আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ভারতের জম্মু ও কাশ্মীরে আকস্মিক ভারী বৃষ্টিপাত ও বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৫৬। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন আরও অন্তত ৮০ জন। হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে কর্তৃপক্ষ। হিমালয়সংলগ্ন এলাকায় এক সপ্তাহের মধ্যে এটি দ্বিতীয় ক্লাউডবার্স্টের ঘটনা।
একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বন্যার ফলে কিশতওয়ার জেলার চশোটি গ্রামের একটি কমিউনিটি রান্নাঘর এবং একটি নিরাপত্তা পোস্ট ভেসে গেছে। মাচাইল মাতা মন্দিরের তীর্থযাত্রার পথে এটি একটি বিশ্রামস্থল ছিল। ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘দুপুরের খাবারের জন্য বিপুলসংখ্যক তীর্থযাত্রী এখানে জড়ো হয়েছিলেন। বন্যার পানিতে তাঁরা সবাই ভেসে গেছেন।
চাশোটি হিমালয়ের মাচাইল মাতার পবিত্রধামের পথে শেষ মোটরযান চলাচলযোগ্য গ্রাম এবং মাচাইল মাতা যাত্রার সূচনাবিন্দু। বছরের এই সময়েই ওই তীর্থস্থানে ভিড় থাকে, যে কারণে ঘটনাস্থলে তীর্থযাত্রীদের উপস্থিতি বেশি ছিল। তাই প্রাণহানি এত বেশি।
এরই মধ্যে বন্যার বেশ কিছু ভিডিও ফুটেজ গণমাধ্যমের হাতে এসেছে। সেসব ফুটেজে দেখা যায়, বন্যার পানিতে গ্রাম ভেসে যাওয়ায় তীর্থযাত্রীরা কাঁদছেন। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাবিষয়ক শীর্ষ কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইরশাদ বলেন, রাতে উদ্ধারকাজ বন্ধ করার আগপর্যন্ত ঘটনাস্থল থেকে ৫৬টি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনো ৮০ জন নিখোঁজ রয়েছেন। জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে ৩০০ জনকে, যাদের মধ্যে ৫০ জনের অবস্থা গুরুতর। তাঁরা বর্তমানে নিকটবর্তী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যমতে, গতকাল বৃহস্পতিবার কিশতওয়ারসহ কাশ্মীরের বিভিন্ন অঞ্চলে তীব্র বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছিল শ্রীনগর আবহাওয়া অফিস। পাশাপাশি ভূমিধস ও বন্যার সম্ভাবনা আছে বলে সতর্ক করে আলগা কাঠামো, বিদ্যুতের খুঁটি ও পুরোনো গাছপালা থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল।
উল্লেখ্য, এক ঘণ্টায় ১০০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত হলে তাকে ক্লাউডবার্স্ট বলে।

ভারতের জম্মু ও কাশ্মীরে আকস্মিক ভারী বৃষ্টিপাত ও বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৫৬। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন আরও অন্তত ৮০ জন। হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে কর্তৃপক্ষ। হিমালয়সংলগ্ন এলাকায় এক সপ্তাহের মধ্যে এটি দ্বিতীয় ক্লাউডবার্স্টের ঘটনা।
একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বন্যার ফলে কিশতওয়ার জেলার চশোটি গ্রামের একটি কমিউনিটি রান্নাঘর এবং একটি নিরাপত্তা পোস্ট ভেসে গেছে। মাচাইল মাতা মন্দিরের তীর্থযাত্রার পথে এটি একটি বিশ্রামস্থল ছিল। ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘দুপুরের খাবারের জন্য বিপুলসংখ্যক তীর্থযাত্রী এখানে জড়ো হয়েছিলেন। বন্যার পানিতে তাঁরা সবাই ভেসে গেছেন।
চাশোটি হিমালয়ের মাচাইল মাতার পবিত্রধামের পথে শেষ মোটরযান চলাচলযোগ্য গ্রাম এবং মাচাইল মাতা যাত্রার সূচনাবিন্দু। বছরের এই সময়েই ওই তীর্থস্থানে ভিড় থাকে, যে কারণে ঘটনাস্থলে তীর্থযাত্রীদের উপস্থিতি বেশি ছিল। তাই প্রাণহানি এত বেশি।
এরই মধ্যে বন্যার বেশ কিছু ভিডিও ফুটেজ গণমাধ্যমের হাতে এসেছে। সেসব ফুটেজে দেখা যায়, বন্যার পানিতে গ্রাম ভেসে যাওয়ায় তীর্থযাত্রীরা কাঁদছেন। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাবিষয়ক শীর্ষ কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইরশাদ বলেন, রাতে উদ্ধারকাজ বন্ধ করার আগপর্যন্ত ঘটনাস্থল থেকে ৫৬টি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনো ৮০ জন নিখোঁজ রয়েছেন। জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে ৩০০ জনকে, যাদের মধ্যে ৫০ জনের অবস্থা গুরুতর। তাঁরা বর্তমানে নিকটবর্তী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যমতে, গতকাল বৃহস্পতিবার কিশতওয়ারসহ কাশ্মীরের বিভিন্ন অঞ্চলে তীব্র বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছিল শ্রীনগর আবহাওয়া অফিস। পাশাপাশি ভূমিধস ও বন্যার সম্ভাবনা আছে বলে সতর্ক করে আলগা কাঠামো, বিদ্যুতের খুঁটি ও পুরোনো গাছপালা থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল।
উল্লেখ্য, এক ঘণ্টায় ১০০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত হলে তাকে ক্লাউডবার্স্ট বলে।

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
৩ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
৩ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
৬ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
৬ ঘণ্টা আগে