
আর্জেন্টিনার চরম অর্থনৈতিক সংকটের মাঝে দেশটির ক্ষমতাসীন লিবার্টারিয়ান জোটের এক সিনেটরের অদ্ভুত ও বিতর্কিত মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়েছে। সিনেটর ভিলমা বেদিয়া দাবি করেছেন, দেশের প্রতিটি মানুষ যদি গাধার মাংস খাওয়া শুরু করে, তবে একটি স্বাস্থ্যকর জাতি গঠন করা সম্ভব হবে। তার এই মন্তব্যকে ঘিরে খোদ আর্জেন্টিনার ভেতরেই তীব্র সমালোচনা ও হাস্যরসের সৃষ্টি হয়েছে।
আর্জেন্টিনার জুজুই প্রদেশের লিবার্টারিয়ান নেত্রী ভিলমা বেদিয়া সিনেটে একটি বিতর্ক চলাকালীন গাধার মাংসকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করার পক্ষে সাফাই গেয়েছেন। তিনি বলেন, ‘গাধার মাংস আয়রন এবং ক্যালসিয়ামে ভরপুর। এটি শরীরের জন্য একটি চমৎকার খাবার।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমরা যদি সবাই গাধার মাংস খেতাম, তবে আমাদের জনসংখ্যা আরও অনেক বেশি সুস্থ ও সবল হতো।’ তার এই বক্তব্যটি ভিডিও আকারে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই নেটিজেনরা একে ‘দারিদ্র্যের উপহাস’ হিসেবে দেখছেন।
নিজের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করতে সিনেটর বেদিয়া ইউরোপের উদাহরণ টানেন। তিনি দাবি করেন, ‘ইউরোপীয়দের কাছে গাধার মাংস একটি অত্যন্ত দামি ও রুচিশীল খাবার। অথচ আর্জেন্টিনায় আমাদের যা আছে, তার মূল্যায়ন আমরা করতে জানি না।’
বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, সিনেটর বেদিয়া তাঁর এই যুক্তির মাধ্যমে আর্জেন্টিনার বর্তমান ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকটকে আড়াল করতে চেয়েছেন। আর্জেন্টিনায় বর্তমানে মাথাপিছু গরুর মাংস খাওয়ার হার ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছেছে। রেকর্ড পরিমাণ মূল্যস্ফীতির কারণে সাধারণ শ্রমজীবী মানুষের ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে গেছে গরুর মাংস।
এই চরম বাস্তবতার মাঝেই পাতাগোনিয়ার এক খামারি বাজারে গাধার মাংস বিক্রির প্রস্তাব দিলে তা বেশ সাড়া ফেলে, কারণ গরুর মাংসের তুলনায় এর দাম অনেক কম। সিনেটর মূলত এই মূল্যবৃদ্ধির সমস্যার সমাধানে সস্তা বিকল্প হিসেবে গাধার মাংসের গুণগান গেয়েছেন। সিনেটরে এমন পরামর্শ খেপেছে সাধারণ মানুষ।
বিস্ময়কর হলেও সত্যি যে, বিশ্বের অন্যতম সেরা গরুর মাংস উৎপাদনকারী দেশ আর্জেন্টিনায় এখন মানুষকে গাধার মাংস খাওয়ার পরামর্শ শুনতে হচ্ছে খোদ জনপ্রতিনিধিদের কাছ থেকে।
তথ্যসূত্র: ডায়েরিওরেজিস্ট্রাডো

ইরানের সেনা দিবস উপলক্ষে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনির একটি নতুন লিখিত বার্তা প্রকাশিত হয়েছে। তবে এই বার্তায় চলমান পরিস্থিতির সবচেয়ে আলোচিত দুটি বিষয়—হরমুজ প্রণালি ও ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা সম্পর্কে কোনো উল্লেখ না থাকায় যুদ্ধের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে সংশয় তৈরি হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সকালে মেরিটাইম ট্র্যাকারগুলোতে দেখা যায়, আটটি তেলের ট্যাংকারের একটি বিশাল বহর হরমুজ অতিক্রম করছে। সাত সপ্তাহ আগে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এটিই ছিল বড় কোনো নৌযানের প্রথম প্রকাশ্য চলাচল। কিন্তু এই স্বস্তির রেশ বেশিক্ষণ টেকেনি।
২ ঘণ্টা আগে
হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের চেষ্টাকালে অন্তত দুটি বাণিজ্যিক জাহাজ লক্ষ্য করে গুলি করা হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সমুদ্র নিরাপত্তা ও শিপিং-সংশ্লিষ্ট তিনটি সূত্রের বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে রয়টার্স।
৩ ঘণ্টা আগে
হরমুজ প্রণালি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যকার উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর নৌ অবরোধ অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেওয়ার পর দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, অবরোধ চললে হরমুজ প্রণালি কোনোভাবেই খোলা থাকবে না।
৩ ঘণ্টা আগে