
ভারতের কেন্দ্রীয় রাজধানী দিল্লিতে অবস্থানরত অবৈধ বাংলাদেশিদের খুঁজছে পুলিশ। দিল্লি পুলিশের বরাত দিয়ে ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআই জানিয়েছে, অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসীদের খুঁজে বের করতে এবং তাদের তথ্য সংগ্রহের জন্য থানাগুলোতে বিশেষ ইউনিট গঠন করা হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ডেকান হেরাল্ডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দিল্লির আউটার জেলার পুলিশ বৈধ নথি ছাড়া বসবাসকারী অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসীদের শনাক্ত, আটক এবং তাদের দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে। দেশে বৈধ ভারতীয় নথি ছাড়া বসবাসকারী বাংলাদেশি অভিবাসীদের সংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগের পরিপ্রেক্ষিতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসীদের খুঁজে বের করার জন্য খোঁজ করতে এবং তথ্য সংগ্রহ করতে থানাগুলোর পাশাপাশি বিশেষ ইউনিটের দল গঠন করা হয়েছে। এই দলগুলো অবৈধ অভিবাসীদের আটকের পাশাপাশি তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে এবং তাদের নথিপত্রও সতর্কতার সঙ্গে যাচাই করছে।
এর আগে, বাংলাদেশে অভিবাসীদের নিয়ে কড়া নির্দেশনা দেয় দিল্লি পৌর কর্তৃপক্ষ। দিল্লি পৌর করপোরেশনের (এমসিডি) এক নির্দেশিকায় বলা হয়, অঞ্চলটির বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে থাকা অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসীদের সন্তানদের শনাক্ত করতে হবে। পাশাপাশি, দিল্লির বিভিন্ন অঞ্চলে বাংলাদেশি অভিবাসীরা যেসব জমি ‘দখল’ করে রেখেছে, তা উদ্ধারে যথাযথ ব্যবস্থাও নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়।
এ ছাড়া, দিল্লি পৌর করপোরেশন সব অঞ্চলের জন্য একটি নির্দেশিকা দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসীদের দখলকৃত জমি থেকে অবৈধ দখল সরিয়ে ফেলার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। গত ১২ ডিসেম্বর গভর্নমেন্ট অব ন্যাশনাল ক্যাপিটাল টেরিটরি দিল্লির (জিএনসিটিডি) স্বরাষ্ট্রবিষয়ক প্রধান সচিবের সভাপতিত্বে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে অতিরিক্ত কমিশনার (হেডকোয়ার্টার) ও ডেপুটি কমিশনার (হেডকোয়ার্টার) এমসিডির কমিশনারের প্রতিনিধিত্ব করেন। বৈঠকে আলোচনার পর এমসিডির সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধান ও আঞ্চলিক কর্তৃপক্ষকে কিছু প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
অপরদিকে, ‘অবৈধ বাংলাদেশি’দের জন্য ভারতে ডিটেনশন সেন্টার বা বন্দিশালা তৈরির ঘোষণা দেওয়া হয়েছে মহারাষ্ট্রে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিস এ ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, অবৈধ বাংলাদেশিদের জন্য মুম্বাইয়ে ভালো ডিটেনশন সেন্টার তৈরি করা হবে।
মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিস বলেছেন, অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসীদের আটক রাখার জন্য মুম্বাইয়ে একটি ভালো ডিটেনশন সেন্টার বা বন্দিশালা তৈরি করা হবে, কারণ তাদের সরাসরি কারাগারে রাখা যাবে না।
