
সশস্ত্র বাহিনীতে নতুন একটি নিয়োগ প্রক্রিয়া চালুর পরিকল্পনা প্রকাশ করেছে ভারতের কেন্দ্র সরকার। ‘অগ্নিপথ’ নামে নতুন এই পরিকল্পনার আওতায় প্রায় ৪৫ হাজার তরুণ–যুবককে নিয়োগ দেওয়া হবে। এই নতুন নিয়োগকৃত সৈন্যরা চার বছর বাহিনীতে সেনা দেবে। এ সময় যাবতীয় সুযোগ সুবিধা ভোগ করবেন তাঁরা। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় আজ মঙ্গলবার ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বৈঠকে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই বৈঠকে দেশটির তিন বাহিনী—সেনা, বিমান এবং নৌবাহিনীর প্রধানেরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। তিনি এই সিদ্ধান্তকে ‘ঐতিহাসিক’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।
এই পরিকল্পনার আওতায় প্রায় ৪৫ হাজার সৈনিক নিয়োগ দেওয়া হবে। নিয়োগকৃতদের বয়স হবে সাড়ে ১৭ বছর থেকে ২১ বছরের মধ্যে। তাঁরা পরিচিত হবেন ‘অগ্নিবীর’ নামে এবং তাঁদের নিয়োগ দেওয়া হবে ৪ বছর মেয়াদে।
আগামী ৯০ দিনের মধ্যেই এই ৪৫ হাজার সৈনিক নিয়োগের প্রক্রিয়া শেষ করা হবে। এবং এরপর প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ২০২৩ সালের জুলাইয়ের মধ্যেই এই বাহিনী মাঠে নামার উপযোগী হয়ে উঠবে। চার বছর মেয়াদ শেষে চূড়ান্তভাবে যোগ্য ২৫ শতাংশকে মূল বাহিনীতে রেখে দেওয়া হবে। তাঁরা মূল বাহিনীতে ১৫ বছর কর্মজীবন পাবেন। এবং বাকিদের এককালীন ১১ থেকে ১২ লাখ রুপি দিয়ে চাকরিচ্যুত করা হবে। এই চার বছর মেয়াদে ‘অগ্নিপথ’-এ থাকাকালীন প্রত্যেক সৈনিক পাবেন ৩০ থেকে ৪০ হাজার রুপি বেতন এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা।
ভারত সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ‘অগ্নিপথ’ বাহিনীতে নিয়োগের প্রক্রিয়া ভারতের অন্যান্য সশস্ত্র বাহিনীর নিয়োগের মতোই হবে। কেন্দ্রীভূত অনলাইন নিয়োগ ব্যবস্থার মাধ্যমে তাঁদের নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে। এই স্কিমে নারীদেরও নিয়োগ দেওয়া হবে।
তবে এরই মধ্যে, অনেকেই এই পরিকল্পনার সমালোচনা করেছেন। অনেকেই বলছেন, এই পরিকল্পনা সৈনিকদের মনোবল এবং পেশাদারত্বের ওপর প্রভাব ফেলবে।

সশস্ত্র বাহিনীতে নতুন একটি নিয়োগ প্রক্রিয়া চালুর পরিকল্পনা প্রকাশ করেছে ভারতের কেন্দ্র সরকার। ‘অগ্নিপথ’ নামে নতুন এই পরিকল্পনার আওতায় প্রায় ৪৫ হাজার তরুণ–যুবককে নিয়োগ দেওয়া হবে। এই নতুন নিয়োগকৃত সৈন্যরা চার বছর বাহিনীতে সেনা দেবে। এ সময় যাবতীয় সুযোগ সুবিধা ভোগ করবেন তাঁরা। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় আজ মঙ্গলবার ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বৈঠকে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই বৈঠকে দেশটির তিন বাহিনী—সেনা, বিমান এবং নৌবাহিনীর প্রধানেরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। তিনি এই সিদ্ধান্তকে ‘ঐতিহাসিক’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।
এই পরিকল্পনার আওতায় প্রায় ৪৫ হাজার সৈনিক নিয়োগ দেওয়া হবে। নিয়োগকৃতদের বয়স হবে সাড়ে ১৭ বছর থেকে ২১ বছরের মধ্যে। তাঁরা পরিচিত হবেন ‘অগ্নিবীর’ নামে এবং তাঁদের নিয়োগ দেওয়া হবে ৪ বছর মেয়াদে।
আগামী ৯০ দিনের মধ্যেই এই ৪৫ হাজার সৈনিক নিয়োগের প্রক্রিয়া শেষ করা হবে। এবং এরপর প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ২০২৩ সালের জুলাইয়ের মধ্যেই এই বাহিনী মাঠে নামার উপযোগী হয়ে উঠবে। চার বছর মেয়াদ শেষে চূড়ান্তভাবে যোগ্য ২৫ শতাংশকে মূল বাহিনীতে রেখে দেওয়া হবে। তাঁরা মূল বাহিনীতে ১৫ বছর কর্মজীবন পাবেন। এবং বাকিদের এককালীন ১১ থেকে ১২ লাখ রুপি দিয়ে চাকরিচ্যুত করা হবে। এই চার বছর মেয়াদে ‘অগ্নিপথ’-এ থাকাকালীন প্রত্যেক সৈনিক পাবেন ৩০ থেকে ৪০ হাজার রুপি বেতন এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা।
ভারত সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ‘অগ্নিপথ’ বাহিনীতে নিয়োগের প্রক্রিয়া ভারতের অন্যান্য সশস্ত্র বাহিনীর নিয়োগের মতোই হবে। কেন্দ্রীভূত অনলাইন নিয়োগ ব্যবস্থার মাধ্যমে তাঁদের নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে। এই স্কিমে নারীদেরও নিয়োগ দেওয়া হবে।
তবে এরই মধ্যে, অনেকেই এই পরিকল্পনার সমালোচনা করেছেন। অনেকেই বলছেন, এই পরিকল্পনা সৈনিকদের মনোবল এবং পেশাদারত্বের ওপর প্রভাব ফেলবে।

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৬ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৯ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৯ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
১০ ঘণ্টা আগে