
ব্রাজিলের আমাজন জঙ্গলে বসবাসকারী একটি বিচ্ছিন্ন জনগোষ্ঠীর এক যুবক সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য বাইরের বিশ্বের মানুষের সংস্পর্শে এসে আবারও তাঁর নিজ গোষ্ঠীতে ফিরে গেছেন। ব্রাজিলের আদিবাসী বিষয়ক সংস্থা ফুনাই জানিয়েছে, যুবকটি মাত্র ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে তাঁর উপজাতির কাছে ফিরে যান।
মঙ্গলবার সিএনএন জানিয়েছে, ব্রাজিলের আমাজন অঞ্চলের পুরুস নদীর তীরবর্তী বেলা রোসা গ্রামে বিরল ওই ঘটনাটি ঘটেছে গত বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে।
অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) হাতে আসা একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, যুবকটি খালি পায়ে এবং ছোট একটি নেংটি পরে এসেছিলেন। তাঁকে বেশ শান্ত ও সুস্থ দেখাচ্ছিল। আর তাঁর হাতে ছিল দুটি কাঠের গুঁড়ি। স্থানীয়রা ধারণা করছে, যুবকটি আগুন চাইতে এসেছিল।
এ অবস্থায় এক গ্রামবাসী ওই যুবকটিকে লাইটার ব্যবহার করতে শেখানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু এটি যুবকের কাছে কিছুতেই বোধগম্য হয়নি।
খবরটি পাওয়া মাত্রই ফুনাই-এর কর্মকর্তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং ওই যুবককে কাছের একটি নিরাপদ আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে যান। যেহেতু বিচ্ছিন্ন আদিবাসী জনগোষ্ঠীর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাইরের জগতের মানুষের চেয়ে দুর্বল, তাই একটি স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ দলও পাঠানো হয় সেখানে। যুবকটি যেন কোনো রোগে আক্রান্ত না হয়, সেই চেষ্টাই করেছে দলটি।
গত বৃহস্পতিবার বিকেলে যুবকটি স্বেচ্ছায় আবার গভীর জঙ্গলে ফিরে যান। ব্রাজিলের সরকারি সংস্থাটি নিশ্চিত করেছে, যুবকটি নিজের ইচ্ছায়ই আবারও জঙ্গলে ফিরে গেছে।
ব্রাজিল সরকার এই ধরনের বিচ্ছিন্ন আদিবাসী গোষ্ঠীর সঙ্গে ইচ্ছাকৃতভাবে যোগাযোগ করে না। বরং তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সুরক্ষিত ও পর্যবেক্ষণাধীন এলাকা নির্ধারণ করে দেয়।
এই ঘটনার পর ব্রাজিল সরকার ওই আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অঞ্চলে যেন কেউ প্রবেশ না করে, তার জন্য কঠোর নজরদারি চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিচ্ছিন্ন আদিবাসীদের সুরক্ষিত এলাকা হিসেবে চিহ্নিত মামোরিয়া গ্রান্ডের কাছেই এই বিরল সাক্ষাতের ঘটনা ঘটেছে।

ব্রাজিলের আমাজন জঙ্গলে বসবাসকারী একটি বিচ্ছিন্ন জনগোষ্ঠীর এক যুবক সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য বাইরের বিশ্বের মানুষের সংস্পর্শে এসে আবারও তাঁর নিজ গোষ্ঠীতে ফিরে গেছেন। ব্রাজিলের আদিবাসী বিষয়ক সংস্থা ফুনাই জানিয়েছে, যুবকটি মাত্র ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে তাঁর উপজাতির কাছে ফিরে যান।
মঙ্গলবার সিএনএন জানিয়েছে, ব্রাজিলের আমাজন অঞ্চলের পুরুস নদীর তীরবর্তী বেলা রোসা গ্রামে বিরল ওই ঘটনাটি ঘটেছে গত বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে।
অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) হাতে আসা একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, যুবকটি খালি পায়ে এবং ছোট একটি নেংটি পরে এসেছিলেন। তাঁকে বেশ শান্ত ও সুস্থ দেখাচ্ছিল। আর তাঁর হাতে ছিল দুটি কাঠের গুঁড়ি। স্থানীয়রা ধারণা করছে, যুবকটি আগুন চাইতে এসেছিল।
এ অবস্থায় এক গ্রামবাসী ওই যুবকটিকে লাইটার ব্যবহার করতে শেখানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু এটি যুবকের কাছে কিছুতেই বোধগম্য হয়নি।
খবরটি পাওয়া মাত্রই ফুনাই-এর কর্মকর্তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং ওই যুবককে কাছের একটি নিরাপদ আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে যান। যেহেতু বিচ্ছিন্ন আদিবাসী জনগোষ্ঠীর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাইরের জগতের মানুষের চেয়ে দুর্বল, তাই একটি স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ দলও পাঠানো হয় সেখানে। যুবকটি যেন কোনো রোগে আক্রান্ত না হয়, সেই চেষ্টাই করেছে দলটি।
গত বৃহস্পতিবার বিকেলে যুবকটি স্বেচ্ছায় আবার গভীর জঙ্গলে ফিরে যান। ব্রাজিলের সরকারি সংস্থাটি নিশ্চিত করেছে, যুবকটি নিজের ইচ্ছায়ই আবারও জঙ্গলে ফিরে গেছে।
ব্রাজিল সরকার এই ধরনের বিচ্ছিন্ন আদিবাসী গোষ্ঠীর সঙ্গে ইচ্ছাকৃতভাবে যোগাযোগ করে না। বরং তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সুরক্ষিত ও পর্যবেক্ষণাধীন এলাকা নির্ধারণ করে দেয়।
এই ঘটনার পর ব্রাজিল সরকার ওই আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অঞ্চলে যেন কেউ প্রবেশ না করে, তার জন্য কঠোর নজরদারি চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিচ্ছিন্ন আদিবাসীদের সুরক্ষিত এলাকা হিসেবে চিহ্নিত মামোরিয়া গ্রান্ডের কাছেই এই বিরল সাক্ষাতের ঘটনা ঘটেছে।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে চলতি জানুয়ারি মাসের মধ্যেই ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যে ঐতিহাসিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরিত হতে পারে। আজ সোমবার গুজরাটের আহমেদাবাদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্জ এই সম্ভাবনার কথা জানিয়ে...
৮ ঘণ্টা আগে
ইরানে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে—এমন আশঙ্কা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। ইন্টারনেট সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকলেও মোবাইল ফোনে ধারণ করা ভিডিও ও ছবি বাইরে আসতে শুরু করেছে।
৮ ঘণ্টা আগে
ইরানের রাজধানী তেহরানের ফরেনসিক ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড ল্যাবরেটরি সেন্টারের একটি ভিডিওতে বিপুলসংখ্যক মরদেহ দেখা যাওয়ার দাবি ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গত কয়েক দিনে সামাজিক মাধ্যমে ওই কেন্দ্র থেকে ধারণ করা অন্তত ছয়টি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বিচারিক সংস্থা আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) সোমবার (১২ জানুয়ারি) গাম্বিয়া অভিযোগ করেছে, মিয়ানমার পরিকল্পিতভাবে সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের ধ্বংসের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে এবং তাদের জীবনকে এক ভয়াবহ দুঃস্বপ্নে রূপ দিয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে