কলকাতা প্রতিনিধি

বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভারতের মণিপুর রাজ্যে বিজেপির দলীয় কোন্দল তীব্র হয়েছে। রাজধানী ইম্ফল থেকে শুরু করে বিভিন্ন জায়গায় বিজেপির পার্টি অফিসে ভাঙচুর চলছে। রাস্তায় নেমে দলীয় পতাকার পাশাপাশি বিজেপি কর্মীরাই দলীয় পতাকা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কুশপুত্তলিকা পুড়িয়েছে।
আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি ও ৩ মার্চ ৬০ সদস্যের মণিপুরে বিধানসভার ভোট। আজ রোববার রাজ্যের সব কটি কেন্দ্রের জন্য দলের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে বিজেপি। আর তালিকা প্রকাশিত হতেই বিক্ষোভে ফেটে পড়েন মনোনয়ন-বঞ্চিতরা।
রাজধানী ইম্ফলে বিজেপি পার্টির অফিসের সামনে মোতায়েন করা হয়েছে প্যারামিলিটারি বাহিনী। কারণ এদিন ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভুপেন্দ্র যাদব মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং-কে পাশে বসিয়ে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করতেই শুরু হয় ভাঙচুর।
বিজেপির প্রার্থী তালিকায় দলীয় নেতাদের বঞ্চিত করে কংগ্রেসের ১০ জনকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ বিক্ষোভকারীদের। দলের নেতৃত্বকে বিশ্বাসঘাতক ও প্রতারক বলেও স্লোগান দেন তাঁরা।
ইম্ফল ছাড়াও রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে বিক্ষোভের আগুন। বিপর্যস্ত হয় আইন-শৃঙ্খলা। পুলিশ ও আধা সেনা হিমশিম খায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, দলের নেতারা অর্থের বিনিময়ে বিক্রি করেছে দলীয় মনোনয়ন।
অশান্তির আঁচ অবশ্য বিজেপি নেতারা আগেই পেয়েছিলেন বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অনুমান। তাই কংগ্রেস ২২ তারিখেই ৪০টি কেন্দ্রের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করলেও বিজেপি এতদিন সময় নেয়।
উল্লেখ্য, গতবার মণিপুরে কংগ্রেস বৃহত্তম দল হয়েও সরকার গড়তে পারেনি। কংগ্রেসকে ভাঙিয়ে আঞ্চলিক দল এনপিপি, এনপিএফ ও তৃণমূলের সমর্থন নিয়ে সরকার চালায় বিজেপি।তবে বিজেপির সঙ্গে কারও জোট হয়নি। কংগ্রেস অবশ্য বামপন্থী দলগুলির সঙ্গে জোট করেছে মণিপুরে। আঞ্চলিক দলগুলোও আলাদা লড়ছে।
গত পাঁচ বছরে ভেঙে চুরমার হয়েছে কংগ্রেস। বিজেপিও ভেঙেছে। দলবদলের জন্য প্রসিদ্ধ মণিপুর। এখন দেখার এই বিক্ষোভের কতটা মূল্য দিতে হয় বিজেপিকে।

বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভারতের মণিপুর রাজ্যে বিজেপির দলীয় কোন্দল তীব্র হয়েছে। রাজধানী ইম্ফল থেকে শুরু করে বিভিন্ন জায়গায় বিজেপির পার্টি অফিসে ভাঙচুর চলছে। রাস্তায় নেমে দলীয় পতাকার পাশাপাশি বিজেপি কর্মীরাই দলীয় পতাকা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কুশপুত্তলিকা পুড়িয়েছে।
আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি ও ৩ মার্চ ৬০ সদস্যের মণিপুরে বিধানসভার ভোট। আজ রোববার রাজ্যের সব কটি কেন্দ্রের জন্য দলের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে বিজেপি। আর তালিকা প্রকাশিত হতেই বিক্ষোভে ফেটে পড়েন মনোনয়ন-বঞ্চিতরা।
রাজধানী ইম্ফলে বিজেপি পার্টির অফিসের সামনে মোতায়েন করা হয়েছে প্যারামিলিটারি বাহিনী। কারণ এদিন ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভুপেন্দ্র যাদব মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং-কে পাশে বসিয়ে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করতেই শুরু হয় ভাঙচুর।
বিজেপির প্রার্থী তালিকায় দলীয় নেতাদের বঞ্চিত করে কংগ্রেসের ১০ জনকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ বিক্ষোভকারীদের। দলের নেতৃত্বকে বিশ্বাসঘাতক ও প্রতারক বলেও স্লোগান দেন তাঁরা।
ইম্ফল ছাড়াও রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে বিক্ষোভের আগুন। বিপর্যস্ত হয় আইন-শৃঙ্খলা। পুলিশ ও আধা সেনা হিমশিম খায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, দলের নেতারা অর্থের বিনিময়ে বিক্রি করেছে দলীয় মনোনয়ন।
অশান্তির আঁচ অবশ্য বিজেপি নেতারা আগেই পেয়েছিলেন বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অনুমান। তাই কংগ্রেস ২২ তারিখেই ৪০টি কেন্দ্রের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করলেও বিজেপি এতদিন সময় নেয়।
উল্লেখ্য, গতবার মণিপুরে কংগ্রেস বৃহত্তম দল হয়েও সরকার গড়তে পারেনি। কংগ্রেসকে ভাঙিয়ে আঞ্চলিক দল এনপিপি, এনপিএফ ও তৃণমূলের সমর্থন নিয়ে সরকার চালায় বিজেপি।তবে বিজেপির সঙ্গে কারও জোট হয়নি। কংগ্রেস অবশ্য বামপন্থী দলগুলির সঙ্গে জোট করেছে মণিপুরে। আঞ্চলিক দলগুলোও আলাদা লড়ছে।
গত পাঁচ বছরে ভেঙে চুরমার হয়েছে কংগ্রেস। বিজেপিও ভেঙেছে। দলবদলের জন্য প্রসিদ্ধ মণিপুর। এখন দেখার এই বিক্ষোভের কতটা মূল্য দিতে হয় বিজেপিকে।

চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
২ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
৩ ঘণ্টা আগে
চলতি মাসের শুরুতে জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের পক্ষ থেকে মসজিদসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে চার পাতার একটি ফরম বিতরণ করা হয়। এর শিরোনাম ছিল—‘মসজিদের প্রোফাইলিং’। কিন্তু ভারত সরকারের এই উদ্যোগ কাশ্মীরের মুসলিম-অধ্যুষিত অঞ্চলগুলোর মানুষের মধ্যে তৈরি করেছে একধরনের উদ্বেগ।
৩ ঘণ্টা আগে
ভারতে ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় এবার নজিরবিহীন বিতর্কের সৃষ্টি হলো। খোদ নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর প্রপৌত্র (নাতির ছেলে) চন্দ্র বসুকে নাগরিকত্বের প্রমাণ যাচাইয়ের জন্য ‘এসআইআর’ শুনানিতে তলব করেছে নির্বাচন কমিশন। এই নোটিস পাওয়া মাত্রই তীব্র বিস্ময় ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাবেক এই বিজেপি নেতা।
৬ ঘণ্টা আগে