
নিজের মেয়ে ও তাঁর স্বামীকে নদীকে ছুড়ে ফেলার আহ্বান জানিয়েছেন ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্য সরকারের এক মন্ত্রী! মহারাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন মন্ত্রী প্রবীণ এনসিপি নেতা ধর্মরাওবাবা আত্রাম আহেরি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটারদের উদ্দেশে এমন আহ্বান জানিয়েছেন।
মেয়ে ভাগ্যশ্রী এবং জামাই ঋতুরাজ হালগেকরকে ‘বিশ্বাসঘাতকতার’ জন্য প্রাণহিতা নদীতে ফেলে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। প্রতিদ্বন্দ্বী শারদ পাওয়ারের নেতৃত্বাধীন এনসিপিতে যোগ দিতে পারেন এমন খবর সংবাদমাধ্যমে আসার পর নিজের মেয়ে ও জামাইকে নিয়ে এমন মন্তব্য করলেন তিনি।
মন্ত্রী আত্রাম দলের সর্বভারতীয় সভাপতি এবং উপ–মুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের উপস্থিতিতেই এমন মন্তব্য করেছেন। তিনি মহারাষ্ট্রের মহাজোট সরকারের মুখ্যমন্ত্রী ‘মাজি লাড়কি বহিন যোজনা’ এবং সরকারের অন্যান্য কল্যাণ ও উন্নয়নমূলক প্রকল্পের প্রচারে তাঁর ‘জনসমান যাত্রা’ চলাকালীন আহেরিতে অবস্থান করছিলেন।
আত্রামের তাঁর মেয়ের ওপর এতটা খেপে যাওয়ার কারণ হলো, নিজের মেয়ে হলে ভাগ্যশ্রী পক্ষ পরিবর্তন করেছেন এবং তাঁরই বিরুদ্ধে লড়তে এনসিপিতে (শারদ চন্দ্র পাওয়ার) যোগ দিতে চাচ্ছেন।
এমন বক্তব্য দিয়ে অবশ্য দলীয় কর্মী–সমর্থকদের ব্যাপক করতালি পেয়েছেন মন্ত্রী আত্রাম। তুমুল করতালি ও স্লোগানের মধ্যে তিনি বলেন, মানুষ দল ছেড়ে যায়, কিন্তু তাদের গুরুত্ব দেওয়ার দরকার নেই। আমাদের পরিবারের কিছু লোক আমার রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে অন্য দলে যোগ দিতে চায়। ৪০ বছর ধরে লোকেরা রাজ্য রাজনীতিতে দলত্যাগের কারসাজি করছে। এখন শারদ পাওয়ার গ্রুপের নেতারা আমার বাড়ি ভাগ করে আমার মেয়েকে আমার বিরুদ্ধে দাঁড় করাতে চায়। আমার জামাই ও মেয়েকে বিশ্বাস করবেন না।’
তিনি বলেন, ‘এই লোকেরা আমাকে ত্যাগ করেছে। সবাই যেন তাদের নিকটবর্তী প্রাণহিতা নদীতে ফেলে দেয়। তারা আমার মেয়েকে তাদের কাছে নিচ্ছে এবং তাকে তার বাবার বিরুদ্ধে দাঁড় করাচ্ছে। যে মেয়ে তার বাবার মেয়ে হতে পারেনি সে কীভাবে আপনার হবে? এটা নিয়ে ভাবতে হবে। সে আপনার কী বিচার করবে? তাদের বিশ্বাস করবেন না। রাজনীতিতে, আমি এটাকে আমার মেয়ে, ভাই বা বোন হিসেবে দেখব না।’
আত্রাম আগামী নির্বাচনে আহেরি বিধানসভা কেন্দ্র থেকে দলের মনোনীত প্রার্থী হতে পারেন বলে জোর গুঞ্জন রয়েছে।
তিনি বলেন, যদি একটি মেয়ে তাকে ত্যাগ করেই, অন্য মেয়েরা এখনো তাঁর সঙ্গে আছেন, তাঁর ছেলে, ভাই এবং চাচাতো ভাইয়ের ছেলেও সঙ্গে আছেন। মেয়েকে স্পষ্ট বার্তা দিয়ে বলেন, ‘পুরো পরিবার আমার পেছনে জড়ো হয়েছে। তিনি আগামী ভোট নিয়ে মোটেও চিন্তিত নন।’
এনসিপির সর্বভারতীয় সভাপতি অজিত পাওয়ার সম্প্রতি চাচা শারদ পাওয়ারকে ত্যাগ করেছেন। গত বছর বিজেপি এবং শিবসেনার সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন।

নিজের মেয়ে ও তাঁর স্বামীকে নদীকে ছুড়ে ফেলার আহ্বান জানিয়েছেন ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্য সরকারের এক মন্ত্রী! মহারাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন মন্ত্রী প্রবীণ এনসিপি নেতা ধর্মরাওবাবা আত্রাম আহেরি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটারদের উদ্দেশে এমন আহ্বান জানিয়েছেন।
মেয়ে ভাগ্যশ্রী এবং জামাই ঋতুরাজ হালগেকরকে ‘বিশ্বাসঘাতকতার’ জন্য প্রাণহিতা নদীতে ফেলে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। প্রতিদ্বন্দ্বী শারদ পাওয়ারের নেতৃত্বাধীন এনসিপিতে যোগ দিতে পারেন এমন খবর সংবাদমাধ্যমে আসার পর নিজের মেয়ে ও জামাইকে নিয়ে এমন মন্তব্য করলেন তিনি।
