
কম ভোটার উপস্থিতির কারণে ইতিপূর্বে বহুবার শিরোনাম হয়েছে ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের বেঙ্গালুরু শহর। এবার তাই এই শহরের হোটেল, ট্যাক্সিসেবা থেকে শুরু করে আরও অনেক প্রতিষ্ঠান ভোটকেন্দ্রগুলোতে ভোটার উপস্থিতি বাড়াতে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
আজ বৃহস্পতিবার বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে নিয়ে আসতে বিনা মূল্যে বিয়ার সরবরাহ করা ছাড়াও ট্যাক্সি ভাড়া না নেওয়া এবং ভোটকেন্দ্রগুলোতে বিনা মূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষার প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে। কিছু কিছু খাবারের দোকানে ভোটের দিন ভোটদানের প্রমাণ হিসেবে ক্রেতারা শুধু আঙুলে লাগানো অমোচনীয় কালি দেখালেই বিনা মূল্য কিংবা ডিসকাউন্টে খেতে পারবেন।
আগামীকাল শুক্রবার ভারতের লোকসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে বেঙ্গালুরু শহরে ভোট অনুষ্ঠিত হবে। গতকাল বুধবার রাজ্যের হাইকোর্ট বেঙ্গালুরু শহরের হোটেল অ্যাসোসিয়েশনকে ভোটারদের মাঝে বিনা মূল্যে কিংবা ডিসকাউন্টে খাবার বিতরণের অনুমতি দিয়েছেন। তবে এ ক্ষেত্রে হোটেলগুলোকে অবশ্যই নির্বাচনী বিধিমালা মেনে চলতে হবে।
এ বিষয়ে শহরের হোটেল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি পি সি রাও বেঙ্গালুরু মিররকে বলেন, ‘ভিন্ন ভিন্ন হোটেলের পক্ষ থেকে ভোটারদের জন্য ভিন্ন ভিন্ন অফার দেওয়া হচ্ছে। কেউ হয়তো ভোটারদের বিনা মূল্যে কফি দেবে, আবার কেউ দেবে দোসা এবং গরম থেকে রেহাই দিতে ফলের রস, খাবারে ডিসকাউন্ট দেওয়া ছাড়াও আরও অনেক অফার মিলবে কোনো কোনো আউটলেটে।’
সর্বশেষ ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বেঙ্গালুরু শহরের দক্ষিণাঞ্চলীয় নির্বাচনী এলাকায় কর্ণাটক রাজ্যের মধ্যে সবচেয়ে কম মাত্র ৫৩ দশমিক ৭ শতাংশ ভোট পড়েছিল। পাশাপাশি বেঙ্গালুরুর মধ্যাঞ্চলে পড়েছিল ৫৪ দশমিক ৩ শতাংশ ভোট. আর উত্তর অংশে পড়েছিল ৫৪ দশমিক ৭ শতাংশ ভোট। অথচ কর্ণাটক রাজ্যজুড়ে সেবার ৬৮ শতাংশ ভোট কাস্ট হয়েছিল।
বিভিন্ন কোম্পানি শহরটিতে ভোটদানে উৎসাহিত করার জন্য এক সপ্তাহ আগে থেকেই প্রচারণা চালাচ্ছিল। তবে ভোটারদের বিভিন্ন অফার দেওয়া শুরু করেছে গতকাল হাইকোর্টের আদেশের পর থেকেই।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভোটের দিন শুধু খাবারদাবারই নয়, বিনোদনের জায়গাগুলোতেও বাড়তি সুবিধা পাবেন ভোটাররা। শহরের জনপ্রিয় বিনোদন পার্ক ওন্ডারলায় ভোট দেওয়া ব্যক্তিরা টিকিটের মূল্যে বড় ছাড় পাবেন। আবার ‘ডেক অব ব্রিউস’ নামের একটি পাব ভোট দেওয়া প্রথম ৫০ ব্যক্তিকে বিনা মূল্যে বিয়ার সরবরাহ করবে।
এদিকে রাইড শেয়ারিং অ্যাপ ব্লু-স্মার্ট ৩০ কিলোমিটার দূরত্বের মধ্যে কোনো ভোটকেন্দ্রে যেতে চাইলে ভোটারদের কাছ থেকে অর্ধেক ভাড়া কম রাখবে। অন্যদিকে র্যাপিডো নামে একটি ট্যাক্সি সেবা অক্ষম ও বয়স্ক ভোটারদের বিনা মূল্যে ভোটকেন্দ্রে নিয়ে যাবে।
এ বিষয়ে শহরের মিস্টার ফিলিস খ্যাত চেইন রেস্তোরাঁর প্রতিষ্ঠাতা গোপী চাঁদ ছেরুকুরি বলেন, ‘এটাই আমাদের ভোটের গুরুত্ব এবং গণতন্ত্রকে উদ্যাপনের পথ।’
মিস্টার ফিলিস রেস্তোরাঁয় ডিনার সেশনে প্রথম ১০০ ভোটারকে ৩০ শতাংশ ছাড়মূল্যে বার্গার এবং মিল্কশেকগুলো সরবরাহ করা হবে। গোপী বলেন, ‘আমরা আশা করি, এই উদ্যোগ বেঙ্গালুরুর নাগরিকদের মধ্যে তাদের ভোটের অধিকার প্রয়োগ করতে এবং একটি পার্থক্য তৈরি করার জন্য উৎসাহ দেবে।’

