আজকের পত্রিকা ডেস্ক

গত ৬ আগস্ট থেকে গাজার জায়তুন ও সাবরা মহল্লায় ১ হাজারেরও বেশি ভবন সম্পূর্ণ ধ্বংস করেছে ইসরায়েল। এসব ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ে আছে শত শত মানুষ। চলমান গোলাবর্ষণ এবং প্রবেশপথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ওই এলাকাগুলোতে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না। গতকাল রোববার এক বিবৃতিতে সিভিল ডিফেন্স এসব তথ্য জানায়।
ংস্থাটি আরও জানায়, জরুরি সেবাকর্মীরা নিখোঁজ মানুষের অসংখ্য খবর পেলেও সাড়া দিতে পারছেন না, অন্যদিকে হামলায় বিপর্যস্ত হয়ে হাসপাতালগুলোও ভীষণভাবে চাপের মুখে পড়েছে।
সিভিল ডিফেন্স বলেছে, ‘ইসরায়েল যেভাবে হামলা চালাচ্ছে তা মোকাবিলার করার মতো ক্ষমতা মাঠপর্যায়ের দলগুলোর নেই। গাজায় কোনো নিরাপদ জায়গা নেই। সব জায়গায় গোলাবর্ষণ চলছে। ঘরবাড়ি, আশ্রয়কেন্দ্র, এমনকি উদ্বাস্তু শিবিরেও টার্গেট করছে।’
গাজা পুরোপুরি দখলে অভিযান চালাচ্ছে ইসরায়েল। গতকাল এই অভিযানের অংশ হিসেবে সাবরা এলাকায় ঢুকে পড়ে ইসরায়েলি ট্যাংক। এর ফলে প্রায় ১০ লাখ ফিলিস্তিনি দক্ষিণ দিকে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে।
মানবাধিকার কর্মীদের মতে, এ ধরনের অভিযান ফিলিস্তিনিদের গাজা থেকে সম্পূর্ণ উচ্ছেদ করার প্রচেষ্টা হতে পারে।
ইমার্জেন্সি অ্যান্ড অ্যাম্বুলেন্স ডিপার্টমেন্টের এক সূত্র জানিয়েছে, গাজার আল-জালাআ সড়কের একটি আবাসিক ভবনে হামলায় অন্তত তিনজন নিহত হয়েছে, যার মধ্যে একজন শিশু।
বাসিন্দাদের বরাতে এক প্রতিবেদনে আল-জাজিরা জানায়, যে এলাকায় দুর্ভিক্ষ ঘোষণা করা হয়েছে, সেখানে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে নিরবচ্ছিন্ন ইসরায়েলি বোমাবর্ষণ চলছে। টানা বিস্ফোরণ চলছে। উত্তরদিকে বিধ্বস্ত জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে কয়েকটি ভবন উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
গতকাল রোববার গাজায় ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৫১ জন নিহত হয়েছে, যার মধ্যে ২৭ জন গাজায় এবং ২৪ জন ত্রাণ নিতে গিয়েছিলেন।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অনাহারে আরও আটজন মারা গেছেন। দুর্ভিক্ষ তীব্র আকার ধারণ করায় যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে অপুষ্টিজনিত মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৮৯ জনে, যার মধ্যে ১১৫ জন শিশু।
এদিকে গাজার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গাজা ও উত্তরাঞ্চলের গভর্নরেটগুলো থেকে জোরপূর্বক বাসিন্দাদের উচ্ছেদের ইসরায়েলি পরিকল্পনার বিরুদ্ধে সতর্ক করে দিয়েছে। তারা প্রচণ্ড বোমাবর্ষণের মাঝেও মানুষকে ঘর না ছাড়ার আহ্বান জানিয়েছে।
মন্ত্রণালয় বাসিন্দাদের প্রতি আহ্বান জানায় যেন তারা নিজেদের এলাকায় থেকে যায়, অথবা হুমকির মুখে পড়লে কেবল নিকটবর্তী জায়গায় সরে যায়, কিন্তু দক্ষিণে না যায়।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমরা গাজায় বসবাসরত নাগরিক ও বাস্তুচ্যুতদের আহ্বান জানাচ্ছি, যেন তারা দখলদারদের হুমকি ও সন্ত্রাসে সাড়া না দেয়, এবং উচ্ছেদ হয়ে মধ্য ও খান ইউনিস গভর্নরেটের বাকি এলাকাগুলোতে না যায়। গাজার কোনো গভর্নরেটেই নিরাপদ জায়গা নেই, আর দখলদার প্রতিদিন ভয়াবহতম অপরাধ করছে। এমনকি বাস্তুচ্যুত মানুষের তাঁবুতেও বোমা ফেলছে, যেসব এলাকাকে তারা মিথ্যা দাবি করে মানবিক বা নিরাপদ অঞ্চল বলে।’

