
মাসিক স্বাস্থ্যবিধিজনিত জটিলতায় চার বছর আগে প্রাণ হারিয়েছেন এক নিকটাত্মীয়। এই মৃত্যু মেনে নিতে পারেননি উত্তর প্রদেশের শিক্ষক বন্দনা সিং। আর সময় অপচয় না করে শুরু করেন গ্রামাঞ্চলের নারীদের মধ্যে মাসিক স্বাস্থ্যবিধি বিষয়ে সচেতনতা ও স্যানিটারি প্যাড বিতরণের কাজ।
ভারতীয় গণমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বন্দনা সিং পুরবনারায় অবস্থিত চন্দ্রশেখর আজাদ ইন্টার স্কুলে ইংরেজি বিভাগের লেকচারার। পড়ানোর পাশাপাশি সুযোগ পেলেই প্রত্যন্ত এলাকায় ছুটে যান তিনি। নারীদের মাঝে মাসিক সম্পর্কিত নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেন। দরিদ্র নারীদের মধ্যে বিনা মূল্যে স্যানিটারি প্যাড বিতরণ করেন। প্রতি সপ্তাহে তিনি ৫০০ থেকে ১ হাজার প্যাড বিতরণ করেন। এ পর্যন্ত তাঁর বিতরণ করা প্যাডের সংখ্যা ১ লাখ ২৫ হাজার ছাড়িয়েছে। এভাবে অন্তত ৫ লাখ প্যাড বিতরণের পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর।
স্কুল থেকে পাওয়া বেতনের ১০ শতাংশ প্যাড কেনার কাজে খরচ করেন বন্দনা। তিনি বলেন, 'মাসিক স্বাস্থ্যবিধি প্রত্যেক নারীর জন্য অত্যন্ত জরুরি। এ স্বাস্থ্যবিধি না মানলে নানা জটিল রোগের আশঙ্কা রয়েছে। এসব রোগে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। তবে গ্রামাঞ্চলের বেশির ভাগ নারীই এ বিষয়ে সচেতন নন। আমরা তাঁদের সচেতন করতে কাজ করছি।'
শুরুর দিকে বন্দনা সিংকে বহু কটূক্তিও শুনতে হয়েছে।' একজন নারী হয়েও এসব কী বলছে'র মতো কথাও শুনেছেন। এর পরেও থেমে যাননি বন্দনা। সচেতনতা, ফ্রি প্যাড বিতরণের পাশাপাশি প্যাড বানানোর পাঁচটি মেশিনও স্থাপন করেছেন। এতে কয়েকজন নারীর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাও হয়েছে।
এ কাজের জন্য তেমন কোনো স্বীকৃতি এখনো আসেনি। তবে শহরে 'প্যাড ওমেন' নামে বন্দনা সিংয়ের পরিচিতি সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে।

মাসিক স্বাস্থ্যবিধিজনিত জটিলতায় চার বছর আগে প্রাণ হারিয়েছেন এক নিকটাত্মীয়। এই মৃত্যু মেনে নিতে পারেননি উত্তর প্রদেশের শিক্ষক বন্দনা সিং। আর সময় অপচয় না করে শুরু করেন গ্রামাঞ্চলের নারীদের মধ্যে মাসিক স্বাস্থ্যবিধি বিষয়ে সচেতনতা ও স্যানিটারি প্যাড বিতরণের কাজ।
ভারতীয় গণমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বন্দনা সিং পুরবনারায় অবস্থিত চন্দ্রশেখর আজাদ ইন্টার স্কুলে ইংরেজি বিভাগের লেকচারার। পড়ানোর পাশাপাশি সুযোগ পেলেই প্রত্যন্ত এলাকায় ছুটে যান তিনি। নারীদের মাঝে মাসিক সম্পর্কিত নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেন। দরিদ্র নারীদের মধ্যে বিনা মূল্যে স্যানিটারি প্যাড বিতরণ করেন। প্রতি সপ্তাহে তিনি ৫০০ থেকে ১ হাজার প্যাড বিতরণ করেন। এ পর্যন্ত তাঁর বিতরণ করা প্যাডের সংখ্যা ১ লাখ ২৫ হাজার ছাড়িয়েছে। এভাবে অন্তত ৫ লাখ প্যাড বিতরণের পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর।
স্কুল থেকে পাওয়া বেতনের ১০ শতাংশ প্যাড কেনার কাজে খরচ করেন বন্দনা। তিনি বলেন, 'মাসিক স্বাস্থ্যবিধি প্রত্যেক নারীর জন্য অত্যন্ত জরুরি। এ স্বাস্থ্যবিধি না মানলে নানা জটিল রোগের আশঙ্কা রয়েছে। এসব রোগে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। তবে গ্রামাঞ্চলের বেশির ভাগ নারীই এ বিষয়ে সচেতন নন। আমরা তাঁদের সচেতন করতে কাজ করছি।'
শুরুর দিকে বন্দনা সিংকে বহু কটূক্তিও শুনতে হয়েছে।' একজন নারী হয়েও এসব কী বলছে'র মতো কথাও শুনেছেন। এর পরেও থেমে যাননি বন্দনা। সচেতনতা, ফ্রি প্যাড বিতরণের পাশাপাশি প্যাড বানানোর পাঁচটি মেশিনও স্থাপন করেছেন। এতে কয়েকজন নারীর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাও হয়েছে।
এ কাজের জন্য তেমন কোনো স্বীকৃতি এখনো আসেনি। তবে শহরে 'প্যাড ওমেন' নামে বন্দনা সিংয়ের পরিচিতি সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে।

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
৬ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
৬ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
৯ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
১০ ঘণ্টা আগে