
ভারতের গুজরাটের আলোচিত বিলকিস বানু ধর্ষণ মামলায় ছাড়া পাওয়া ১১ জনই ‘ব্রাহ্মণ’ এবং তাঁরা ‘ভালো আচরণের’ এবং তাদের ব্যবহার ভালো। গুজরাটের গোধরা থেকে বিজেপির টিকিটে নির্বাচিত বিধায়ক সিকে রাউলজি এই মন্তব্য করেছেন। ওই ১১ জনের মুক্তির প্রেক্ষাপটে কথা বলতে গিয়ে সিকে রাউলজি এই মন্তব্য করেন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিজেপি নেতা সিকে রাউলজি গুজরাট সরকার গঠিত সেই প্যানেলের সদস্য যে প্যানেল সর্বসম্মতভাবে ওই ১১ জনের মুক্তির সুপারিশ করেছিল। সাজাপ্রাপ্ত ওই ১১ জনের পক্ষ থেকে ভারতের সুপ্রিম কোর্টের কাছে সাজা মওকুফের আরজি জানানো হয়। পরে তা গুজরাট সরকারের কাছে পাঠানো হলে সরকার একটি প্যানেল গঠন করে।
ওই ১১ জন ধর্ষককে ব্রাহ্মণ উল্লেখ করে সিকে রাউলজি বলেন, ‘আমি জানি না, তাঁরা আদৌ কোনো অপরাধ করেছেন কি করেননি। তবে অপরাধ করা ইচ্ছা তো থাকতে হবে। তাঁরা সবাই ব্রাহ্মণ এবং তাঁরা তাদের এলাকায় উত্তম আচরণের সুপরিচিত ছিল। হতে পারে কেউ কোনো অসদুদ্দেশ্যেই তাদের শাস্তি দিতেই এমনটা করেছে।’ এ সময় সিকে রাউলজি আরও বলেন, ‘তাঁরা জেলে থাকাকালীন উত্তম আচরণই করেছেন।’
২০০২ সালে গুজরাট দাঙ্গার সময় নিজ প্রতিবেশীদের দ্বারা সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন বিলকিস বানু। তাঁকে ধর্ষণের পাশাপাশি তাঁর ৩ বছরের কন্যা সালেহাকে মাথা গুঁড়িয়ে হত্যা করা হয়। সম্প্রতি গুজরাট সরকার ওই সাজাপ্রাপ্তদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে দেশটির ৭৫ তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে মুক্তি দেয়। যখন ওই ১১ জন জেল থেকে বের হয়ে আসেন তখন তাদের ফুলের মালা ও মিষ্টি মুখ করিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়।
এর আগে, গুজরাট প্রশাসনে জ্যেষ্ঠ আমলা রাজ কুমার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে বলেছিলেন, ‘ওই ১১ জনের আবেদনের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে কারণ তাঁরা এরই মধ্যে ১৪ বছর সাজা খেটেছেন। ভারতে সাধারণত যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বলতে ১৪ বছরই বোঝানো হয়।’

ভারতের গুজরাটের আলোচিত বিলকিস বানু ধর্ষণ মামলায় ছাড়া পাওয়া ১১ জনই ‘ব্রাহ্মণ’ এবং তাঁরা ‘ভালো আচরণের’ এবং তাদের ব্যবহার ভালো। গুজরাটের গোধরা থেকে বিজেপির টিকিটে নির্বাচিত বিধায়ক সিকে রাউলজি এই মন্তব্য করেছেন। ওই ১১ জনের মুক্তির প্রেক্ষাপটে কথা বলতে গিয়ে সিকে রাউলজি এই মন্তব্য করেন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিজেপি নেতা সিকে রাউলজি গুজরাট সরকার গঠিত সেই প্যানেলের সদস্য যে প্যানেল সর্বসম্মতভাবে ওই ১১ জনের মুক্তির সুপারিশ করেছিল। সাজাপ্রাপ্ত ওই ১১ জনের পক্ষ থেকে ভারতের সুপ্রিম কোর্টের কাছে সাজা মওকুফের আরজি জানানো হয়। পরে তা গুজরাট সরকারের কাছে পাঠানো হলে সরকার একটি প্যানেল গঠন করে।
ওই ১১ জন ধর্ষককে ব্রাহ্মণ উল্লেখ করে সিকে রাউলজি বলেন, ‘আমি জানি না, তাঁরা আদৌ কোনো অপরাধ করেছেন কি করেননি। তবে অপরাধ করা ইচ্ছা তো থাকতে হবে। তাঁরা সবাই ব্রাহ্মণ এবং তাঁরা তাদের এলাকায় উত্তম আচরণের সুপরিচিত ছিল। হতে পারে কেউ কোনো অসদুদ্দেশ্যেই তাদের শাস্তি দিতেই এমনটা করেছে।’ এ সময় সিকে রাউলজি আরও বলেন, ‘তাঁরা জেলে থাকাকালীন উত্তম আচরণই করেছেন।’
২০০২ সালে গুজরাট দাঙ্গার সময় নিজ প্রতিবেশীদের দ্বারা সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন বিলকিস বানু। তাঁকে ধর্ষণের পাশাপাশি তাঁর ৩ বছরের কন্যা সালেহাকে মাথা গুঁড়িয়ে হত্যা করা হয়। সম্প্রতি গুজরাট সরকার ওই সাজাপ্রাপ্তদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে দেশটির ৭৫ তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে মুক্তি দেয়। যখন ওই ১১ জন জেল থেকে বের হয়ে আসেন তখন তাদের ফুলের মালা ও মিষ্টি মুখ করিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়।
এর আগে, গুজরাট প্রশাসনে জ্যেষ্ঠ আমলা রাজ কুমার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে বলেছিলেন, ‘ওই ১১ জনের আবেদনের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে কারণ তাঁরা এরই মধ্যে ১৪ বছর সাজা খেটেছেন। ভারতে সাধারণত যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বলতে ১৪ বছরই বোঝানো হয়।’

ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে ভেনেজুয়েলার নেতাকে বন্দি করার ঘটনার প্রেক্ষাপটে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রোকে হুমকি দিয়েছেন। একইসঙ্গে তিনি বলেছেন যে, কিউবার সরকারেরও খুব শিগগির পতন হতে যাচ্ছে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।
৩১ মিনিট আগে
ইরানে বিক্ষোভ আরও বড় আকার ধারণ করছে। বিক্ষোভ সামাল দিতে বিভিন্ন স্থানে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বিক্ষোভ সামাল দিতে নিরাপত্তা বাহিনীর হামলায় বাড়ছে হতাহতের ঘটনা। এ পর্যন্ত ১২ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
৭ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলা থেকে গ্রেপ্তারের পর নিকোলা মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের এক ভয়ংকর কারাগারে নেওয়া হয়েছে। শিগগির তাঁর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে বিচার শুরু হবে বলে জানিয়েছে দেশটির বিচার বিভাগ। এদিকে মাদুরোকে গ্রেপ্তারের পর দেশটির নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজ। তিনি শপ
৮ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর পরিবারকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের অভিযোগ এবার নতুন মাত্রা পেয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সদ্য প্রকাশিত অভিযোগপত্রে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো, তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেস এবং ছেলে নিকোলাস এরনেস্তো মাদুরো গেরার বিরুদ্ধে মাদক পাচার, নার্কো-সন্ত্রাসবাদ এবং
৯ ঘণ্টা আগে