কলকাতা প্রতিনিধি

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বা বিজেপি মোটেই অপরাজেয় নয়। উপনির্বাচনের ফলাফলে সেটিই প্রমাণিত হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস পশ্চিমবঙ্গের উপনির্বাচনে জয়লাভের পর এমন কথাই বলছে। উপনির্বাচনের ফলাফলে উচ্ছ্বসিত ভারতের আন্দোলনরত কৃষকরাও। তবে কংগ্রেসের সঙ্গে তৃণমূলের বিবৃতির লড়াইটা এখনো চলছে।
পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা ভোটের আগে ১৪টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের লোকসভা ও বিধানসভা উপনির্বাচনে বিজেপির খারাপ ফলে উৎসাহিত বিরোধীরা। বিশেষ করে হিমাচল প্রদেশ, হরিয়ানা, রাজস্থানে বিজেপির খারাপ ফল কৃষক নেতাদের উৎসাহিত করছে। তবে উত্তর পূর্ব ভারতে বিজেপি ও তাঁদের জোট সঙ্গীরা ভালো ফল করায় কংগ্রেস মোটেই উচ্ছ্বসিত নয়।
পশ্চিমবঙ্গে ৪-০ ব্যবধানে উপনির্বাচনে জিতেই বিজেপি বিরোধী সর্বভারতীয় রাজনীতিতে তৃণমূল নিজেদের আধিপত্য বিস্তারে মরিয়া। তাই কংগ্রেসকে কটাক্ষ করে তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন এদিন মন্তব্য করেন, '২২-২৩ তেইশ বছরের নাতি-নাতনিকে দাদু-ঠাকুমারা কী করতে হবে বলে দেবেন, সেই সময় এখন আর নেই৷' শতাব্দী প্রাচীন কংগ্রেসের তুলনায় তৃণমূলের জন্ম মাত্র ২২-২৩ বছর আগে।
একই সঙ্গে তিনি বলেন, 'উপনির্বাচনের ফলাফলে প্রমাণিত হয়েছে, কেউই অপরাজেয় নয়। নরেন্দ্র মোদি এবং অমিত শাহের বিজেপিকেও হারানো সম্ভব৷' আর সেই কারণেই বিরোধীদের জোটবার্তা দেন তিনি। তবে কংগ্রেসের দাদাগিরি মানতে রাজি নয় তৃণমূল।
কংগ্রেস অবশ্য পাল্টা দাবি করেছে, তৃণমূল আসলে বিজেপিকেই খুশি করতে চায়। লোকসভায় কংগ্রেস নেতা অধীররঞ্জন চৌধুরী মন্তব্য করেন, তৃণমূলকে ঠিক করতে তারা আসলে কাকে শক্তিশালী করতে চান। কংগ্রেসকে বাদ দিয়ে বিরোধী ঐক্য যে সম্ভব নয় সেটাও তিনি বুঝিয়ে দেন।
বিজেপি অবশ্য উপনির্বাচনের ফলাফলকে মোটেই হতাশাজনক বলে মনে করছে না। দলের সর্বভারতীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষের মতে, তৃণমূলের ভারত জয়ের স্বপ্ন আসলে দিবাস্বপ্ন। নরেন্দ্র মোদীর বিকল্প কাউকে নাকি দেশবাসী ভাবতেই পারছেন না।
অন্যদিকে, ভারতীয় কিষান ইউনিয়নের নেতা রাকেশ টিকায়েতের মতে, বিরোধীদের এই জয় কৃষক আন্দোলনেরই সুফল। বিশেষ করে হিমাচল প্রদেশ, হরিয়ানা ও রাজস্থানে বিজেপি হেরেছে কৃষক বিরোধী নীতির জন্য। তিনি জানান, দেশ জুড়ে আন্দোলন আরও তীব্র করবেন কৃষকেরা।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বা বিজেপি মোটেই অপরাজেয় নয়। উপনির্বাচনের ফলাফলে সেটিই প্রমাণিত হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস পশ্চিমবঙ্গের উপনির্বাচনে জয়লাভের পর এমন কথাই বলছে। উপনির্বাচনের ফলাফলে উচ্ছ্বসিত ভারতের আন্দোলনরত কৃষকরাও। তবে কংগ্রেসের সঙ্গে তৃণমূলের বিবৃতির লড়াইটা এখনো চলছে।
পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা ভোটের আগে ১৪টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের লোকসভা ও বিধানসভা উপনির্বাচনে বিজেপির খারাপ ফলে উৎসাহিত বিরোধীরা। বিশেষ করে হিমাচল প্রদেশ, হরিয়ানা, রাজস্থানে বিজেপির খারাপ ফল কৃষক নেতাদের উৎসাহিত করছে। তবে উত্তর পূর্ব ভারতে বিজেপি ও তাঁদের জোট সঙ্গীরা ভালো ফল করায় কংগ্রেস মোটেই উচ্ছ্বসিত নয়।
পশ্চিমবঙ্গে ৪-০ ব্যবধানে উপনির্বাচনে জিতেই বিজেপি বিরোধী সর্বভারতীয় রাজনীতিতে তৃণমূল নিজেদের আধিপত্য বিস্তারে মরিয়া। তাই কংগ্রেসকে কটাক্ষ করে তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন এদিন মন্তব্য করেন, '২২-২৩ তেইশ বছরের নাতি-নাতনিকে দাদু-ঠাকুমারা কী করতে হবে বলে দেবেন, সেই সময় এখন আর নেই৷' শতাব্দী প্রাচীন কংগ্রেসের তুলনায় তৃণমূলের জন্ম মাত্র ২২-২৩ বছর আগে।
একই সঙ্গে তিনি বলেন, 'উপনির্বাচনের ফলাফলে প্রমাণিত হয়েছে, কেউই অপরাজেয় নয়। নরেন্দ্র মোদি এবং অমিত শাহের বিজেপিকেও হারানো সম্ভব৷' আর সেই কারণেই বিরোধীদের জোটবার্তা দেন তিনি। তবে কংগ্রেসের দাদাগিরি মানতে রাজি নয় তৃণমূল।
কংগ্রেস অবশ্য পাল্টা দাবি করেছে, তৃণমূল আসলে বিজেপিকেই খুশি করতে চায়। লোকসভায় কংগ্রেস নেতা অধীররঞ্জন চৌধুরী মন্তব্য করেন, তৃণমূলকে ঠিক করতে তারা আসলে কাকে শক্তিশালী করতে চান। কংগ্রেসকে বাদ দিয়ে বিরোধী ঐক্য যে সম্ভব নয় সেটাও তিনি বুঝিয়ে দেন।
বিজেপি অবশ্য উপনির্বাচনের ফলাফলকে মোটেই হতাশাজনক বলে মনে করছে না। দলের সর্বভারতীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষের মতে, তৃণমূলের ভারত জয়ের স্বপ্ন আসলে দিবাস্বপ্ন। নরেন্দ্র মোদীর বিকল্প কাউকে নাকি দেশবাসী ভাবতেই পারছেন না।
অন্যদিকে, ভারতীয় কিষান ইউনিয়নের নেতা রাকেশ টিকায়েতের মতে, বিরোধীদের এই জয় কৃষক আন্দোলনেরই সুফল। বিশেষ করে হিমাচল প্রদেশ, হরিয়ানা ও রাজস্থানে বিজেপি হেরেছে কৃষক বিরোধী নীতির জন্য। তিনি জানান, দেশ জুড়ে আন্দোলন আরও তীব্র করবেন কৃষকেরা।

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
৩ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
৪ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
৭ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
৭ ঘণ্টা আগে