
ভারত কখনো ডি-ডলারাইজেশনের পক্ষে ছিল না এবং বর্তমানে ব্রিকস মুদ্রা চালুর কোনো প্রস্তাব নেই বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। আজ শনিবার দোহা ফোরামে এক প্যানেল আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দা টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া এই তথ্য জানিয়েছে।
তিনি বলেন, ‘ভারত সব সময় বাস্তবসম্মত নীতিতে বিশ্বাস করে এবং ডি-ডলারাইজেশন নিয়ে কোনো পরিকল্পনা নেই।’ ডি-ডলারাইজেশন হলো আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে মার্কিন ডলারের বিকল্প হিসেবে ভিন্ন মুদ্রার ব্যবহার।
সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ব্রিকস দেশগুলোর ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি দেন। এরপর থেকেই ডলারের বিকল্প হিসেবে ব্রিকস মুদ্রার বিষয়টি আলোচনায় আসে। এই প্রসঙ্গে জয়শঙ্কর বলেন, ‘ব্রিকস দেশগুলোর মধ্যে এই বিষয়ে অভিন্ন কোনো অবস্থান নেই।’
তিনি আরও জানান, ‘প্রত্যেক দেশের স্বার্থ ভিন্ন হলেও আন্তর্জাতিক ইস্যুতে সবাই একসঙ্গে কাজ করে।’
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে সমঝোতার সম্ভাবনা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করার বদলে সমাধানের দিকে এগোনোর সময় এসেছে। ভারত মস্কো ও কিয়েভের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করছে।’
কাতার সরকারের আয়োজনে দোহা ফোরামের এবারের সম্মেলনটি শুরু হয়েছে শুক্রবার। এটি একটি বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্ম, যা কূটনীতি ও উদ্ভাবনী নীতিমালা তৈরিতে কাজ করে।

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উচ্চাকাঙ্ক্ষা থেকে মস্কোকে দূরে সরিয়ে রেখেছেন। তিনি বলেছেন, ‘এটি মস্কোর বিষয় নয়।’ তাঁর মতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ন্যাটো (উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট) মিত্ররা এই বিষয়টি নিজেদের মধ্যে মিটিয়ে নেবে।
১২ মিনিট আগে
গাজা উপত্যকায় গতকাল বুধবার ভোরের পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় দুই শিশু এবং তিন সাংবাদিকসহ অন্তত ১১ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং আরও ৬ জন আহত হয়েছেন। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
২৪ মিনিট আগে
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণের অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী একটি শক্তিশালী ‘সনিক উইপন’ (শব্দাস্ত্র) ব্যবহার করেছিল বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, অস্ত্রটি বিশেষ। এটা আর কারও কাছে নেই। একই সঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তির...
৮ ঘণ্টা আগে
গত বছরের জুলাইয়ে স্কটল্যান্ডের টার্নবেরিতে ট্রাম্প এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েনের মধ্যে এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল ইউরোপীয় পণ্যের ওপর মার্কিন শুল্ক ৩০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশ করা এবং লবস্টারসহ (একধরনের সামুদ্রিক মাছে) নির্দিষ্ট কিছু মার্কিন পণ্যের
১০ ঘণ্টা আগে