
ইউক্রেনে রাশিয়ার অযাচিত আগ্রাসনের প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপের বেশ কয়েটি দেশ রাশিয়ার কাছে থেকে জ্বালানি তেল কেনা বন্ধ করে দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ভারতের কাছে অপেক্ষাকৃত কম মূল্যে অপরিশোধিত তেল বিক্রি করতে রাজি হয়েছে রাশিয়া। গত মাসে দুই দেশ এ বিষয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনাও করেছে। তবে ভারত এই সুযোগে রাশিয়ার প্রস্তাবিত মূল্যের চেয়ে আরও কম দামে তেল কিনতে চায়। ব্লুমবার্গের বরাত দিয়ে আজ বুধবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস।
হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দিল্লি ব্যারেলপ্রতি ৭০ ডলারের কম মূল্যে রাশিয়ার কাছে থেকে তেল কিনতে চাইছে। যুক্তি হিসেবে ভারত বলছে, বিশ্বের অনেক দেশ রাশিয়ার তেল বয়কট করেছে। এমন পরিস্থিতিতে রাশিয়া থেকে তেল আমদানি করতে ভারকে অনেক প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করতে হবে। তাই ভারত তেল কেনার ব্যাপারে রাশিয়ার কাছে আরও বেশি মূল্যছাড় চায়। বর্তমানে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের মূল্য ব্যারেলপ্রতি ১০৫ ডলার।
ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম তেল আমদানিকারক দেশ। রাশিয়ার কাছে থেকে দেশটি নিয়মিত জ্বালানি তেল কিনে থাকে। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনে আগ্রাসন শুরু করার পর ভারত বিশেষ ছাড়কৃত মূল্যে রাশিয়ার কাছে প্রায় ৪০ মিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত জ্বালানি তেল কিনেছে। গত মাসেও রাশিয়া ভারতকে ১৫ মিলিয়ন ব্যারেল তেল ক্রয়ের ওপর এককালীন ছাড় দিয়েছে। এরপরও ভারত তেলের দামের ওপর আরও বেশি ছাড় দেওয়ার দাবি জানিয়েছে।
ব্লুমবার্গ জানিয়েছে, ২০২১ সালের তুলনায় গত দুই মাসে ভারত অন্তত ২০ শতাংশ বেশি তেল আমদানি করেছে।
হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে পশ্চিমা দেশগুলো রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলেও ভারত এখন পর্যন্ত এ রকম কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। এ জন্য দেশটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রোষানলে পড়েছে। রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্ক ছিন্ন করার ব্যাপারে ভারতকে হুঁশিয়ারিও দিয়েছে পশ্চিমা দেশগুলো। তবে ভারত নিজের সিদ্ধান্তে এখনো অনড়। দেশটি রাশিয়ার কাছ থেকে অস্ত্র কেনার পাশাপাশি জ্বালানি তেল কেনা অব্যাহত রেখেছে।

ইউক্রেনে রাশিয়ার অযাচিত আগ্রাসনের প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপের বেশ কয়েটি দেশ রাশিয়ার কাছে থেকে জ্বালানি তেল কেনা বন্ধ করে দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ভারতের কাছে অপেক্ষাকৃত কম মূল্যে অপরিশোধিত তেল বিক্রি করতে রাজি হয়েছে রাশিয়া। গত মাসে দুই দেশ এ বিষয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনাও করেছে। তবে ভারত এই সুযোগে রাশিয়ার প্রস্তাবিত মূল্যের চেয়ে আরও কম দামে তেল কিনতে চায়। ব্লুমবার্গের বরাত দিয়ে আজ বুধবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস।
হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দিল্লি ব্যারেলপ্রতি ৭০ ডলারের কম মূল্যে রাশিয়ার কাছে থেকে তেল কিনতে চাইছে। যুক্তি হিসেবে ভারত বলছে, বিশ্বের অনেক দেশ রাশিয়ার তেল বয়কট করেছে। এমন পরিস্থিতিতে রাশিয়া থেকে তেল আমদানি করতে ভারকে অনেক প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করতে হবে। তাই ভারত তেল কেনার ব্যাপারে রাশিয়ার কাছে আরও বেশি মূল্যছাড় চায়। বর্তমানে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের মূল্য ব্যারেলপ্রতি ১০৫ ডলার।
ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম তেল আমদানিকারক দেশ। রাশিয়ার কাছে থেকে দেশটি নিয়মিত জ্বালানি তেল কিনে থাকে। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনে আগ্রাসন শুরু করার পর ভারত বিশেষ ছাড়কৃত মূল্যে রাশিয়ার কাছে প্রায় ৪০ মিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত জ্বালানি তেল কিনেছে। গত মাসেও রাশিয়া ভারতকে ১৫ মিলিয়ন ব্যারেল তেল ক্রয়ের ওপর এককালীন ছাড় দিয়েছে। এরপরও ভারত তেলের দামের ওপর আরও বেশি ছাড় দেওয়ার দাবি জানিয়েছে।
ব্লুমবার্গ জানিয়েছে, ২০২১ সালের তুলনায় গত দুই মাসে ভারত অন্তত ২০ শতাংশ বেশি তেল আমদানি করেছে।
হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে পশ্চিমা দেশগুলো রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলেও ভারত এখন পর্যন্ত এ রকম কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। এ জন্য দেশটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রোষানলে পড়েছে। রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্ক ছিন্ন করার ব্যাপারে ভারতকে হুঁশিয়ারিও দিয়েছে পশ্চিমা দেশগুলো। তবে ভারত নিজের সিদ্ধান্তে এখনো অনড়। দেশটি রাশিয়ার কাছ থেকে অস্ত্র কেনার পাশাপাশি জ্বালানি তেল কেনা অব্যাহত রেখেছে।

চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
৬ মিনিট আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
২৪ মিনিট আগে
চলতি মাসের শুরুতে জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের পক্ষ থেকে মসজিদসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে চার পাতার একটি ফরম বিতরণ করা হয়। এর শিরোনাম ছিল—‘মসজিদের প্রোফাইলিং’। কিন্তু ভারত সরকারের এই উদ্যোগ কাশ্মীরের মুসলিম-অধ্যুষিত অঞ্চলগুলোর মানুষের মধ্যে তৈরি করেছে একধরনের উদ্বেগ।
১ ঘণ্টা আগে
ভারতে ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় এবার নজিরবিহীন বিতর্কের সৃষ্টি হলো। খোদ নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর প্রপৌত্র (নাতির ছেলে) চন্দ্র বসুকে নাগরিকত্বের প্রমাণ যাচাইয়ের জন্য ‘এসআইআর’ শুনানিতে তলব করেছে নির্বাচন কমিশন। এই নোটিস পাওয়া মাত্রই তীব্র বিস্ময় ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাবেক এই বিজেপি নেতা।
৪ ঘণ্টা আগে