আজকের পত্রিকা ডেস্ক

এটি সর্বজনীনভাবে স্বীকৃত যে, প্রথম মহাকাশ ভ্রমণকারী ব্যক্তি হলেন রুশ নভোচারী ইউরি গ্যাগারিন। তবে ভারতের সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপি নেতা অনুরাগ ঠাকুর একদল তরুণ শিক্ষার্থীর উদ্দেশে এ বিষয়ে ব্যতিক্রম মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেছেন, সবার প্রথম মহাকাশ ভ্রমণ করেছেন শ্রী হনুমান। গতকাল শনিবার হিমাচল প্রদেশের উনায় একটি পিএম শ্রী স্কুলে (প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বিদ্যালয়) জাতীয় মহাকাশ দিবস উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলার সময় অনুরাগ ঠাকুর এ মন্তব্য করেন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অনুরাগ ঠাকুরের কথোপকথনটি ছিল এমন—
অনুরাগ ঠাকুর: তোমরা কি জানো, মহাকাশ ভ্রমণকারী প্রথম ব্যক্তি কে ছিলেন?
শিক্ষার্থীরা (একসঙ্গে উত্তর দেয়): নিল আর্মস্ট্রং।
অনুরাগ ঠাকুর: আমার তো মনে হয় হনুমানজি ছিলেন।
প্রকৃতপক্ষে, দুটি উত্তরই ভুল। ১৯৬১ সালে ইউরি গ্যাগারিন প্রথম মহাকাশ আর ১৯৬৯ সালে নিল আর্মস্ট্রং প্রথম চন্দ্র জয় করেন। আর প্রথম ভারতীয় হিসেবে প্রায় ৪০ বছর আগে মহাকাশ ভ্রমণ করেন রাকেশ শর্মা। চলতি বছরের শুরুতে গ্রুপ ক্যাপ্টেন শুভংশু শুক্লা দ্বিতীয় ভারতীয় নভোচারী হিসেবে মহাকাশে যান।
পাঁচবারের সাংসদ অনুরাগ ঠাকুর যদিও হাসতে হাসতে এ কথা বলছিলেন, তবে তাঁর কথায় অজ্ঞতা ও গোঁড়ামি দুটোই ফুটে উঠেছে। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের মধ্যেও ভুল লক্ষ্য করা গেছে।
অনুরাগ ঠাকুর তাঁর তত্ত্বের পক্ষে যুক্তিও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘আমরা এখন নিজেদের যেভাবে দেখি, আমাদের হাজার হাজার বছরের পুরোনো ঐতিহ্য, জ্ঞান ও সংস্কৃতি সম্পর্কে না জানলে ব্রিটিশরা আমাদের যা শিখিয়েছিল, তেমনই থেকে যাব। তোমাদের শিক্ষক ও তোমাদের পাঠ্যবইয়ের বাইরে গিয়ে আমাদের জাতি, আমাদের ঐতিহ্য ও আমাদের জ্ঞান সম্পর্কে জানতে হবে।’
গতকাল ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (ইসরো) দিল্লিতে ভারতীয় অন্তরিক্ষ স্টেশনের মডেল উন্মোচন করেছে। ইসরোর লক্ষ্য হলো, ২০২৮ সালের মধ্যে এ প্রকল্পের প্রথম মডিউলটি উৎক্ষেপণ করা। ২০৩৫ সালের মধ্যে স্টেশনটি সম্পূর্ণ চালু হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এ স্টেশন দেশীয় গবেষণার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হবে, যার মধ্যে মাইক্রোগ্র্যাভিটি অধ্যয়ন ও দীর্ঘস্থায়ী মহাকাশ অভিযানের জন্য প্রযুক্তি পরীক্ষা করা হবে।

এটি সর্বজনীনভাবে স্বীকৃত যে, প্রথম মহাকাশ ভ্রমণকারী ব্যক্তি হলেন রুশ নভোচারী ইউরি গ্যাগারিন। তবে ভারতের সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপি নেতা অনুরাগ ঠাকুর একদল তরুণ শিক্ষার্থীর উদ্দেশে এ বিষয়ে ব্যতিক্রম মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেছেন, সবার প্রথম মহাকাশ ভ্রমণ করেছেন শ্রী হনুমান। গতকাল শনিবার হিমাচল প্রদেশের উনায় একটি পিএম শ্রী স্কুলে (প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বিদ্যালয়) জাতীয় মহাকাশ দিবস উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলার সময় অনুরাগ ঠাকুর এ মন্তব্য করেন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অনুরাগ ঠাকুরের কথোপকথনটি ছিল এমন—
অনুরাগ ঠাকুর: তোমরা কি জানো, মহাকাশ ভ্রমণকারী প্রথম ব্যক্তি কে ছিলেন?
শিক্ষার্থীরা (একসঙ্গে উত্তর দেয়): নিল আর্মস্ট্রং।
অনুরাগ ঠাকুর: আমার তো মনে হয় হনুমানজি ছিলেন।
প্রকৃতপক্ষে, দুটি উত্তরই ভুল। ১৯৬১ সালে ইউরি গ্যাগারিন প্রথম মহাকাশ আর ১৯৬৯ সালে নিল আর্মস্ট্রং প্রথম চন্দ্র জয় করেন। আর প্রথম ভারতীয় হিসেবে প্রায় ৪০ বছর আগে মহাকাশ ভ্রমণ করেন রাকেশ শর্মা। চলতি বছরের শুরুতে গ্রুপ ক্যাপ্টেন শুভংশু শুক্লা দ্বিতীয় ভারতীয় নভোচারী হিসেবে মহাকাশে যান।
পাঁচবারের সাংসদ অনুরাগ ঠাকুর যদিও হাসতে হাসতে এ কথা বলছিলেন, তবে তাঁর কথায় অজ্ঞতা ও গোঁড়ামি দুটোই ফুটে উঠেছে। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের মধ্যেও ভুল লক্ষ্য করা গেছে।
অনুরাগ ঠাকুর তাঁর তত্ত্বের পক্ষে যুক্তিও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘আমরা এখন নিজেদের যেভাবে দেখি, আমাদের হাজার হাজার বছরের পুরোনো ঐতিহ্য, জ্ঞান ও সংস্কৃতি সম্পর্কে না জানলে ব্রিটিশরা আমাদের যা শিখিয়েছিল, তেমনই থেকে যাব। তোমাদের শিক্ষক ও তোমাদের পাঠ্যবইয়ের বাইরে গিয়ে আমাদের জাতি, আমাদের ঐতিহ্য ও আমাদের জ্ঞান সম্পর্কে জানতে হবে।’
গতকাল ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (ইসরো) দিল্লিতে ভারতীয় অন্তরিক্ষ স্টেশনের মডেল উন্মোচন করেছে। ইসরোর লক্ষ্য হলো, ২০২৮ সালের মধ্যে এ প্রকল্পের প্রথম মডিউলটি উৎক্ষেপণ করা। ২০৩৫ সালের মধ্যে স্টেশনটি সম্পূর্ণ চালু হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এ স্টেশন দেশীয় গবেষণার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হবে, যার মধ্যে মাইক্রোগ্র্যাভিটি অধ্যয়ন ও দীর্ঘস্থায়ী মহাকাশ অভিযানের জন্য প্রযুক্তি পরীক্ষা করা হবে।

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
৩৬ মিনিট আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
৪০ মিনিট আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
৪ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
৪ ঘণ্টা আগে