
আন্তর্জাতিক জঙ্গিগোষ্ঠী আল কায়েদার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ভারতে চার বাংলাদেশির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। ভারতের গুজরাট রাজ্যের একটি বিশেষ আদালতে আজ শুক্রবার এ অভিযোগপত্র দেয় দেশটির গোয়েন্দা সংস্থা ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এনআইএ)। তাঁদের বিরুদ্ধে আল কায়েদার সঙ্গে যোগসূত্র এবং সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চালানোর ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়েছে।
ভারতীয় বার্তা সংস্থা পিটিআইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এনআইএর বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর অমিত নায়ার বিশেষ আদালতের বিচারক কমল সোজিত্রার আদালতে মোট পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছেন।
কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ভারতে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ পরিচালনার লক্ষ্যে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের সঙ্গে ভারত–বাংলাদেশ সীমান্ত ভিত্তিক আল কায়েদা নেতাদের একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করেছে এনআইএ।
গত মে মাসে গুজরাট অ্যান্টি টেররিস্ট স্কোয়াড (এটিএস) আল কায়েদার একটি গ্রুপকে শনাক্ত করে এবং বাংলাদেশের চার নাগরিককে গ্রেপ্তার করে। তাঁরা জাল নথিপত্র ব্যবহার করে ভারতে প্রবেশ করার পরে আহমেদাবাদে অবৈধভাবে বসবাস করছিলেন।
এটিএসের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, এই চার ব্যক্তি বাংলাদেশেই প্রশিক্ষণ নেন, এরপর তাঁদের আল কায়েদার সন্ত্রাসী কার্যকলাপ পরিচালনার জন্য তহবিল সংগ্রহ ও স্থানীয় তরুণদের উগ্রবাদী মতাদর্শে উদ্বুদ্ধ করে সংগঠনে টানতে ভারতে পাঠানো হয়।
সরকারি বিবৃতির বরাত দিয়ে পিটিআই–এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক যোগসূত্র বিবেচনা করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গত জুনে মামলাটি এনআইএ–তে স্থানান্তর করে।
এনআইএ গত জুনে মামলা নথিভুক্ত করে। অভিযোগপত্রে আসামিরা হলেন—মোহাম্মদ সজিব মিয়া, মুন্না খালিদ আনসারি ওরফে মুন্না খান, জাহাঙ্গীর ওরফে আজহারুল ইসলাম, আবদুল লতিফ ওরফে মমিনুল আনসারী ও ফরিদ।
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, সজিব মিয়া, মুন্না খান, জাহাঙ্গীর এবং আবদুল লতিফ বাংলাদেশের নাগরিক, তাঁরা ভারতে থেকে গোপনে কাজ করতেন এবং সন্ত্রাসী এজেন্ডা এগিয়ে নিতে জাল নথি সংগ্রহ করেছেন।
এনআইএর বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে এই গ্রেপ্তারকৃতদের মূল হোতাকে শনাক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এরই মধ্যে এনআইএ একটি আনুষ্ঠানিক অনুরোধ বাংলাদেশকে পাঠিয়েছে।

আন্তর্জাতিক জঙ্গিগোষ্ঠী আল কায়েদার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ভারতে চার বাংলাদেশির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। ভারতের গুজরাট রাজ্যের একটি বিশেষ আদালতে আজ শুক্রবার এ অভিযোগপত্র দেয় দেশটির গোয়েন্দা সংস্থা ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এনআইএ)। তাঁদের বিরুদ্ধে আল কায়েদার সঙ্গে যোগসূত্র এবং সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চালানোর ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়েছে।
ভারতীয় বার্তা সংস্থা পিটিআইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এনআইএর বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর অমিত নায়ার বিশেষ আদালতের বিচারক কমল সোজিত্রার আদালতে মোট পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছেন।
কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ভারতে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ পরিচালনার লক্ষ্যে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের সঙ্গে ভারত–বাংলাদেশ সীমান্ত ভিত্তিক আল কায়েদা নেতাদের একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করেছে এনআইএ।
গত মে মাসে গুজরাট অ্যান্টি টেররিস্ট স্কোয়াড (এটিএস) আল কায়েদার একটি গ্রুপকে শনাক্ত করে এবং বাংলাদেশের চার নাগরিককে গ্রেপ্তার করে। তাঁরা জাল নথিপত্র ব্যবহার করে ভারতে প্রবেশ করার পরে আহমেদাবাদে অবৈধভাবে বসবাস করছিলেন।
এটিএসের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, এই চার ব্যক্তি বাংলাদেশেই প্রশিক্ষণ নেন, এরপর তাঁদের আল কায়েদার সন্ত্রাসী কার্যকলাপ পরিচালনার জন্য তহবিল সংগ্রহ ও স্থানীয় তরুণদের উগ্রবাদী মতাদর্শে উদ্বুদ্ধ করে সংগঠনে টানতে ভারতে পাঠানো হয়।
সরকারি বিবৃতির বরাত দিয়ে পিটিআই–এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক যোগসূত্র বিবেচনা করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গত জুনে মামলাটি এনআইএ–তে স্থানান্তর করে।
এনআইএ গত জুনে মামলা নথিভুক্ত করে। অভিযোগপত্রে আসামিরা হলেন—মোহাম্মদ সজিব মিয়া, মুন্না খালিদ আনসারি ওরফে মুন্না খান, জাহাঙ্গীর ওরফে আজহারুল ইসলাম, আবদুল লতিফ ওরফে মমিনুল আনসারী ও ফরিদ।
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, সজিব মিয়া, মুন্না খান, জাহাঙ্গীর এবং আবদুল লতিফ বাংলাদেশের নাগরিক, তাঁরা ভারতে থেকে গোপনে কাজ করতেন এবং সন্ত্রাসী এজেন্ডা এগিয়ে নিতে জাল নথি সংগ্রহ করেছেন।
এনআইএর বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে এই গ্রেপ্তারকৃতদের মূল হোতাকে শনাক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এরই মধ্যে এনআইএ একটি আনুষ্ঠানিক অনুরোধ বাংলাদেশকে পাঠিয়েছে।

১৯৭০-এর দশকে বিশ্বজুড়ে বাড়তে থাকা সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলার জন্য একটি বিশেষায়িত ইউনিটের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে পেন্টাগন। ভিয়েতনাম যুদ্ধের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কর্নেল চার্লস বেকউইথ ব্রিটিশ বিশেষ বাহিনী ‘এসএএস’-এর আদলে ১৯৭৭ সালে এই ডেল্টা ফোর্স গঠন করেন। উত্তর ক্যারোলিনার ফোর্ট ব্র্যাগে এর প্রধান কার্যালয়।
৩১ মিনিট আগে
ভেনেজুয়েলায় বড় ধরনের সামরিক আগ্রাসন চালিয়ে প্রেসিডেন্ট মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এটি সত্য হলে সবার দৃষ্টি নিবদ্ধ হবে একটি প্রশ্নে— ভেনেজুয়েলার শাসনভার এখন কার হাতে।
১ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘সরাসরি সশস্ত্র আগ্রাসনের’ তীব্র নিন্দা জানিয়েছে রাশিয়া। আজ শনিবার (৩ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্দেশে মাদুরোকে অপহরণ করে দেশ থেকে সরিয়ে নেওয়ার ঘটনাটি একটি স্বাধীন দেশের সার্বভৌমত্বের ওপর...
৩ ঘণ্টা আগে
নজিরবিহীন সামরিক আগ্রাসন চালিয়ে স্ত্রীসহ প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ভেনেজুয়েলা থেকে তুলে নেওয়ার পর তাকে মাদক ও অস্ত্রের মামলায় অভিযুক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্রের আদালত। আজ শনিবার নিউইয়র্কের সাদার্ন ডিস্ট্রিক্ট আদালতে তাকে অভিযুক্ত করা হয় বলে জানান মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল প্যাম বন্ডি।
৩ ঘণ্টা আগে