
যুদ্ধবিরতি নিশ্চিতে গাজায় চলমান আলোচনা থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নিয়েছে ইসরায়েল। গতকাল মঙ্গলবার ইসরায়েল কাতার থেকে তাদের প্রতিনিধিদলকে দেশে ডেকে পাঠায়। তেল আবিব এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর না হওয়ার কারণ হিসেবে হামাসকে দুষছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
জাতিসংঘে গাজায় যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নে একটি প্রস্তাব পাস হওয়ার ঠিক পরে এই সিদ্ধান্ত নিল ইসরায়েল। তবে হামাস জাতিসংঘে পাস হওয়া যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। বিপরীতে নতুন কিছু শর্তও জুড়ে দিয়েছে গোষ্ঠীটি। তবে হামাসের দাবিকে ‘ভ্রান্তিমূলক’ আখ্যা দিয়েছে ইসরায়েল। দেশটির প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘হামাসের বিভ্রান্তিমূলক প্রস্তাবে মাথা নত করবে না।’
বিবৃতিতে জাতিসংঘের প্রস্তাবের সমালোচনা করে আরও বলা হয়েছে, ‘হামাসের অবস্থান স্পষ্ট প্রমাণ করে যে, তারা আলোচনা চালিয়ে যেতে আগ্রহী নয় এবং জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবের কারণে (ইসরায়েলের) ক্ষতির একটি দুঃখজনক প্রমাণ হয়ে থাকবে এটি।’
এর আগে গত সোমবার সন্ধ্যায় হামাস এক বিবৃতি জারি করে জাতিসংঘ প্রস্তাবিত শান্তি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। সেই বিবৃতিতে গোষ্ঠীটি দাবি করে যে, তাদের মূল দাবি—গাজা উপত্যকা থেকে ইসরায়েলি সেনাদের পূর্ণাঙ্গ প্রত্যাহার, বাস্তুচ্যুতদের নিজ বাড়িতে ফিরতে দেওয়া এবং প্রকৃত একটি জিম্মি-বন্দী বিনিময়ের বিষয়ে সাড়া দেয়নি ইসরায়েল।
উল্লেখ্য, গত সোমবার জাতিসংঘের জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবে রমজান মাসে গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির দাবি জানানো হয় এবং হামাসের হাতে থাকা ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তির দাবি জানানো হয়ে। গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন শুরুর পর এটি প্রথম যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব যেখানে নিরাপত্তা পরিষদের কোনো দেশই ভেটো দেয়নি।
তবে জাতিসংঘের এই প্রস্তাব হামাস বা ইসরায়েল কোনো পক্ষই গ্রহণ করেনি। এই প্রস্তাবে ভোটাভুটির পর ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় যুক্তরাষ্ট্রকে এক হাত নিয়েছে। নেতানিয়াহু তাঁর সরকারের দুই মন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র সফর বাতিল করেছে।

যুদ্ধবিরতি নিশ্চিতে গাজায় চলমান আলোচনা থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নিয়েছে ইসরায়েল। গতকাল মঙ্গলবার ইসরায়েল কাতার থেকে তাদের প্রতিনিধিদলকে দেশে ডেকে পাঠায়। তেল আবিব এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর না হওয়ার কারণ হিসেবে হামাসকে দুষছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
জাতিসংঘে গাজায় যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নে একটি প্রস্তাব পাস হওয়ার ঠিক পরে এই সিদ্ধান্ত নিল ইসরায়েল। তবে হামাস জাতিসংঘে পাস হওয়া যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। বিপরীতে নতুন কিছু শর্তও জুড়ে দিয়েছে গোষ্ঠীটি। তবে হামাসের দাবিকে ‘ভ্রান্তিমূলক’ আখ্যা দিয়েছে ইসরায়েল। দেশটির প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘হামাসের বিভ্রান্তিমূলক প্রস্তাবে মাথা নত করবে না।’
বিবৃতিতে জাতিসংঘের প্রস্তাবের সমালোচনা করে আরও বলা হয়েছে, ‘হামাসের অবস্থান স্পষ্ট প্রমাণ করে যে, তারা আলোচনা চালিয়ে যেতে আগ্রহী নয় এবং জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবের কারণে (ইসরায়েলের) ক্ষতির একটি দুঃখজনক প্রমাণ হয়ে থাকবে এটি।’
এর আগে গত সোমবার সন্ধ্যায় হামাস এক বিবৃতি জারি করে জাতিসংঘ প্রস্তাবিত শান্তি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। সেই বিবৃতিতে গোষ্ঠীটি দাবি করে যে, তাদের মূল দাবি—গাজা উপত্যকা থেকে ইসরায়েলি সেনাদের পূর্ণাঙ্গ প্রত্যাহার, বাস্তুচ্যুতদের নিজ বাড়িতে ফিরতে দেওয়া এবং প্রকৃত একটি জিম্মি-বন্দী বিনিময়ের বিষয়ে সাড়া দেয়নি ইসরায়েল।
উল্লেখ্য, গত সোমবার জাতিসংঘের জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবে রমজান মাসে গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির দাবি জানানো হয় এবং হামাসের হাতে থাকা ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তির দাবি জানানো হয়ে। গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন শুরুর পর এটি প্রথম যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব যেখানে নিরাপত্তা পরিষদের কোনো দেশই ভেটো দেয়নি।
তবে জাতিসংঘের এই প্রস্তাব হামাস বা ইসরায়েল কোনো পক্ষই গ্রহণ করেনি। এই প্রস্তাবে ভোটাভুটির পর ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় যুক্তরাষ্ট্রকে এক হাত নিয়েছে। নেতানিয়াহু তাঁর সরকারের দুই মন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র সফর বাতিল করেছে।

ইরানের রাজধানী তেহরানের ফরেনসিক ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড ল্যাবরেটরি সেন্টারের একটি ভিডিওতে বিপুলসংখ্যক মরদেহ দেখা যাওয়ার দাবি ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গত কয়েক দিনে সামাজিক মাধ্যমে ওই কেন্দ্র থেকে ধারণ করা অন্তত ছয়টি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে।
১৪ মিনিট আগে
জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বিচারিক সংস্থা আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) সোমবার (১২ জানুয়ারি) গাম্বিয়া অভিযোগ করেছে, মিয়ানমার পরিকল্পিতভাবে সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের ধ্বংসের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে এবং তাদের জীবনকে এক ভয়াবহ দুঃস্বপ্নে রূপ দিয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চলাকালে এক ছাত্রীকে খুব কাছ থেকে মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে একটি মানবাধিকার সংগঠন। নিহত ওই শিক্ষার্থীর নাম রুবিনা আমিনিয়ান। বয়স ২৩ বছর। তিনি তেহরানের শারিয়াতি কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং টেক্সটাইল ও ফ্যাশন ডিজাইন বিষয়ে পড়াশোনা করছিলেন।
৩ ঘণ্টা আগে
সার্জিও গোর ট্রাম্পের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। তিনি বলেন, ‘আমি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে সারা বিশ্ব ভ্রমণ করেছি এবং আমি হলফ করে বলতে পারি যে, প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্ব অত্যন্ত গভীর ও অকৃত্রিম। আমাদের দুই দেশ শুধু অভিন্ন স্বার্থেই নয়, বরং সর্বোচ্চ পর্যায়ের এক দৃঢ় সম্পর্কের...
৩ ঘণ্টা আগে