মন্ত্রী আত্রাম দলের সর্বভারতীয় সভাপতি এবং উপ–মুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের উপস্থিতিতেই এমন মন্তব্য করেছেন। তিনি মহারাষ্ট্রের মহাজোট সরকারের মুখ্যমন্ত্রী ‘মাজি লাড়কি বহিন যোজনা’ এবং সরকারের অন্যান্য কল্যাণ ও উন্নয়নমূলক প্রকল্পের প্রচারে তাঁর ‘জনসমান যাত্রা’ চলাকালীন আহেরিতে অবস্থান করছিলেন।
আত্রামের তাঁর মেয়ের ওপর এতটা খেপে যাওয়ার কারণ হলো, নিজের মেয়ে হলে ভাগ্যশ্রী পক্ষ পরিবর্তন করেছেন এবং তাঁরই বিরুদ্ধে লড়তে এনসিপিতে (শারদ চন্দ্র পাওয়ার) যোগ দিতে চাচ্ছেন।
এমন বক্তব্য দিয়ে অবশ্য দলীয় কর্মী–সমর্থকদের ব্যাপক করতালি পেয়েছেন মন্ত্রী আত্রাম। তুমুল করতালি ও স্লোগানের মধ্যে তিনি বলেন, মানুষ দল ছেড়ে যায়, কিন্তু তাদের গুরুত্ব দেওয়ার দরকার নেই। আমাদের পরিবারের কিছু লোক আমার রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে অন্য দলে যোগ দিতে চায়। ৪০ বছর ধরে লোকেরা রাজ্য রাজনীতিতে দলত্যাগের কারসাজি করছে। এখন শারদ পাওয়ার গ্রুপের নেতারা আমার বাড়ি ভাগ করে আমার মেয়েকে আমার বিরুদ্ধে দাঁড় করাতে চায়। আমার জামাই ও মেয়েকে বিশ্বাস করবেন না।’
তিনি বলেন, ‘এই লোকেরা আমাকে ত্যাগ করেছে। সবাই যেন তাদের নিকটবর্তী প্রাণহিতা নদীতে ফেলে দেয়। তারা আমার মেয়েকে তাদের কাছে নিচ্ছে এবং তাকে তার বাবার বিরুদ্ধে দাঁড় করাচ্ছে। যে মেয়ে তার বাবার মেয়ে হতে পারেনি সে কীভাবে আপনার হবে? এটা নিয়ে ভাবতে হবে। সে আপনার কী বিচার করবে? তাদের বিশ্বাস করবেন না। রাজনীতিতে, আমি এটাকে আমার মেয়ে, ভাই বা বোন হিসেবে দেখব না।’
আত্রাম আগামী নির্বাচনে আহেরি বিধানসভা কেন্দ্র থেকে দলের মনোনীত প্রার্থী হতে পারেন বলে জোর গুঞ্জন রয়েছে।
তিনি বলেন, যদি একটি মেয়ে তাকে ত্যাগ করেই, অন্য মেয়েরা এখনো তাঁর সঙ্গে আছেন, তাঁর ছেলে, ভাই এবং চাচাতো ভাইয়ের ছেলেও সঙ্গে আছেন। মেয়েকে স্পষ্ট বার্তা দিয়ে বলেন, ‘পুরো পরিবার আমার পেছনে জড়ো হয়েছে। তিনি আগামী ভোট নিয়ে মোটেও চিন্তিত নন।’
এনসিপির সর্বভারতীয় সভাপতি অজিত পাওয়ার সম্প্রতি চাচা শারদ পাওয়ারকে ত্যাগ করেছেন। গত বছর বিজেপি এবং শিবসেনার সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে চলতি জানুয়ারি মাসের মধ্যেই ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যে ঐতিহাসিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরিত হতে পারে। আজ সোমবার গুজরাটের আহমেদাবাদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্জ এই সম্ভাবনার কথা জানিয়ে...
৫ ঘণ্টা আগে
ইরানে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে—এমন আশঙ্কা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। ইন্টারনেট সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকলেও মোবাইল ফোনে ধারণ করা ভিডিও ও ছবি বাইরে আসতে শুরু করেছে।
৫ ঘণ্টা আগে
ইরানের রাজধানী তেহরানের ফরেনসিক ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড ল্যাবরেটরি সেন্টারের একটি ভিডিওতে বিপুলসংখ্যক মরদেহ দেখা যাওয়ার দাবি ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গত কয়েক দিনে সামাজিক মাধ্যমে ওই কেন্দ্র থেকে ধারণ করা অন্তত ছয়টি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বিচারিক সংস্থা আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) সোমবার (১২ জানুয়ারি) গাম্বিয়া অভিযোগ করেছে, মিয়ানমার পরিকল্পিতভাবে সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের ধ্বংসের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে এবং তাদের জীবনকে এক ভয়াবহ দুঃস্বপ্নে রূপ দিয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে