কলকাতা প্রতিনিধি

ভারতের গুজরাট বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফা ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে আজ বৃহস্পতিবার। ১৮২ সদস্যের বিধানসভার ৮৯টি আসনে ভোটগ্রহণ হয়েছে আজ। নির্বাচনের দিনও মোদির কথার বাণ থেকে রেহাই পায়নি ভারতের সবচেয়ে পুরোনো রাজনৈতিক দল কংগ্রেস। তাঁর অভিযোগ, কংগ্রেস নেতাদের মধ্যে দেশের প্রধানমন্ত্রীকে অসম্মান করার প্রতিযোগিতা চলছে।
গুজরাট বিধানসভা নির্বাচনে ৭৮৮ জন প্রার্থী থাকলেও মূল লড়াই বিজেপি, কংগ্রেস ও আম আদমি পার্টির মধ্যে। লড়াইয়ের ইঙ্গিত থাকলেও বিজেপি টানা সপ্তমবারের মতো গুজরাটে সরকার গড়ার বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী। টানা ২৭ বছর ধরে বিজেপি শাসিত গুজরাটের ঘরের ছেলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তাই এই রাজ্যের ভোট বিজেপির কাছে মর্যাদার লড়াই। গুজরাটে দ্বিতীয় দফায় ভোট গ্রহণ হবে আগামী ৫ ডিসেম্বর। পরে ৮ ডিসেম্বর বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার রাজ্য হিমাচল ও গুজরাটের নির্বাচনের ফল প্রকাশ করা হবে।
গুজরাট বিধানসভার দ্বিতীয় দফার ভোটের প্রচার করতে গিয়ে আজ কংগ্রেসের কড়া সমালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। তাঁর অভিযোগ, ‘কংগ্রেস নেতাদের মধ্যে দেশের প্রধানমন্ত্রীকে অসম্মান করার প্রতিযোগিতা চলছে।’
সম্প্রতি কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে গুজরাটে ভোট প্রচারে গিয়ে রামায়ণে বর্ণিত রাবণের দশ মাথার সঙ্গে মোদীর ১০০ মাথা রয়েছে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তারই জবাবে আজ মোদি পাল্টা মন্তব্য করেন, ‘ভগবান রামের ভক্তদের রাজ্যে এসে মল্লিকার্জুন তাঁদের ভাবাবেগে আঘাত করেছেন।’ একই সঙ্গে কংগ্রেস নেতাদের ভাষার ব্যবহার নিয়েও কটাক্ষ করেন তিনি। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর দাবি, উন্নয়নের নিরিখেই ভোট দেবে গুজরাটের মানুষ।
তবে কংগ্রেসের অভিযোগ, বিজেপির বিভাজনের রাজনীতির বিরুদ্ধে মানুষ এবার সংঘবদ্ধ জবাব দেবে। আম আদমি পার্টির দাবি, গুজরাটে তারাই সরকার গড়বে। কংগ্রেস অবশ্য আম আদমি পার্টিকে বিজেপির বি-টিম বলে কটাক্ষ করছে। তবে বিরোধী ভোট দুভাগ হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যাওয়ায় আবারও সরকার গঠনে আত্মবিশ্বাসী বিজেপি।

ভারতের গুজরাট বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফা ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে আজ বৃহস্পতিবার। ১৮২ সদস্যের বিধানসভার ৮৯টি আসনে ভোটগ্রহণ হয়েছে আজ। নির্বাচনের দিনও মোদির কথার বাণ থেকে রেহাই পায়নি ভারতের সবচেয়ে পুরোনো রাজনৈতিক দল কংগ্রেস। তাঁর অভিযোগ, কংগ্রেস নেতাদের মধ্যে দেশের প্রধানমন্ত্রীকে অসম্মান করার প্রতিযোগিতা চলছে।
গুজরাট বিধানসভা নির্বাচনে ৭৮৮ জন প্রার্থী থাকলেও মূল লড়াই বিজেপি, কংগ্রেস ও আম আদমি পার্টির মধ্যে। লড়াইয়ের ইঙ্গিত থাকলেও বিজেপি টানা সপ্তমবারের মতো গুজরাটে সরকার গড়ার বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী। টানা ২৭ বছর ধরে বিজেপি শাসিত গুজরাটের ঘরের ছেলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তাই এই রাজ্যের ভোট বিজেপির কাছে মর্যাদার লড়াই। গুজরাটে দ্বিতীয় দফায় ভোট গ্রহণ হবে আগামী ৫ ডিসেম্বর। পরে ৮ ডিসেম্বর বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার রাজ্য হিমাচল ও গুজরাটের নির্বাচনের ফল প্রকাশ করা হবে।
গুজরাট বিধানসভার দ্বিতীয় দফার ভোটের প্রচার করতে গিয়ে আজ কংগ্রেসের কড়া সমালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। তাঁর অভিযোগ, ‘কংগ্রেস নেতাদের মধ্যে দেশের প্রধানমন্ত্রীকে অসম্মান করার প্রতিযোগিতা চলছে।’
সম্প্রতি কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে গুজরাটে ভোট প্রচারে গিয়ে রামায়ণে বর্ণিত রাবণের দশ মাথার সঙ্গে মোদীর ১০০ মাথা রয়েছে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তারই জবাবে আজ মোদি পাল্টা মন্তব্য করেন, ‘ভগবান রামের ভক্তদের রাজ্যে এসে মল্লিকার্জুন তাঁদের ভাবাবেগে আঘাত করেছেন।’ একই সঙ্গে কংগ্রেস নেতাদের ভাষার ব্যবহার নিয়েও কটাক্ষ করেন তিনি। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর দাবি, উন্নয়নের নিরিখেই ভোট দেবে গুজরাটের মানুষ।
তবে কংগ্রেসের অভিযোগ, বিজেপির বিভাজনের রাজনীতির বিরুদ্ধে মানুষ এবার সংঘবদ্ধ জবাব দেবে। আম আদমি পার্টির দাবি, গুজরাটে তারাই সরকার গড়বে। কংগ্রেস অবশ্য আম আদমি পার্টিকে বিজেপির বি-টিম বলে কটাক্ষ করছে। তবে বিরোধী ভোট দুভাগ হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যাওয়ায় আবারও সরকার গঠনে আত্মবিশ্বাসী বিজেপি।

চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
৭ মিনিট আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
২৫ মিনিট আগে
চলতি মাসের শুরুতে জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের পক্ষ থেকে মসজিদসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে চার পাতার একটি ফরম বিতরণ করা হয়। এর শিরোনাম ছিল—‘মসজিদের প্রোফাইলিং’। কিন্তু ভারত সরকারের এই উদ্যোগ কাশ্মীরের মুসলিম-অধ্যুষিত অঞ্চলগুলোর মানুষের মধ্যে তৈরি করেছে একধরনের উদ্বেগ।
১ ঘণ্টা আগে
ভারতে ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় এবার নজিরবিহীন বিতর্কের সৃষ্টি হলো। খোদ নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর প্রপৌত্র (নাতির ছেলে) চন্দ্র বসুকে নাগরিকত্বের প্রমাণ যাচাইয়ের জন্য ‘এসআইআর’ শুনানিতে তলব করেছে নির্বাচন কমিশন। এই নোটিস পাওয়া মাত্রই তীব্র বিস্ময় ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাবেক এই বিজেপি নেতা।
৪ ঘণ্টা আগে