
ভারতের কেন্দ্রীয় বাজেট সাধারণত দুটি অংশে বিভক্ত থাকে—‘পার্ট এ’ এবং ‘পার্ট বি’। প্রথাগতভাবে ‘পার্ট এ’তে সরকারের নতুন নীতি ও প্রকল্পের বিস্তারিত ঘোষণা থাকে এবং ‘পার্ট বি’ মূলত আয়কর ও শুল্কসংক্রান্ত প্রস্তাবের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। তবে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে এই ধারার আমূল পরিবর্তন ঘটাতে যাচ্ছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি একটি সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, এবার বাজেটের মূল আকর্ষণ হবে পার্ট বি। এই অংশে কেবল কর পরিবর্তনের ঘোষণা নয়, বরং একুশ শতকের দ্বিতীয় কোয়ার্টারে ভারতের অর্থনৈতিক লক্ষ্যমাত্রা ও বৈশ্বিক উচ্চাকাঙ্ক্ষার একটি বিস্তারিত রূপরেখা তুলে ধরা হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার পাশাপাশি আগামী কয়েক দশকের প্রবৃদ্ধি অর্জনের পরিকল্পনা এখানে প্রাধান্য পাবে। ভারতের স্থানীয় সক্ষমতাকে কীভাবে বিশ্বমঞ্চে প্রতিযোগিতামূলক করে তোলা যায়, তার একটি রোডম্যাপ থাকবে এই অংশে।
এর পাশাপাশি নির্মলা সীতারামণ টানা নবমবারের মতো বাজেট পেশ করে এক অনন্য রেকর্ড গড়তে যাচ্ছেন। ২০১৯ সালে তিনি কয়েক দশকের পুরোনো লেদার ব্রিফকেসের বদলে লাল কাপড়ে মোড়ানো ঐতিহ্যবাহী ‘বহি-খাতা’ প্রবর্তন করেছিলেন। এবারও গত চার বছরের মতো ডিজিটাল বা ‘পেপারলেস’ ফর্মে বাজেট উপস্থাপন করা হবে।
বাজেট পেশের আগে গতকাল প্রকাশিত ‘ইকোনমিক সার্ভে ২০২৫-২৬’-এ ভারতের প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৮ শতাংশ থেকে ৭ দশমিক ২ শতাংশ হওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
এবারের বাজেটের কিছু মূল ফোকাস পয়েন্ট হলো—মহাত্মা গান্ধী ন্যাশনাল রুরাল এমপ্লয়মেন্ট গ্যারান্টি অ্যাক্টের পরিবর্তে নতুন গ্রামীণ কর্মসংস্থান প্রকল্প ‘জি রাম জি’তে বরাদ্দ। ২০২৬ অর্থবছরে রাজস্ব ঘাটতি জিডিপির ৪ দশমিক ৫ শতাংশের নিচে নামিয়ে আনা। এ ছাড়া পরিকাঠামো উন্নয়নে মূলধনী ব্যয় ১০-১৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় ১২ দশমিক ৫ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছাতে পারে। স্বাস্থ্য ও শিক্ষা এই দুই সামাজিক খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধিও সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার হতে পারে।
ভারতসহ আন্তর্জাতিক অঙ্গনের অর্থনীতিবিদেরা এবারের বাজেটের দিকে তাকিয়ে আছেন বাড়তি আগ্রহ নিয়ে। তাঁদেরও প্রত্যাশা, এটি কেবল নিয়মিত কর পরিবর্তনের বাজেট না হয়ে ভবিষ্যৎ অর্থনীতির একটি বিস্তৃত রোডম্যাপ দেবে।

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের এক গুরুত্বপূর্ণ মিত্রদেশগুলোর নেতৃত্বকে মার্কিন সেনাবাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চাইলে চলতি সপ্তাহান্তেই ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলার অনুমোদন দিতে পারেন। একাধিক সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম...
১ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রতিষ্ঠান অ্যানথ্রপিকের মধ্যে তীব্র মতবিরোধ তৈরি হয়েছে। মার্কিন সরকারকে অ্যানথ্রপিকের প্রযুক্তি ব্যবহার করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অস্ত্রের লক্ষ্য নির্ধারণ ও যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরে নাগরিকদের ওপর নজরদারি চালানো থেকে বিরত রাখবে—এমন রক্ষাকবচ ছাড়াই।
২ ঘণ্টা আগে
গত ৩০ জানুয়ারি রাত নামার সঙ্গে সঙ্গে ইরানিদের মধ্যে এক চাপা আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। গুজব ছড়িয়ে যায়, যেকোনো মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক হামলা চালাবে। আর এই আশঙ্কা এখনো ইরানের জনগণের মধ্যে রয়ে গেছে। যদিও আলোচনার ব্যবস্থা চলছে বলে জানিয়েছে ইরানি কর্তৃপক্ষ।
৩ ঘণ্টা আগে
লাতিন আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলা ও পশ্চিম এশিয়ার দেশ ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই দুই দেশের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা ও দর–কষাকষির সুযোগ তৈরি হয়েছে। তেহরান নিশ্চিত করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যেই আলোচনার ব্যবস্থা গঠন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে