আগাচ্ছে লেবানন। সেখানে উত্তরাঞ্চলের বেশ কিছু এলাকা ফাঁকা করার নির্দেশ দিয়েছে ইসরায়েল। এমনসব এলাকা ফাঁকা করতে বলা হয়েছে, যেখানে শরণার্থীশিবিরও রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে জাতিসংঘের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের হামলা বৃদ্ধির পর এমন কোনো দিন নেই যে লেবাননে শিশু মারা যায়নি।
এদিকে লেবাননে যুদ্ধবিরতির কাজ এগিয়ে নিতে তোড়জোড় চলছে। এ নিয়ে আলোচনা করতে ইসরায়েলে গেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদল। এ ছাড়া শর্ত সাপেক্ষে যুদ্ধবিরতির বিষয়ে ইঙ্গিত দিয়েছে লেবাননের সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহ। এ ছাড়া নিরাপত্তা সাপেক্ষে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে ইসরায়েলও।
লেবাননের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে গতকাল বৃহস্পতিবার কথা বলেন জাতিসংঘের শিশু তহবিল ইউনিসেফের মহাপরিচালক ক্যাথেরিন রাসেল। তিনি জানান, গত ৪ অক্টোবর থেকে প্রতিদিন অন্তত একটি শিশু মারা যাচ্ছে। আর আহত হয়েছে অন্তত ১০ জন। চলমান এই যুদ্ধের কারণে লেবাননে শিশুদের জন্য একেবারে খাদের কিনারে এসে পৌঁছেছে।
এই পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিরতির বিষয়ে আলোচনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রতিনিধিদল ইসরায়েলে গেছে। গতকাল এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা হওয়ার কথা। এর আগে গতকাল ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, শর্ত সাপেক্ষে যুদ্ধবিরতিতে রাজি তারা। ইসরায়েলে সীমান্তবর্তী এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়ার সাপেক্ষে যুদ্ধবিরতির চুক্তির পক্ষে তিনি।
এদিকে যুদ্ধবিরতি নিয়ে কথা বলেছেন হিজবুল্লাহর নতুন নেতা নাইম কাশেম। তিনি বলেন, সুনির্দিষ্ট শর্ত পূরণের ভিত্তিতে তাঁরা ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধবিরতিতে রাজি হতে পারেন। হিজবুল্লাহর ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্রমাগত ইসরায়েলি বোমা হামলা চলার মধ্যে গত বুধবার এ কথা বলেন তিনি। তিনি আরও বলেন, মাসের পর মাস ইসরায়েলের বিমান ও স্থল হামলা প্রতিরোধ করে যাওয়ার মতো সক্ষমতা হিজবুল্লাহর আছে। তবে ইসরায়েল যদি যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেয়, তবে দরজা খোলা আছে বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি।
যুদ্ধবিরতি নিয়ে কথা বলেছেন লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নাজিব মিকাতি। এক সাক্ষাৎকারে মিকাতি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের দূত আমোস হোচেস্টেইন ইঙ্গিত দিয়েছেন যে হয়তো ৫ নভেম্বর মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগের দিনগুলোতে আমরা একটি যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছাতে পারব।’
এর আগে, মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওস যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানিয়েছিল, লেবাননে যুদ্ধবিরতি নিয়ে গাজাভিত্তিক ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাসের সঙ্গে দূরত্ব বজায় রাখার ইঙ্গিত দিয়েছে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই লেবাননে যুদ্ধবিরতি নিয়ে একটি চুক্তি সম্পন্ন হতে পারে।
প্রতিবেদন অনুসারে, লেবাননে হিজবুল্লাহর সঙ্গে একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর করার লক্ষ্যে এরই মধ্যে ইসরায়েলি মন্ত্রিসভা, সেনা কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের দূত আমোস হচস্টেইনের ইসরায়েলে আসন্ন সফর ইঙ্গিত দেয় যে নেতানিয়াহু চুক্তির দিকে এগিয়ে যাওয়ার বিষয়টি সমর্থন করছেন এবং হচস্টেইন ইসরায়েলে যাওয়ার আগে ইসরায়েলিরা যুদ্ধবিরতির বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেয় তার অপেক্ষায় ছিলেন।