ফড়নবিস বলেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে আমরা দেখেছি, অনেকে মাদকের মামলায়, অনেকে অবৈধ প্রবেশের মামলায় গ্রেপ্তার হওয়ার পাশাপাশি অবৈধ বাংলাদেশিরাও গ্রেপ্তার হচ্ছেন। তাঁরা সবাই বিদেশি নাগরিক এবং তাঁদের সরাসরি আমাদের জেলে রাখা যায় না। তাঁদের ডিটেনশন ক্যাম্পে রাখতে হয়, তাই বৃহন্মুম্বাই মিউনিসিপ্যাল করপোরেশন (বিএমসি) আমাদের ডিটেনশন ক্যাম্প তৈরির জন্য জমি দিয়েছে। কিন্তু সেই জমি ডিটেনশন ক্যাম্পের নিয়ম মেনে চলে না। তাই আমরা বিএমসির কাছে অন্য জমি চেয়েছি। যেন মুম্বাইয়ে একটি ভালো ডিটেনশন সেন্টার তৈরি করা যায়।’
এর আগে থানে পুলিশের মানবপাচারবিরোধী সেল রাজ্যটির কল্যাণে অবৈধভাবে বসবাসকারী এক বাংলাদেশি দম্পতিকে গ্রেপ্তার করে বলে কর্মকর্তারা জানান। থানে পুলিশ জানিয়েছে, সবুজ সানোয়ার শেখ এবং বিশতি সবুজ শেখ নামে এই দম্পতি অবৈধভাবে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত অতিক্রম করেছিলেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়। পুলিশ আরও জানিয়েছে, এই দম্পতির বিরুদ্ধে পাসপোর্ট আইন এবং ফরেনার্স অ্যাক্টের বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের করেছে থানে পুলিশের অপরাধ শাখা।

ভারতের কেন্দ্রীয় রাজধানী দিল্লিতে অবস্থানরত অবৈধ বাংলাদেশিদের খুঁজছে পুলিশ। দিল্লি পুলিশের বরাত দিয়ে ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআই জানিয়েছে, অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসীদের খুঁজে বের করতে এবং তাদের তথ্য সংগ্রহের জন্য থানাগুলোতে বিশেষ ইউনিট গঠন করা হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ডেকান হেরাল্ডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দিল্লির আউটার জেলার পুলিশ বৈধ নথি ছাড়া বসবাসকারী অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসীদের শনাক্ত, আটক এবং তাদের দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে। দেশে বৈধ ভারতীয় নথি ছাড়া বসবাসকারী বাংলাদেশি অভিবাসীদের সংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগের পরিপ্রেক্ষিতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসীদের খুঁজে বের করার জন্য খোঁজ করতে এবং তথ্য সংগ্রহ করতে থানাগুলোর পাশাপাশি বিশেষ ইউনিটের দল গঠন করা হয়েছে। এই দলগুলো অবৈধ অভিবাসীদের আটকের পাশাপাশি তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে এবং তাদের নথিপত্রও সতর্কতার সঙ্গে যাচাই করছে।
এর আগে, বাংলাদেশে অভিবাসীদের নিয়ে কড়া নির্দেশনা দেয় দিল্লি পৌর কর্তৃপক্ষ। দিল্লি পৌর করপোরেশনের (এমসিডি) এক নির্দেশিকায় বলা হয়, অঞ্চলটির বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে থাকা অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসীদের সন্তানদের শনাক্ত করতে হবে। পাশাপাশি, দিল্লির বিভিন্ন অঞ্চলে বাংলাদেশি অভিবাসীরা যেসব জমি ‘দখল’ করে রেখেছে, তা উদ্ধারে যথাযথ ব্যবস্থাও নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়।
এ ছাড়া, দিল্লি পৌর করপোরেশন সব অঞ্চলের জন্য একটি নির্দেশিকা দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসীদের দখলকৃত জমি থেকে অবৈধ দখল সরিয়ে ফেলার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। গত ১২ ডিসেম্বর গভর্নমেন্ট অব ন্যাশনাল ক্যাপিটাল টেরিটরি দিল্লির (জিএনসিটিডি) স্বরাষ্ট্রবিষয়ক প্রধান সচিবের সভাপতিত্বে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে অতিরিক্ত কমিশনার (হেডকোয়ার্টার) ও ডেপুটি কমিশনার (হেডকোয়ার্টার) এমসিডির কমিশনারের প্রতিনিধিত্ব করেন। বৈঠকে আলোচনার পর এমসিডির সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধান ও আঞ্চলিক কর্তৃপক্ষকে কিছু প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
অপরদিকে, ‘অবৈধ বাংলাদেশি’দের জন্য ভারতে ডিটেনশন সেন্টার বা বন্দিশালা তৈরির ঘোষণা দেওয়া হয়েছে মহারাষ্ট্রে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিস এ ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, অবৈধ বাংলাদেশিদের জন্য মুম্বাইয়ে ভালো ডিটেনশন সেন্টার তৈরি করা হবে।
মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিস বলেছেন, অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসীদের আটক রাখার জন্য মুম্বাইয়ে একটি ভালো ডিটেনশন সেন্টার বা বন্দিশালা তৈরি করা হবে, কারণ তাদের সরাসরি কারাগারে রাখা যাবে না।
ফড়নবিস বলেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে আমরা দেখেছি, অনেকে মাদকের মামলায়, অনেকে অবৈধ প্রবেশের মামলায় গ্রেপ্তার হওয়ার পাশাপাশি অবৈধ বাংলাদেশিরাও গ্রেপ্তার হচ্ছেন। তাঁরা সবাই বিদেশি নাগরিক এবং তাঁদের সরাসরি আমাদের জেলে রাখা যায় না। তাঁদের ডিটেনশন ক্যাম্পে রাখতে হয়, তাই বৃহন্মুম্বাই মিউনিসিপ্যাল করপোরেশন (বিএমসি) আমাদের ডিটেনশন ক্যাম্প তৈরির জন্য জমি দিয়েছে। কিন্তু সেই জমি ডিটেনশন ক্যাম্পের নিয়ম মেনে চলে না। তাই আমরা বিএমসির কাছে অন্য জমি চেয়েছি। যেন মুম্বাইয়ে একটি ভালো ডিটেনশন সেন্টার তৈরি করা যায়।’
এর আগে থানে পুলিশের মানবপাচারবিরোধী সেল রাজ্যটির কল্যাণে অবৈধভাবে বসবাসকারী এক বাংলাদেশি দম্পতিকে গ্রেপ্তার করে বলে কর্মকর্তারা জানান। থানে পুলিশ জানিয়েছে, সবুজ সানোয়ার শেখ এবং বিশতি সবুজ শেখ নামে এই দম্পতি অবৈধভাবে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত অতিক্রম করেছিলেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়। পুলিশ আরও জানিয়েছে, এই দম্পতির বিরুদ্ধে পাসপোর্ট আইন এবং ফরেনার্স অ্যাক্টের বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের করেছে থানে পুলিশের অপরাধ শাখা।

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণের অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী একটি শক্তিশালী ‘সনিক উইপন’ (শব্দাস্ত্র) ব্যবহার করেছিল বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, অস্ত্রটি বিশেষ। এটা আর কারও কাছে নেই। একই সঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তির...
৭ ঘণ্টা আগে
গত বছরের জুলাইয়ে স্কটল্যান্ডের টার্নবেরিতে ট্রাম্প এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েনের মধ্যে এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল ইউরোপীয় পণ্যের ওপর মার্কিন শুল্ক ৩০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশ করা এবং লবস্টারসহ (একধরনের সামুদ্রিক মাছে) নির্দিষ্ট কিছু মার্কিন পণ্যের
৯ ঘণ্টা আগে
ফোরামে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি মনে করি, আমরা একটি চুক্তির খুব কাছাকাছি আছি। আমি বিশ্বাস করি, তাঁরা এখন এমন এক জায়গায় আছে, যেখান থেকে এক হয়ে চুক্তি সম্পন্ন করতে পারে। আর যদি তাঁরা তা না করে, তবে তাঁরা স্টুপিড। আমি জানি তাঁরা আসলে নির্বোধ নন, কিন্তু এই সমাধান করতে না পারলে তাঁদের নির্বোধই বলতে হবে।’
৯ ঘণ্টা আগে
বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনে আবারও গ্রিনল্যান্ড দখলের ঘোষণা দিয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আজ বুধবার ফোরামে দেওয়া ভাষণে তিনি গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে আনার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন এবং ইউরোপীয় মিত্রদের প্রতি হুঁশিয়ারি...
৯ ঘণ্টা আগে