কলকাতা সংবাদদাতা

পশ্চিমবঙ্গের গভর্নর সিভি আনন্দ বোসের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে। আর এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি। এরই মধ্যে রাজ্যের আইন ও অর্থ প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে গভর্নরের বাসভবন রাজভবনে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এমনকি পুলিশকেও ঢুকতে নিষেধ করা হয়েছে সেখানে।
রাজভবনের এক চুক্তিভিত্তিক নারী কর্মীর শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে সিভি আনন্দ বোসের বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে একটি অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে। সেই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, ‘রাজ্যপালের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগপত্র জমা দিতে গিয়েছেন এক নারী। নারী নির্যাতনের অভিযোগ গভর্নরের বিরুদ্ধে!’
চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য আরও বলেন, ‘এ কী ধরনের ঘটনা ঘটছে! যে গভর্নর বলেন, তিনি পিস রুম খুলবেন, সবার অভিযোগ শুনবেন, সেই অভিযোগের নিষ্পত্তিও করবেন! সেই পিস রুম কি আসলে নারী সম্মানের পিস হেভেন হয়ে গেছে? যেখানে প্রধানমন্ত্রী বারবার নারী শক্তির কথা বলছেন, সেখানে গভর্নর নারীর অপমান করছেন, অসম্মান করছেন। তাও আবার বাংলার মাটিতে!’
চন্দ্রিমার এমন মন্তব্যের জেরে রাজভবনে তাঁর প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘গভর্নর সিভি আনন্দ বোসের বিরুদ্ধে মানহানিকর ও সংবিধানবিরোধী বিবৃতির জন্য অর্থ দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের কলকাতা, দার্জিলিং ও ব্যারাকপুরের রাজভবন প্রাঙ্গণে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।’
একই সঙ্গে আরও জানানো হয়েছে, মন্ত্রীর কোনো অনুষ্ঠানেও অংশ নেবেন না গভর্নর। পাশাপাশি মন্ত্রীর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের বিষয়ে পরামর্শের জন্য দেশের অ্যাটর্নি জেনারেলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। এমনকি রাজভবনে পুলিশ প্রবেশের ওপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
এদিকে এ ঘটনাকে বানানো গল্প উল্লেখ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে আনন্দ বোস লেখেন, ‘আমি কৌশলে বানানো গল্পে ভয় পাই না। কেউ যদি আমাকে অপমান করে নির্বাচনী সুবিধা পেতে চায়, ঈশ্বর তাদের মঙ্গল করুন। কিন্তু বাংলায় দুর্নীতি ও হিংসার বিরুদ্ধে আমার লড়াই কেউ থামাতে পারবে না।’
প্রসঙ্গত, দেশের সংবিধানের ৩৬১ অনুচ্ছেদ অনুসারে দায়িত্বরত কোনো গভর্নর বা দেশের রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে ফৌজদারি বা দেওয়ানি মামলা দায়ের করা যায় না। এমনকি তাঁর বিরুদ্ধে কোনো তদন্ত কিংবা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদও করা যায় না। এ ছাড়া এ ধরনের মামলা আদালতেও গ্রাহ্য হয় না।

পশ্চিমবঙ্গের গভর্নর সিভি আনন্দ বোসের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে। আর এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি। এরই মধ্যে রাজ্যের আইন ও অর্থ প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে গভর্নরের বাসভবন রাজভবনে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এমনকি পুলিশকেও ঢুকতে নিষেধ করা হয়েছে সেখানে।
রাজভবনের এক চুক্তিভিত্তিক নারী কর্মীর শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে সিভি আনন্দ বোসের বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে একটি অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে। সেই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, ‘রাজ্যপালের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগপত্র জমা দিতে গিয়েছেন এক নারী। নারী নির্যাতনের অভিযোগ গভর্নরের বিরুদ্ধে!’
চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য আরও বলেন, ‘এ কী ধরনের ঘটনা ঘটছে! যে গভর্নর বলেন, তিনি পিস রুম খুলবেন, সবার অভিযোগ শুনবেন, সেই অভিযোগের নিষ্পত্তিও করবেন! সেই পিস রুম কি আসলে নারী সম্মানের পিস হেভেন হয়ে গেছে? যেখানে প্রধানমন্ত্রী বারবার নারী শক্তির কথা বলছেন, সেখানে গভর্নর নারীর অপমান করছেন, অসম্মান করছেন। তাও আবার বাংলার মাটিতে!’
চন্দ্রিমার এমন মন্তব্যের জেরে রাজভবনে তাঁর প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘গভর্নর সিভি আনন্দ বোসের বিরুদ্ধে মানহানিকর ও সংবিধানবিরোধী বিবৃতির জন্য অর্থ দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের কলকাতা, দার্জিলিং ও ব্যারাকপুরের রাজভবন প্রাঙ্গণে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।’
একই সঙ্গে আরও জানানো হয়েছে, মন্ত্রীর কোনো অনুষ্ঠানেও অংশ নেবেন না গভর্নর। পাশাপাশি মন্ত্রীর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের বিষয়ে পরামর্শের জন্য দেশের অ্যাটর্নি জেনারেলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। এমনকি রাজভবনে পুলিশ প্রবেশের ওপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
এদিকে এ ঘটনাকে বানানো গল্প উল্লেখ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে আনন্দ বোস লেখেন, ‘আমি কৌশলে বানানো গল্পে ভয় পাই না। কেউ যদি আমাকে অপমান করে নির্বাচনী সুবিধা পেতে চায়, ঈশ্বর তাদের মঙ্গল করুন। কিন্তু বাংলায় দুর্নীতি ও হিংসার বিরুদ্ধে আমার লড়াই কেউ থামাতে পারবে না।’
প্রসঙ্গত, দেশের সংবিধানের ৩৬১ অনুচ্ছেদ অনুসারে দায়িত্বরত কোনো গভর্নর বা দেশের রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে ফৌজদারি বা দেওয়ানি মামলা দায়ের করা যায় না। এমনকি তাঁর বিরুদ্ধে কোনো তদন্ত কিংবা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদও করা যায় না। এ ছাড়া এ ধরনের মামলা আদালতেও গ্রাহ্য হয় না।

গাজা উপত্যকায় হামাসের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধের আবহের মধ্যেই ২০২৫ সালে ৬৯ হাজারেরও বেশি নাগরিক দেশ ছেড়েছেন। গতকাল বুধবার প্রকাশিত এক বার্ষিক প্রতিবেদনে দেশটির কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান ব্যুরো (সিবিএস) জানিয়েছে, এর ফলে টানা দ্বিতীয় বছরের মতো ইসরায়েলে অভিবাসনের ভারসাম্য ঋণাত্মক পর্যায়ে পৌঁছেছে।
১ ঘণ্টা আগে
জোহরান মামদানি নিউইয়র্ক সিটির মেয়র হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন। এর মধ্য দিয়ে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম এই শহরের প্রথম মুসলিম এবং কয়েক প্রজন্মের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ মেয়র হিসেবে ইতিহাস গড়লেন। আজ বৃহস্পতিবার পবিত্র কোরআন ছুঁয়ে তিনি শপথ গ্রহণ করেন।
২ ঘণ্টা আগে
ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া গাজাবাসীর জন্য সবটুকু আশার আলো যেন নিভে যেতে বসেছে। উপত্যকার কয়েক ডজন আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থাকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসরায়েল, যা ওই অঞ্চলে জীবন রক্ষাকারী মানবিক কার্যক্রমকে এক চরম অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি গতকাল বুধবার জানিয়েছেন, রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধের চুক্তির লক্ষ্যমাত্রা থেকে তাঁর দেশ আর মাত্র ‘১০ শতাংশ’ দূরে। তবে তিনি সতর্ক করে বলেছেন, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো এখনো অমীমাংসিত এবং মস্কোকে পুরস্কৃত করার বিরুদ্ধেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
৪ ঘণ্টা আগে