ফিলিস্তিনের গাজার পরিণতির দিকে ধীরে ধীরে আগাচ্ছে লেবানন। সেখানে উত্তরাঞ্চলের বেশ কিছু এলাকা ফাঁকা করার নির্দেশ দিয়েছে ইসরায়েল। এমনসব এলাকা ফাঁকা করতে বলা হয়েছে, যেখানে শরণার্থীশিবিরও রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে জাতিসংঘের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের হামলা বৃদ্ধির পর এমন কোনো দিন নেই যে লেবাননে শিশু মারা যায়নি।
এদিকে লেবাননে যুদ্ধবিরতির কাজ এগিয়ে নিতে তোড়জোড় চলছে। এ নিয়ে আলোচনা করতে ইসরায়েলে গেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদল। এ ছাড়া শর্ত সাপেক্ষে যুদ্ধবিরতির বিষয়ে ইঙ্গিত দিয়েছে লেবাননের সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহ। এ ছাড়া নিরাপত্তা সাপেক্ষে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে ইসরায়েলও।
লেবাননের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে গতকাল বৃহস্পতিবার কথা বলেন জাতিসংঘের শিশু তহবিল ইউনিসেফের মহাপরিচালক ক্যাথেরিন রাসেল। তিনি জানান, গত ৪ অক্টোবর থেকে প্রতিদিন অন্তত একটি শিশু মারা যাচ্ছে। আর আহত হয়েছে অন্তত ১০ জন। চলমান এই যুদ্ধের কারণে লেবাননে শিশুদের জন্য একেবারে খাদের কিনারে এসে পৌঁছেছে।
এই পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিরতির বিষয়ে আলোচনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রতিনিধিদল ইসরায়েলে গেছে। গতকাল এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা হওয়ার কথা। এর আগে গতকাল ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, শর্ত সাপেক্ষে যুদ্ধবিরতিতে রাজি তারা। ইসরায়েলে সীমান্তবর্তী এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়ার সাপেক্ষে যুদ্ধবিরতির চুক্তির পক্ষে তিনি।
এদিকে যুদ্ধবিরতি নিয়ে কথা বলেছেন হিজবুল্লাহর নতুন নেতা নাইম কাশেম। তিনি বলেন, সুনির্দিষ্ট শর্ত পূরণের ভিত্তিতে তাঁরা ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধবিরতিতে রাজি হতে পারেন। হিজবুল্লাহর ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্রমাগত ইসরায়েলি বোমা হামলা চলার মধ্যে গত বুধবার এ কথা বলেন তিনি। তিনি আরও বলেন, মাসের পর মাস ইসরায়েলের বিমান ও স্থল হামলা প্রতিরোধ করে যাওয়ার মতো সক্ষমতা হিজবুল্লাহর আছে। তবে ইসরায়েল যদি যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেয়, তবে দরজা খোলা আছে বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি।
যুদ্ধবিরতি নিয়ে কথা বলেছেন লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নাজিব মিকাতি। এক সাক্ষাৎকারে মিকাতি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের দূত আমোস হোচেস্টেইন ইঙ্গিত দিয়েছেন যে হয়তো ৫ নভেম্বর মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগের দিনগুলোতে আমরা একটি যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছাতে পারব।’
এর আগে, মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওস যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানিয়েছিল, লেবাননে যুদ্ধবিরতি নিয়ে গাজাভিত্তিক ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাসের সঙ্গে দূরত্ব বজায় রাখার ইঙ্গিত দিয়েছে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই লেবাননে যুদ্ধবিরতি নিয়ে একটি চুক্তি সম্পন্ন হতে পারে।
প্রতিবেদন অনুসারে, লেবাননে হিজবুল্লাহর সঙ্গে একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর করার লক্ষ্যে এরই মধ্যে ইসরায়েলি মন্ত্রিসভা, সেনা কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের দূত আমোস হচস্টেইনের ইসরায়েলে আসন্ন সফর ইঙ্গিত দেয় যে নেতানিয়াহু চুক্তির দিকে এগিয়ে যাওয়ার বিষয়টি সমর্থন করছেন এবং হচস্টেইন ইসরায়েলে যাওয়ার আগে ইসরায়েলিরা যুদ্ধবিরতির বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেয় তার অপেক্ষায় ছিলেন।

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৩ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৫ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৫ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৬ ঘণ্টা আগে