
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া এক প্রতিবেদনে দাবি করেছে, বাংলাদেশের একটি হ্যাকার গ্রুপ ভারতের বিভিন্ন খাতে সাইবার হামলা তথা হ্যাকিং চালাচ্ছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিস্ট্রিয়াস টিম বাংলাদেশ নামে পরিচিত ওই হ্যাকভিস্টরা (যারা সাধারণত কারও মনোযোগ আকর্ষণের জন্য হ্যাকিংকে মাধ্যম হিসেবে বেছে নেয়) ভারতের বিভিন্ন সেক্টরের ওয়েবসাইটে ডিস্ট্রিবিউটেড ডিনায়াল-অব-সার্ভিস (ডিডিওএস) হামলা চালিয়েছে।
টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে মিস্ট্রিয়াস টিম বাংলাদেশ নামের ওই হ্যাকার গোষ্ঠীকে রাজনৈতিক এবং ধর্মীয় কারণে উদ্যোগী হয়ে গড়ে ওঠা গোষ্ঠী বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে।
সিঙ্গাপুরভিত্তিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান গ্রুপ-আইবি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২২ সালের জুন মাস থেকে মিস্ট্রিয়াস টিম বাংলাদেশ ভারতীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে ৭৫০ বারেরও বেশি সাইবার হামলা চালিয়েছে। বিশেষ করে সরকারি, আর্থিক ও পরিবহন খাতের ওয়েবসাইট এই হামলার শিকার বেশি হয়েছে।
বলা হয়ে থাকে, মিস্ট্রিয়াস টিম বাংলাদেশ ২০২০ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও তাঁরা বিশ্ববাসীর নজর কাড়তে শুরু করে ২০২২ সালে। সে বছর ভারত, ইসরায়েল এবং বিশ্বের আরও কয়েকটি দেশে তারা সাইবার হামলা চালায়। গ্রুপ-আইবির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গোষ্ঠীটি কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে টার্গেট না করে নির্দিষ্টভাবে একটি দেশকে টার্গেট করে কাজ করে থাকে।
সাধারণত পূর্ণাঙ্গ সাইবার আক্রমণ চালানোর আগে হ্যাকভিস্টেরা ছোট আকারে পরীক্ষামূলক আক্রমণ চালায়। এসব ছোট ছোট আক্রমণের মাধ্যমে তাঁরা মূলত তাদের ডিস্ট্রিবিউটেড ডিনায়াল-অব-সার্ভিস হামলা চালানোর বিপরীতে প্রতিপক্ষের প্রতিরোধক্ষমতা কেমন তা যাচাই করে থাকে।
বিষয়টি মূল্যায়ন করতে গিয়ে গ্রুপ-আইবির গবেষকেরা বলছেন, ‘হ্যাকটিভিজমের হুমকিকে প্রায়ই অবমূল্যায়ন করা হয়। হ্যাকটিভিস্টরা প্রায়ই গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো সুবিধা, টেলিকম কোম্পানি, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি সংস্থাগুলোকে টার্গেট করে থাকে। র্যানসমওয়্যারের মতো হ্যাকটিভিস্টরা আলোচনায় জড়িত হয় না। তাদের ক্রিয়াকলাপ মূলত গুরুত্বপূর্ণ সিস্টেমগুলোকে ব্যাহত করার উদ্দেশ্যেই করা হয়, যার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত সংস্থাগুলোর ব্যাপক আর্থিক ক্ষতি এবং সুনামহানি হতে পারে।’

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া এক প্রতিবেদনে দাবি করেছে, বাংলাদেশের একটি হ্যাকার গ্রুপ ভারতের বিভিন্ন খাতে সাইবার হামলা তথা হ্যাকিং চালাচ্ছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিস্ট্রিয়াস টিম বাংলাদেশ নামে পরিচিত ওই হ্যাকভিস্টরা (যারা সাধারণত কারও মনোযোগ আকর্ষণের জন্য হ্যাকিংকে মাধ্যম হিসেবে বেছে নেয়) ভারতের বিভিন্ন সেক্টরের ওয়েবসাইটে ডিস্ট্রিবিউটেড ডিনায়াল-অব-সার্ভিস (ডিডিওএস) হামলা চালিয়েছে।
টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে মিস্ট্রিয়াস টিম বাংলাদেশ নামের ওই হ্যাকার গোষ্ঠীকে রাজনৈতিক এবং ধর্মীয় কারণে উদ্যোগী হয়ে গড়ে ওঠা গোষ্ঠী বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে।
সিঙ্গাপুরভিত্তিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান গ্রুপ-আইবি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২২ সালের জুন মাস থেকে মিস্ট্রিয়াস টিম বাংলাদেশ ভারতীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে ৭৫০ বারেরও বেশি সাইবার হামলা চালিয়েছে। বিশেষ করে সরকারি, আর্থিক ও পরিবহন খাতের ওয়েবসাইট এই হামলার শিকার বেশি হয়েছে।
বলা হয়ে থাকে, মিস্ট্রিয়াস টিম বাংলাদেশ ২০২০ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও তাঁরা বিশ্ববাসীর নজর কাড়তে শুরু করে ২০২২ সালে। সে বছর ভারত, ইসরায়েল এবং বিশ্বের আরও কয়েকটি দেশে তারা সাইবার হামলা চালায়। গ্রুপ-আইবির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গোষ্ঠীটি কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে টার্গেট না করে নির্দিষ্টভাবে একটি দেশকে টার্গেট করে কাজ করে থাকে।
সাধারণত পূর্ণাঙ্গ সাইবার আক্রমণ চালানোর আগে হ্যাকভিস্টেরা ছোট আকারে পরীক্ষামূলক আক্রমণ চালায়। এসব ছোট ছোট আক্রমণের মাধ্যমে তাঁরা মূলত তাদের ডিস্ট্রিবিউটেড ডিনায়াল-অব-সার্ভিস হামলা চালানোর বিপরীতে প্রতিপক্ষের প্রতিরোধক্ষমতা কেমন তা যাচাই করে থাকে।
বিষয়টি মূল্যায়ন করতে গিয়ে গ্রুপ-আইবির গবেষকেরা বলছেন, ‘হ্যাকটিভিজমের হুমকিকে প্রায়ই অবমূল্যায়ন করা হয়। হ্যাকটিভিস্টরা প্রায়ই গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো সুবিধা, টেলিকম কোম্পানি, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি সংস্থাগুলোকে টার্গেট করে থাকে। র্যানসমওয়্যারের মতো হ্যাকটিভিস্টরা আলোচনায় জড়িত হয় না। তাদের ক্রিয়াকলাপ মূলত গুরুত্বপূর্ণ সিস্টেমগুলোকে ব্যাহত করার উদ্দেশ্যেই করা হয়, যার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত সংস্থাগুলোর ব্যাপক আর্থিক ক্ষতি এবং সুনামহানি হতে পারে।’

লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
২ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৩ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৪ ঘণ্টা আগে
লাতিন আমেরিকায় দেশ ভেনেজুয়েলায় নজিরবিহীন সামরিক হস্তক্ষেপের পর নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে কিউবার প্রেসিডেন্ট করার একটি প্রস্তাবের জবাবে ট্রাম্প বলেছেন, বিষয়টি তাঁর কাছে বেশ পছন্দ হয়েছে। আজ রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল
৪ ঘণ্টা আগে