গত ৬ আগস্ট থেকে গাজার জায়তুন ও সাবরা মহল্লায় ১ হাজারেরও বেশি ভবন সম্পূর্ণ ধ্বংস করেছে ইসরায়েল। এসব ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ে আছে শত শত মানুষ। চলমান গোলাবর্ষণ এবং প্রবেশপথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ওই এলাকাগুলোতে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না। গতকাল রোববার এক বিবৃতিতে সিভিল ডিফেন্স এসব তথ্য জানায়।
ংস্থাটি আরও জানায়, জরুরি সেবাকর্মীরা নিখোঁজ মানুষের অসংখ্য খবর পেলেও সাড়া দিতে পারছেন না, অন্যদিকে হামলায় বিপর্যস্ত হয়ে হাসপাতালগুলোও ভীষণভাবে চাপের মুখে পড়েছে।
সিভিল ডিফেন্স বলেছে, ‘ইসরায়েল যেভাবে হামলা চালাচ্ছে তা মোকাবিলার করার মতো ক্ষমতা মাঠপর্যায়ের দলগুলোর নেই। গাজায় কোনো নিরাপদ জায়গা নেই। সব জায়গায় গোলাবর্ষণ চলছে। ঘরবাড়ি, আশ্রয়কেন্দ্র, এমনকি উদ্বাস্তু শিবিরেও টার্গেট করছে।’
গাজা পুরোপুরি দখলে অভিযান চালাচ্ছে ইসরায়েল। গতকাল এই অভিযানের অংশ হিসেবে সাবরা এলাকায় ঢুকে পড়ে ইসরায়েলি ট্যাংক। এর ফলে প্রায় ১০ লাখ ফিলিস্তিনি দক্ষিণ দিকে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে।
মানবাধিকার কর্মীদের মতে, এ ধরনের অভিযান ফিলিস্তিনিদের গাজা থেকে সম্পূর্ণ উচ্ছেদ করার প্রচেষ্টা হতে পারে।
ইমার্জেন্সি অ্যান্ড অ্যাম্বুলেন্স ডিপার্টমেন্টের এক সূত্র জানিয়েছে, গাজার আল-জালাআ সড়কের একটি আবাসিক ভবনে হামলায় অন্তত তিনজন নিহত হয়েছে, যার মধ্যে একজন শিশু।
বাসিন্দাদের বরাতে এক প্রতিবেদনে আল-জাজিরা জানায়, যে এলাকায় দুর্ভিক্ষ ঘোষণা করা হয়েছে, সেখানে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে নিরবচ্ছিন্ন ইসরায়েলি বোমাবর্ষণ চলছে। টানা বিস্ফোরণ চলছে। উত্তরদিকে বিধ্বস্ত জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে কয়েকটি ভবন উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
গতকাল রোববার গাজায় ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৫১ জন নিহত হয়েছে, যার মধ্যে ২৭ জন গাজায় এবং ২৪ জন ত্রাণ নিতে গিয়েছিলেন।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অনাহারে আরও আটজন মারা গেছেন। দুর্ভিক্ষ তীব্র আকার ধারণ করায় যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে অপুষ্টিজনিত মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৮৯ জনে, যার মধ্যে ১১৫ জন শিশু।
এদিকে গাজার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গাজা ও উত্তরাঞ্চলের গভর্নরেটগুলো থেকে জোরপূর্বক বাসিন্দাদের উচ্ছেদের ইসরায়েলি পরিকল্পনার বিরুদ্ধে সতর্ক করে দিয়েছে। তারা প্রচণ্ড বোমাবর্ষণের মাঝেও মানুষকে ঘর না ছাড়ার আহ্বান জানিয়েছে।
মন্ত্রণালয় বাসিন্দাদের প্রতি আহ্বান জানায় যেন তারা নিজেদের এলাকায় থেকে যায়, অথবা হুমকির মুখে পড়লে কেবল নিকটবর্তী জায়গায় সরে যায়, কিন্তু দক্ষিণে না যায়।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমরা গাজায় বসবাসরত নাগরিক ও বাস্তুচ্যুতদের আহ্বান জানাচ্ছি, যেন তারা দখলদারদের হুমকি ও সন্ত্রাসে সাড়া না দেয়, এবং উচ্ছেদ হয়ে মধ্য ও খান ইউনিস গভর্নরেটের বাকি এলাকাগুলোতে না যায়। গাজার কোনো গভর্নরেটেই নিরাপদ জায়গা নেই, আর দখলদার প্রতিদিন ভয়াবহতম অপরাধ করছে। এমনকি বাস্তুচ্যুত মানুষের তাঁবুতেও বোমা ফেলছে, যেসব এলাকাকে তারা মিথ্যা দাবি করে মানবিক বা নিরাপদ অঞ্চল বলে।’

চীনের প্রস্তাবিত এই দূতাবাস হবে ইউরোপে তাদের বৃহত্তম কূটনৈতিক মিশন। তবে এই প্রকল্পের নকশা নিয়ে নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ রয়েছে। ২০ হাজার বর্গমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত এই কমপ্লেক্স লন্ডনের প্রধান আর্থিক কেন্দ্র ও গুরুত্বপূর্ণ ডেটা কেব্লের খুব কাছে অবস্থিত। বিরোধীদের দাবি, এটি কেবল
১ ঘণ্টা আগে
দীর্ঘ ২৫ বছরের আলোচনার পর অবশেষে আলোর মুখ দেখল ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও দক্ষিণ আমেরিকার বাণিজ্যিক জোট মার্কোসুরের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি। গতকাল শনিবার প্যারাগুয়েতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন এবং মার্কোসুরভুক্ত দেশগুলোর (আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, প্যারাগুয়ে ও উরুগুয়ে)
২ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তানের করাচি শহরের অন্যতম ব্যস্ত বাণিজ্যিক এলাকা এম এ জিন্নাহ রোডের গুল প্লাজা শপিং মলে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন। শনিবার গভীর রাতে শুরু হওয়া এই আগুন আজ রোববার দুপুরে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে।
৩ ঘণ্টা আগে
সম্প্রতি দক্ষিণ কোরিয়ার এই বাসিন্দা অবাক হয়ে দেখেন, তাঁর বয়সী পুরুষেরা ইন্টারনেটে উপহাসের পাত্র হয়ে উঠেছেন। জেন-জি এবং তুলনামূলক তরুণ মিলেনিয়ালদের ফ্যাশন অনুকরণ করার জন্যই তাঁদের নিয়ে ঠাট্টা করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে