
ইন্ডিয়া বনাম ভারতের লড়াইয়ে নরেন্দ্র মোদি সরকার আটঘাট বেঁধেই নেমেছে। জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনজুড়েই ‘ইন্ডিয়া’র বদলে ‘ভারত’ নাম ব্যবহার করা হচ্ছে। এমনকি আজ শনিবার সম্মেলন উদ্বোধনের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সামনের নামফলকটিতে লেখা ছিল ‘ভারত’। দেশের নাম পরিবর্তনের যে আলাপ জোরেশোরে শুরু হয়েছে, সেটিরই বার্তা দিতে চাইছেন মোদি সরকার।
গত সপ্তাহে ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু জি-২০ নেতাদের সম্মানে আয়োজিত নৈশভোজের আমন্ত্রণপত্রে নিজেকে ‘প্রেসিডেন্ট অব ভারত’ নামে পরিচয় দিয়েছেন। এরপরই দেশের নাম পরিবর্তন নিয়ে শুরু হয় বিতর্ক।
সরকারি-বেসরকারিভাবে ইন্ডিয়া ও ভারত—দুই নামই ব্যবহার করা হয়। যদিও ঐতিহাসিকভাবে ইংরেজিতে যখন লেখা হয় বা বিদেশে কোথাও যোগাযোগ করা হয় তখন ইন্ডিয়া নাম ব্যবহার করে।
বিদেশি প্রতিনিধিদের জন্য জি-২০ সম্মেলনের একটি পুস্তিকাতেও ‘ভারত’ নামটি ব্যবহার করা হয়েছে। সেখানে লেখা হয়েছে, ‘ভারত, গণতন্ত্রের জননী।’ পুস্তিকাতে আরও বলা হয়, ‘ “ভারত” দেশের সরকারি নাম। এটি সংবিধানে উল্লেখ করা হয়েছে। ১৯৪৬–৪৮ সালেও এটি আলোচনায় ছিল।’
চলতি মাসের শেষের দিকে অনুষ্ঠেয় সংসদের বিশেষ অধিবেশনে নাম পরিবর্তন করে ‘ভারত’ নামকরণের প্রস্তাব পাস হতে পারে জি-২০ সম্মেলনে এই উৎসাহ ও উদ্যোগ তেমন ইঙ্গিতই দিচ্ছে।
‘ভারত’ নামের পক্ষের সমর্থকেরা বলছেন, ব্রিটিশ ঔপনিবেশিকেরা ‘ইন্ডিয়া’ নাম দিয়েছে। যদিও ঐতিহাসিকদের মতে, কয়েক শতাব্দীর উপনিবেশ শাসনের আগেও ইন্ডিয়া নামটি ছিল। কিন্তু বিজেপির আদর্শিক সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস) দেশের নাম ‘ভারত’ করার পক্ষে। এটি তাদের পুরোনো দাবি।
বিরোধীরা বলছেন, বিজেপিবিরোধী ২৮টি দলকে নিয়ে সম্প্রতি গঠিত ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ইনক্লুসিভ অ্যালায়েন্স, সংক্ষেপে ‘ইন্ডিয়া’ জোটকে ঠেকাতেই সরকার দেশের নাম পরিবর্তনের তোড়জোড় শুরু করেছে। কংগ্রেসের নেতৃত্বে ২০২৪ সালের নির্বাচনে লড়ার লক্ষ্য ইন্ডিয়া জোটের।
ইন্ডিয়া জোটের সদস্যরা অভিযোগ করছেন, নরেন্দ্র মোদি সরকার ‘ইতিহাস বিকৃত করছে এবং ভারতকে বিভক্ত করছে’।
পাল্টা আক্রমণে বিজেপি নেতারা বিরোধীদের ‘দেশবিরোধী এবং সংবিধানবিরোধী’ বলে অভিযুক্ত করছেন। তাঁরা সংবিধানের ৫৭ অনুচ্ছেদের দিকে ইঙ্গিত করছেন।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেছেন, ‘ভারত’ নাম ব্যবহারের সিদ্ধান্ত ঔপনিবেশিক মানসিকতার বিরুদ্ধে একটি দৃঢ় অবস্থান। তিনি বলেন, ‘এটা আগেই হওয়া উচিত ছিল। এটা আমাকে দারুণ মনোতুষ্টি দেয়। “ভারত” আমাদের পরিচয়। আমরা এটা নিয়ে গর্বিত।’

ইন্ডিয়া বনাম ভারতের লড়াইয়ে নরেন্দ্র মোদি সরকার আটঘাট বেঁধেই নেমেছে। জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনজুড়েই ‘ইন্ডিয়া’র বদলে ‘ভারত’ নাম ব্যবহার করা হচ্ছে। এমনকি আজ শনিবার সম্মেলন উদ্বোধনের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সামনের নামফলকটিতে লেখা ছিল ‘ভারত’। দেশের নাম পরিবর্তনের যে আলাপ জোরেশোরে শুরু হয়েছে, সেটিরই বার্তা দিতে চাইছেন মোদি সরকার।
গত সপ্তাহে ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু জি-২০ নেতাদের সম্মানে আয়োজিত নৈশভোজের আমন্ত্রণপত্রে নিজেকে ‘প্রেসিডেন্ট অব ভারত’ নামে পরিচয় দিয়েছেন। এরপরই দেশের নাম পরিবর্তন নিয়ে শুরু হয় বিতর্ক।
সরকারি-বেসরকারিভাবে ইন্ডিয়া ও ভারত—দুই নামই ব্যবহার করা হয়। যদিও ঐতিহাসিকভাবে ইংরেজিতে যখন লেখা হয় বা বিদেশে কোথাও যোগাযোগ করা হয় তখন ইন্ডিয়া নাম ব্যবহার করে।
বিদেশি প্রতিনিধিদের জন্য জি-২০ সম্মেলনের একটি পুস্তিকাতেও ‘ভারত’ নামটি ব্যবহার করা হয়েছে। সেখানে লেখা হয়েছে, ‘ভারত, গণতন্ত্রের জননী।’ পুস্তিকাতে আরও বলা হয়, ‘ “ভারত” দেশের সরকারি নাম। এটি সংবিধানে উল্লেখ করা হয়েছে। ১৯৪৬–৪৮ সালেও এটি আলোচনায় ছিল।’
চলতি মাসের শেষের দিকে অনুষ্ঠেয় সংসদের বিশেষ অধিবেশনে নাম পরিবর্তন করে ‘ভারত’ নামকরণের প্রস্তাব পাস হতে পারে জি-২০ সম্মেলনে এই উৎসাহ ও উদ্যোগ তেমন ইঙ্গিতই দিচ্ছে।
‘ভারত’ নামের পক্ষের সমর্থকেরা বলছেন, ব্রিটিশ ঔপনিবেশিকেরা ‘ইন্ডিয়া’ নাম দিয়েছে। যদিও ঐতিহাসিকদের মতে, কয়েক শতাব্দীর উপনিবেশ শাসনের আগেও ইন্ডিয়া নামটি ছিল। কিন্তু বিজেপির আদর্শিক সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস) দেশের নাম ‘ভারত’ করার পক্ষে। এটি তাদের পুরোনো দাবি।
বিরোধীরা বলছেন, বিজেপিবিরোধী ২৮টি দলকে নিয়ে সম্প্রতি গঠিত ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ইনক্লুসিভ অ্যালায়েন্স, সংক্ষেপে ‘ইন্ডিয়া’ জোটকে ঠেকাতেই সরকার দেশের নাম পরিবর্তনের তোড়জোড় শুরু করেছে। কংগ্রেসের নেতৃত্বে ২০২৪ সালের নির্বাচনে লড়ার লক্ষ্য ইন্ডিয়া জোটের।
ইন্ডিয়া জোটের সদস্যরা অভিযোগ করছেন, নরেন্দ্র মোদি সরকার ‘ইতিহাস বিকৃত করছে এবং ভারতকে বিভক্ত করছে’।
পাল্টা আক্রমণে বিজেপি নেতারা বিরোধীদের ‘দেশবিরোধী এবং সংবিধানবিরোধী’ বলে অভিযুক্ত করছেন। তাঁরা সংবিধানের ৫৭ অনুচ্ছেদের দিকে ইঙ্গিত করছেন।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেছেন, ‘ভারত’ নাম ব্যবহারের সিদ্ধান্ত ঔপনিবেশিক মানসিকতার বিরুদ্ধে একটি দৃঢ় অবস্থান। তিনি বলেন, ‘এটা আগেই হওয়া উচিত ছিল। এটা আমাকে দারুণ মনোতুষ্টি দেয়। “ভারত” আমাদের পরিচয়। আমরা এটা নিয়ে গর্বিত।’

ইরানে গত রাতের দেশজুড়ে বিক্ষোভ চলাকালে রাষ্ট্রীয় দমনপীড়ন ও সহিংসতার মাত্রা খুবই তীব্র ছিল বলে জানিয়েছে বিবিসি পারসিয়ান। বিভিন্ন শহর থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ সংস্থাটি বলছে, নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অনেক বিক্ষোভকারী নিহত ও আহত হয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
দেশজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় পর্যায়ে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে ইরান সরকার। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাতে ইরানের যোগাযোগ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, দেশের ‘বর্তমান পরিস্থিতির’ কারণে নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে এই ইন্টারনেট...
৬ ঘণ্টা আগে
কঠোর নিরাপত্তা অভিযান ও দমন–পীড়নের পরও শুক্রবার রাতে (১৩ তম দিন) আবারও ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে ইরানের রাজধানী তেহরানে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় উঠে এসেছে, শহরের বিভিন্ন এলাকায় হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে এসে সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত অন্তত ৪৮ বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো। একই সঙ্গে নিহত হয়েছেন ১৪ নিরাপত্তা সদস্য; এমন তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ)।
৬ ঘণ্টা আগে