কম ভোটার উপস্থিতির কারণে ইতিপূর্বে বহুবার শিরোনাম হয়েছে ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের বেঙ্গালুরু শহর। এবার তাই এই শহরের হোটেল, ট্যাক্সিসেবা থেকে শুরু করে আরও অনেক প্রতিষ্ঠান ভোটকেন্দ্রগুলোতে ভোটার উপস্থিতি বাড়াতে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
আজ বৃহস্পতিবার বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে নিয়ে আসতে বিনা মূল্যে বিয়ার সরবরাহ করা ছাড়াও ট্যাক্সি ভাড়া না নেওয়া এবং ভোটকেন্দ্রগুলোতে বিনা মূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষার প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে। কিছু কিছু খাবারের দোকানে ভোটের দিন ভোটদানের প্রমাণ হিসেবে ক্রেতারা শুধু আঙুলে লাগানো অমোচনীয় কালি দেখালেই বিনা মূল্য কিংবা ডিসকাউন্টে খেতে পারবেন।
আগামীকাল শুক্রবার ভারতের লোকসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে বেঙ্গালুরু শহরে ভোট অনুষ্ঠিত হবে। গতকাল বুধবার রাজ্যের হাইকোর্ট বেঙ্গালুরু শহরের হোটেল অ্যাসোসিয়েশনকে ভোটারদের মাঝে বিনা মূল্যে কিংবা ডিসকাউন্টে খাবার বিতরণের অনুমতি দিয়েছেন। তবে এ ক্ষেত্রে হোটেলগুলোকে অবশ্যই নির্বাচনী বিধিমালা মেনে চলতে হবে।
এ বিষয়ে শহরের হোটেল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি পি সি রাও বেঙ্গালুরু মিররকে বলেন, ‘ভিন্ন ভিন্ন হোটেলের পক্ষ থেকে ভোটারদের জন্য ভিন্ন ভিন্ন অফার দেওয়া হচ্ছে। কেউ হয়তো ভোটারদের বিনা মূল্যে কফি দেবে, আবার কেউ দেবে দোসা এবং গরম থেকে রেহাই দিতে ফলের রস, খাবারে ডিসকাউন্ট দেওয়া ছাড়াও আরও অনেক অফার মিলবে কোনো কোনো আউটলেটে।’
সর্বশেষ ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বেঙ্গালুরু শহরের দক্ষিণাঞ্চলীয় নির্বাচনী এলাকায় কর্ণাটক রাজ্যের মধ্যে সবচেয়ে কম মাত্র ৫৩ দশমিক ৭ শতাংশ ভোট পড়েছিল। পাশাপাশি বেঙ্গালুরুর মধ্যাঞ্চলে পড়েছিল ৫৪ দশমিক ৩ শতাংশ ভোট. আর উত্তর অংশে পড়েছিল ৫৪ দশমিক ৭ শতাংশ ভোট। অথচ কর্ণাটক রাজ্যজুড়ে সেবার ৬৮ শতাংশ ভোট কাস্ট হয়েছিল।
বিভিন্ন কোম্পানি শহরটিতে ভোটদানে উৎসাহিত করার জন্য এক সপ্তাহ আগে থেকেই প্রচারণা চালাচ্ছিল। তবে ভোটারদের বিভিন্ন অফার দেওয়া শুরু করেছে গতকাল হাইকোর্টের আদেশের পর থেকেই।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভোটের দিন শুধু খাবারদাবারই নয়, বিনোদনের জায়গাগুলোতেও বাড়তি সুবিধা পাবেন ভোটাররা। শহরের জনপ্রিয় বিনোদন পার্ক ওন্ডারলায় ভোট দেওয়া ব্যক্তিরা টিকিটের মূল্যে বড় ছাড় পাবেন। আবার ‘ডেক অব ব্রিউস’ নামের একটি পাব ভোট দেওয়া প্রথম ৫০ ব্যক্তিকে বিনা মূল্যে বিয়ার সরবরাহ করবে।
এদিকে রাইড শেয়ারিং অ্যাপ ব্লু-স্মার্ট ৩০ কিলোমিটার দূরত্বের মধ্যে কোনো ভোটকেন্দ্রে যেতে চাইলে ভোটারদের কাছ থেকে অর্ধেক ভাড়া কম রাখবে। অন্যদিকে র্যাপিডো নামে একটি ট্যাক্সি সেবা অক্ষম ও বয়স্ক ভোটারদের বিনা মূল্যে ভোটকেন্দ্রে নিয়ে যাবে।
এ বিষয়ে শহরের মিস্টার ফিলিস খ্যাত চেইন রেস্তোরাঁর প্রতিষ্ঠাতা গোপী চাঁদ ছেরুকুরি বলেন, ‘এটাই আমাদের ভোটের গুরুত্ব এবং গণতন্ত্রকে উদ্যাপনের পথ।’
মিস্টার ফিলিস রেস্তোরাঁয় ডিনার সেশনে প্রথম ১০০ ভোটারকে ৩০ শতাংশ ছাড়মূল্যে বার্গার এবং মিল্কশেকগুলো সরবরাহ করা হবে। গোপী বলেন, ‘আমরা আশা করি, এই উদ্যোগ বেঙ্গালুরুর নাগরিকদের মধ্যে তাদের ভোটের অধিকার প্রয়োগ করতে এবং একটি পার্থক্য তৈরি করার জন্য উৎসাহ দেবে।’

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
৬ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
৬ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
৯ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
৯ ঘণ্টা আগে