
লাঠি হাতে মাকে ধাওয়া করে মন্দির এলাকায় নিজের মাকে পিটিয়েছেন এক ব্যক্তি। রাস্তার পাশে থাকা বিভিন্ন বাড়ির দ্বারে দ্বারে সাহায্যের আবেদন করেও কোনো সাহায্য পাননি তিনি। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের উত্তর প্রদেশ রাজ্যের বুলন্দশহর জেলার একটি এলাকায়। আর পুরো ঘটনা ধরা পড়েছে স্থানীয় এক ব্যক্তির ক্যামেরায়।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভিডিও থেকে ওই ব্যক্তির নাম-পরিচয় উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তাঁর নাম দুর্গেশ শর্মা। ভিডিওতে দেখা গেছে, ভীতসন্ত্রস্ত মধ্যবয়সী নারী এক প্রকার দৌড়াচ্ছেন। আর তাঁর পেছন পেছন দৌড়াচ্ছেন ছেলে দুর্গেশ। সালেমপুর থানা-পুলিশ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
ভিডিও থেকে আরও দেখা যায়, আলুথালু বেশের সেই নারী রাস্তার পাশে থাকা বাড়িগুলোর দরজায় গিয়ে সাহায্য চাইছেন, পালানোর চেষ্টা করছেন; কিন্তু কোথাও তিনি আশ্রয় পাননি এবং কেউই তাঁর সাহায্যে এগিয়ে আসেননি। এ সময় আরও দেখা গেছে, পরনে থাকা শাড়ি সামলাতে না পেরে ওই নারী বারবার রাস্তায় পড়ে যাচ্ছেন। তারপরও বারবার তিনি দৌড়ে তাঁর ছেলের কাছ থেকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।
পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেও তিনি পারেননি। ভিডিও থেকে দেখা যায়, একপর্যায়ে ওই নারী একটি বাড়ির আঙিনায় ঢুকে পড়েন। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। সেখানে গিয়েই তাঁকে পেটাতে থাকেন দুর্গেশ। ভিডিওতে শোনা যায়, কাছেই কোথাও মন্দিরের ঘণ্টা বাজছে এবং পুরোহিতেরা সান্ধ্য প্রার্থনার মন্ত্র পড়ছেন।
অবশেষে স্থানীয়রা দুর্গেশকে ধরে ফেলে তাঁর প্রহারের হাত থেকে মাকে উদ্ধার করে। ভিডিওতে দাবি করা হয়, দুর্গেশকে পরে পুলিশ হেফাজতে দেওয়া হয়েছে এবং তাঁর বিরুদ্ধে একটি মামলা করা হয়েছে।
বুলন্দশহর জেলার সালেমপুর থানা-পুলিশ ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানিয়েছে উত্তর প্রদেশ পুলিশ। সেই টুইটে বলা হয়েছে, ‘এ ঘটনায় প্রাপ্ত অভিযোগের ভিত্তিতে সালেমপুর থানায় একটি মামলা হয়েছে। আসামিকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।’

লাঠি হাতে মাকে ধাওয়া করে মন্দির এলাকায় নিজের মাকে পিটিয়েছেন এক ব্যক্তি। রাস্তার পাশে থাকা বিভিন্ন বাড়ির দ্বারে দ্বারে সাহায্যের আবেদন করেও কোনো সাহায্য পাননি তিনি। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের উত্তর প্রদেশ রাজ্যের বুলন্দশহর জেলার একটি এলাকায়। আর পুরো ঘটনা ধরা পড়েছে স্থানীয় এক ব্যক্তির ক্যামেরায়।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভিডিও থেকে ওই ব্যক্তির নাম-পরিচয় উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তাঁর নাম দুর্গেশ শর্মা। ভিডিওতে দেখা গেছে, ভীতসন্ত্রস্ত মধ্যবয়সী নারী এক প্রকার দৌড়াচ্ছেন। আর তাঁর পেছন পেছন দৌড়াচ্ছেন ছেলে দুর্গেশ। সালেমপুর থানা-পুলিশ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
ভিডিও থেকে আরও দেখা যায়, আলুথালু বেশের সেই নারী রাস্তার পাশে থাকা বাড়িগুলোর দরজায় গিয়ে সাহায্য চাইছেন, পালানোর চেষ্টা করছেন; কিন্তু কোথাও তিনি আশ্রয় পাননি এবং কেউই তাঁর সাহায্যে এগিয়ে আসেননি। এ সময় আরও দেখা গেছে, পরনে থাকা শাড়ি সামলাতে না পেরে ওই নারী বারবার রাস্তায় পড়ে যাচ্ছেন। তারপরও বারবার তিনি দৌড়ে তাঁর ছেলের কাছ থেকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।
পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেও তিনি পারেননি। ভিডিও থেকে দেখা যায়, একপর্যায়ে ওই নারী একটি বাড়ির আঙিনায় ঢুকে পড়েন। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। সেখানে গিয়েই তাঁকে পেটাতে থাকেন দুর্গেশ। ভিডিওতে শোনা যায়, কাছেই কোথাও মন্দিরের ঘণ্টা বাজছে এবং পুরোহিতেরা সান্ধ্য প্রার্থনার মন্ত্র পড়ছেন।
অবশেষে স্থানীয়রা দুর্গেশকে ধরে ফেলে তাঁর প্রহারের হাত থেকে মাকে উদ্ধার করে। ভিডিওতে দাবি করা হয়, দুর্গেশকে পরে পুলিশ হেফাজতে দেওয়া হয়েছে এবং তাঁর বিরুদ্ধে একটি মামলা করা হয়েছে।
বুলন্দশহর জেলার সালেমপুর থানা-পুলিশ ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানিয়েছে উত্তর প্রদেশ পুলিশ। সেই টুইটে বলা হয়েছে, ‘এ ঘটনায় প্রাপ্ত অভিযোগের ভিত্তিতে সালেমপুর থানায় একটি মামলা হয়েছে। আসামিকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।’

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে চলতি জানুয়ারি মাসের মধ্যেই ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যে ঐতিহাসিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরিত হতে পারে। আজ সোমবার গুজরাটের আহমেদাবাদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্জ এই সম্ভাবনার কথা জানিয়ে...
৬ ঘণ্টা আগে
ইরানে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে—এমন আশঙ্কা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। ইন্টারনেট সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকলেও মোবাইল ফোনে ধারণ করা ভিডিও ও ছবি বাইরে আসতে শুরু করেছে।
৭ ঘণ্টা আগে
ইরানের রাজধানী তেহরানের ফরেনসিক ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড ল্যাবরেটরি সেন্টারের একটি ভিডিওতে বিপুলসংখ্যক মরদেহ দেখা যাওয়ার দাবি ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গত কয়েক দিনে সামাজিক মাধ্যমে ওই কেন্দ্র থেকে ধারণ করা অন্তত ছয়টি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বিচারিক সংস্থা আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) সোমবার (১২ জানুয়ারি) গাম্বিয়া অভিযোগ করেছে, মিয়ানমার পরিকল্পিতভাবে সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের ধ্বংসের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে এবং তাদের জীবনকে এক ভয়াবহ দুঃস্বপ্নে রূপ দিয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে