
ভারতের প্রাচীন রাজনৈতিক দল কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট পদে লড়াই না করার ঘোষণা দিয়েছেন রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী ও প্রবীণ কংগ্রেস নেতা অশোক গেহলট। রাজস্থানে দলীয় বিধায়কদের বিদ্রোহ প্রশমিত করতেই ‘নৈতিক দায়িত্ব’ হিসেবে তিনি দলীয় প্রেসিডেন্টের পদে নির্বাচন থেকে নিজেকে তুলে নিয়েছেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় আজ বৃহস্পতিবার রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট বলেছেন, তিনি তাঁর দলীয় প্রধানের পদে লড়ার বিষয় নিয়ে রাজস্থানের রাজনীতিতে উদ্ভূত সংকটের জন্য সোনিয়া গান্ধীর কাছে ক্ষমা চাইবেন। সোনিয়ার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে অশোক গেহলট নিজের মুখ্যমন্ত্রিত্ব নিশ্চিত করতে চাইছেন বলে মন্তব্য করেছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা। যদিও অশোক গেহলট বলেছেন, কংগ্রেসের প্রধান হিসেবে সোনিয়া গান্ধীই নির্ধারণ করবেন কংগ্রেসে মুখ্যমন্ত্রীর পদে কে থাকবে।
রাজস্থানে কংগ্রেসের রাজনীতিতে অশোক গেহলটের প্রতিদ্বন্দ্বী রাজ্যের সাবেক উপমুখ্যমন্ত্রী শচীন পাইলট। কংগ্রেসের দলীয় নীতি অনুসারে কোনো ব্যক্তি একই সঙ্গে দলীয় এবং রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে থাকতে পারবে না। কিন্তু অশোক গেহলট ধারণা করেছিলেন তিনি এই নিয়মের ব্যত্যয় ঘটিয়ে একই সঙ্গে কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট এবং রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করতে পারবে না। কিন্তু তাঁর এই মনোবাসনা প্রকাশের পর কংগ্রেসের সাবেক সভাপতি রাহুল গান্ধী জানান, তাঁর বিশ্বাস—দলীয় নিয়মনীতি কঠোরভাবে মেনে চলা হবে।
রাহুলের এমন মন্তব্যের পরপরই অশোকের রাজস্থানে গৃহদাহ দেখা দেয়। রাজস্থানের বিধানসভার কংগ্রেস দলীয় অন্তত ৯০ জন বিধায়ক একযোগে পদত্যাগের হুমকি দেন। এই হুমকির পর ধারণা করা হচ্ছিল অশোক গেহলট যদি কংগ্রেসের দলীয় প্রধান হন তবে তাঁর জায়গায় রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন তারই প্রতিদ্বন্দ্বী শচীন পাইলট। কিন্তু আজ গেহলটের দেওয়া স্বীকারোক্তির মাধ্যমে সকল নাটকের অবসান হলো। তবে, তাঁর মুখ্যমন্ত্রিত্ব নিরাপদ কিনা তা নির্ধারণ করবেন সোনিয়া

ভারতের প্রাচীন রাজনৈতিক দল কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট পদে লড়াই না করার ঘোষণা দিয়েছেন রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী ও প্রবীণ কংগ্রেস নেতা অশোক গেহলট। রাজস্থানে দলীয় বিধায়কদের বিদ্রোহ প্রশমিত করতেই ‘নৈতিক দায়িত্ব’ হিসেবে তিনি দলীয় প্রেসিডেন্টের পদে নির্বাচন থেকে নিজেকে তুলে নিয়েছেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় আজ বৃহস্পতিবার রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট বলেছেন, তিনি তাঁর দলীয় প্রধানের পদে লড়ার বিষয় নিয়ে রাজস্থানের রাজনীতিতে উদ্ভূত সংকটের জন্য সোনিয়া গান্ধীর কাছে ক্ষমা চাইবেন। সোনিয়ার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে অশোক গেহলট নিজের মুখ্যমন্ত্রিত্ব নিশ্চিত করতে চাইছেন বলে মন্তব্য করেছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা। যদিও অশোক গেহলট বলেছেন, কংগ্রেসের প্রধান হিসেবে সোনিয়া গান্ধীই নির্ধারণ করবেন কংগ্রেসে মুখ্যমন্ত্রীর পদে কে থাকবে।
রাজস্থানে কংগ্রেসের রাজনীতিতে অশোক গেহলটের প্রতিদ্বন্দ্বী রাজ্যের সাবেক উপমুখ্যমন্ত্রী শচীন পাইলট। কংগ্রেসের দলীয় নীতি অনুসারে কোনো ব্যক্তি একই সঙ্গে দলীয় এবং রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে থাকতে পারবে না। কিন্তু অশোক গেহলট ধারণা করেছিলেন তিনি এই নিয়মের ব্যত্যয় ঘটিয়ে একই সঙ্গে কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট এবং রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করতে পারবে না। কিন্তু তাঁর এই মনোবাসনা প্রকাশের পর কংগ্রেসের সাবেক সভাপতি রাহুল গান্ধী জানান, তাঁর বিশ্বাস—দলীয় নিয়মনীতি কঠোরভাবে মেনে চলা হবে।
রাহুলের এমন মন্তব্যের পরপরই অশোকের রাজস্থানে গৃহদাহ দেখা দেয়। রাজস্থানের বিধানসভার কংগ্রেস দলীয় অন্তত ৯০ জন বিধায়ক একযোগে পদত্যাগের হুমকি দেন। এই হুমকির পর ধারণা করা হচ্ছিল অশোক গেহলট যদি কংগ্রেসের দলীয় প্রধান হন তবে তাঁর জায়গায় রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন তারই প্রতিদ্বন্দ্বী শচীন পাইলট। কিন্তু আজ গেহলটের দেওয়া স্বীকারোক্তির মাধ্যমে সকল নাটকের অবসান হলো। তবে, তাঁর মুখ্যমন্ত্রিত্ব নিরাপদ কিনা তা নির্ধারণ করবেন সোনিয়া

ভারতের কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুতে সপ্তাহখানেক আগে এক নারী সফটওয়্যার প্রকৌশলীর মরদেহ উদ্ধার করা হয় তাঁর ভাড়া বাসায়। উদ্ধারের এক সপ্তাহ পর তদন্তকারীরা চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, যৌন হেনস্তার চেষ্টা প্রতিরোধ করায় ১৮ বছর বয়সী এক তরুণ ওই নারীকে হত্যা করেছে।
৩৯ মিনিট আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড প্রস্তাবিত গাজা যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপের জন্য নির্ধারিত হলুদ রেখা আরও গভীরে ঠেলে দিতে চায় ইসরায়েল। উদ্দেশ্য অবরুদ্ধ ছিটমহলটির আরও ভূখণ্ড নিজের কবজায় নেওয়া। এ লক্ষ্যে আগামী মার্চে দখলদার বাহিনী গাজায় ফের আগ্রাসন শুরু করতে চায়।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান দেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সংকট সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সরকার বিক্ষোভকারীদের কথা ‘শুনতে প্রস্তুত।’ তবে একই সঙ্গে তিনি জনগণকে সতর্ক করে দিয়েছেন যেন ‘দাঙ্গাকারী’ এবং ‘সন্ত্রাসী উপাদানগুলো’ দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে। খবর আল–জাজিরার।
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানে চলমান বিক্ষোভের প্রতিক্রিয়ায় ওয়াশিংটন দেশটিতে সামরিক হস্তক্ষেপসহ ‘কঠোর পদক্ষেপের’ কথা বিবেচনা করছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল–জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
২ ঘণ্টা আগে