
বুধবার (৯ অক্টোবর) রাতে ৮৬ বছর বয়সে মারা গেছেন ভারতের বিশিষ্ট শিল্পপতি রতন টাটা। ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খুব কমই বলতে শোনা গেছে সারা জীবন চিরকুমার থাকা এই ব্যবসায়ী অন্ত প্রাণকে। তবে প্রায় পাঁচ বছর আগে যুক্তরাষ্ট্রে থাকা অবস্থায় তিনি একবার প্রথম প্রেমের গল্প করেছিলেন। এই প্রেম নাকি প্রায় বিয়েতে গড়াতে যাচ্ছিল!
টাটা জানিয়েছিলেন, প্রেমের সেই ঘটনাটি লস অ্যাঞ্জেলেসে ঘটেছিল। কলেজ শেষ করে তিনি তখন সবেমাত্র একটি আর্কিটেকচার ফার্মে চাকরি শুরু করেছিলেন।
ভারতীয় জি-নিউজ জানিয়েছে, টাটা যে সময়টির কথা উল্লেখ করেছেন, সেই সময়টি ছিল ১৯৬০-এর দশকের শুরুর দিক। লস অ্যাঞ্জেলেসের সময়গুলো দুর্দান্ত কাটছিল বয়স ২০-এর কোঠায় থাকা যুবক টাটার। সেখানে আবহাওয়া ছিল সুন্দর। চাকরিটিও ছিল নিজের পছন্দমতো।
রতন টাটার ভাষ্যমতে, প্রেম প্রায় বিয়েতে গড়াতে যাবে, এমন সময়ই দাদির টানে তিনি ভারতে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। অন্তত কিছুদিনের জন্য হলেও তিনি ভারতে ফিরতে চেয়েছিলেন। তিনি আশা করেছিলেন, যাকে বিয়ে করবেন, তিনিও তাঁর সঙ্গে ভারতে চলে যাবেন। কিন্তু পরে এই আশা ভেঙে যায় টাটার। ১৯৬২ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের কারণে সেই প্রেমিকার পরিবার কিছুতেই কন্যাকে ভারতে পাঠাতে রাজি হলো না।
প্রথম প্রেমের পর জীবনে আরও কয়েকবার বিয়ের কাছাকাছি এসেছিলেন সদ্য প্রয়াত শিল্পপতি। কিন্তু বিভিন্ন কারণে এগুলো আর হয়ে ওঠেনি। বিশাল ব্যবসায়িক সাম্রাজ্য দেখাশোনার কাজেই নিজেকে সমর্পণ করেছিলেন তিনি।
তবে এতে কোনো আক্ষেপ নেই জানিয়ে টাটা বলেছিলেন, ‘আমার একটি সুখী শৈশব ছিল। কিন্তু আমার ভাই (জিমি) এবং আমি বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের বাবা-মায়ের (নেভাল এইচ টাটা এবং সুনি টাটা) বিবাহবিচ্ছেদের কারণে আমরা কিছুটা ব্যক্তিগত অস্বস্তির মুখোমুখি হয়েছিলাম। সেই দিনগুলোতে বিষয়টি আজকের দিনের মতো সাধারণ ছিল না।’
টাটার মা আবার বিয়ে করেছিলেন। স্কুলের ছেলেরা এ নিয়ে নানা ধরনের কথা বলতে শুরু করেছিল। তবে তাঁর দাদি নাভাজবাই টাটা তাঁদের দুই ভাইকে বড় করেছিলেন এবং তাঁদের সব সময় মর্যাদা বজায় রাখতে শিখিয়েছিলেন।

বুধবার (৯ অক্টোবর) রাতে ৮৬ বছর বয়সে মারা গেছেন ভারতের বিশিষ্ট শিল্পপতি রতন টাটা। ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খুব কমই বলতে শোনা গেছে সারা জীবন চিরকুমার থাকা এই ব্যবসায়ী অন্ত প্রাণকে। তবে প্রায় পাঁচ বছর আগে যুক্তরাষ্ট্রে থাকা অবস্থায় তিনি একবার প্রথম প্রেমের গল্প করেছিলেন। এই প্রেম নাকি প্রায় বিয়েতে গড়াতে যাচ্ছিল!
টাটা জানিয়েছিলেন, প্রেমের সেই ঘটনাটি লস অ্যাঞ্জেলেসে ঘটেছিল। কলেজ শেষ করে তিনি তখন সবেমাত্র একটি আর্কিটেকচার ফার্মে চাকরি শুরু করেছিলেন।
ভারতীয় জি-নিউজ জানিয়েছে, টাটা যে সময়টির কথা উল্লেখ করেছেন, সেই সময়টি ছিল ১৯৬০-এর দশকের শুরুর দিক। লস অ্যাঞ্জেলেসের সময়গুলো দুর্দান্ত কাটছিল বয়স ২০-এর কোঠায় থাকা যুবক টাটার। সেখানে আবহাওয়া ছিল সুন্দর। চাকরিটিও ছিল নিজের পছন্দমতো।
রতন টাটার ভাষ্যমতে, প্রেম প্রায় বিয়েতে গড়াতে যাবে, এমন সময়ই দাদির টানে তিনি ভারতে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। অন্তত কিছুদিনের জন্য হলেও তিনি ভারতে ফিরতে চেয়েছিলেন। তিনি আশা করেছিলেন, যাকে বিয়ে করবেন, তিনিও তাঁর সঙ্গে ভারতে চলে যাবেন। কিন্তু পরে এই আশা ভেঙে যায় টাটার। ১৯৬২ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের কারণে সেই প্রেমিকার পরিবার কিছুতেই কন্যাকে ভারতে পাঠাতে রাজি হলো না।
প্রথম প্রেমের পর জীবনে আরও কয়েকবার বিয়ের কাছাকাছি এসেছিলেন সদ্য প্রয়াত শিল্পপতি। কিন্তু বিভিন্ন কারণে এগুলো আর হয়ে ওঠেনি। বিশাল ব্যবসায়িক সাম্রাজ্য দেখাশোনার কাজেই নিজেকে সমর্পণ করেছিলেন তিনি।
তবে এতে কোনো আক্ষেপ নেই জানিয়ে টাটা বলেছিলেন, ‘আমার একটি সুখী শৈশব ছিল। কিন্তু আমার ভাই (জিমি) এবং আমি বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের বাবা-মায়ের (নেভাল এইচ টাটা এবং সুনি টাটা) বিবাহবিচ্ছেদের কারণে আমরা কিছুটা ব্যক্তিগত অস্বস্তির মুখোমুখি হয়েছিলাম। সেই দিনগুলোতে বিষয়টি আজকের দিনের মতো সাধারণ ছিল না।’
টাটার মা আবার বিয়ে করেছিলেন। স্কুলের ছেলেরা এ নিয়ে নানা ধরনের কথা বলতে শুরু করেছিল। তবে তাঁর দাদি নাভাজবাই টাটা তাঁদের দুই ভাইকে বড় করেছিলেন এবং তাঁদের সব সময় মর্যাদা বজায় রাখতে শিখিয়েছিলেন।

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৫ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৮ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৮ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৯ ঘণ্টা আগে