
ভারতে ঘনিয়ে আসছে লোকসভা নির্বাচন। এমন সময়ে দেশটির আঞ্চলিক রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকার ওপর জোর দিচ্ছেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন। সেই সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
আজ শনিবার ভারতীয় বার্তা সংস্থা পিটিআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ অর্থনীতিবিদ ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির একাধিপত্যের অবসানের সম্ভাবনার কথা বলেছেন। ৯০ বছর বয়সী এ প্রথিতযশা অর্থনীতিবিদ বলেছেন, এমনটা ভাবা ভুল হবে যে, আগামী লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির পক্ষেই সব ভোট যাবে। ভোটের ময়দানে ক্ষমতাসীন বিজেপি একাই দাপিয়ে বেড়াবে এমনটা ধরে নিয়ে তামিলনাড়ুর ডিএমকে, পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল কংগ্রেস এবং উত্তরপ্রদেশের সমাজবাদী পার্টির মতো দলগুলোর ভূমিকাকে খাটো করে দেখা ভুল হবে।
অমর্ত্য সেনের মতে, আগামী লোকসভা ভোটে বিজেপিকে হারাতে হলে দেশের আঞ্চলিক দলগুলোকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।
এ অর্থনীতিবিদ ও বুদ্ধিজীবী বলেন, ‘যদি বিজেপিকে শক্তিশালী এবং দৃঢ় দেখায়, তবে তার দুর্বলতাও রয়েছে। তাই, আমি মনে করি অন্য রাজনৈতিক দলগুলো যদি সত্যিই চেষ্টা করে তবে তারা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আসতে পারবে। আমি জানি না বিজেপি–বিরোধীদের অবস্থা এখন কী।’
‘আমি মনে করি, বেশ কয়েকটি আঞ্চলিক দল সুস্পষ্টভাবে গুরুত্বপূর্ণ। আমি মনে করি, ডিএমকে একটি গুরুত্বপূর্ণ দল, টিএমসি অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ এবং সমাজবাদী পার্টির কিছুটা অবস্থান রয়েছে। তবে এদের প্রভাব বাড়ানো যেতে পারে কি না আমি জানি না।’ পিটিআইকে বলেন অমর্ত্য সেন।
এদিকে আসন্ন সাধারণ নির্বাচনে জোটবদ্ধ হয়ে লড়ার লক্ষ্যে কাজ করার নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে বিরোধী দলগুলোর মধ্য থেকে বেশ কয়েকটি নাম বারবার উচ্চারিত হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নিতীশ কুমার এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কংগ্রেস নেতারাও রাহুল গান্ধীকে বিরোধীদের মুখ হওয়ার সম্ভাবনার কথা বলছেন।
অমর্ত্য সেন অবশ্য মনে করেন, তৃণমূল কংগ্রেস নেতা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার সক্ষমতা থাকলেও, বিজেপির বিরুদ্ধে জনসাধারণের আবেগকে এক কেন্দ্রে আনতে পারবেন কি না তা এখনো স্পষ্ট নয়।
তিনি বলেন, ‘এমন নয় যে, তাঁর সেই সক্ষমতা নেই। স্পষ্টভাবেই সেই সক্ষমতা তাঁর রয়েছে। অন্যদিকে, এটি এখনো সুপ্রতিষ্ঠিত নয় যে, ভারতে এই বিভক্তির অবসান ঘটাতে মমতা বিজেপির বিরুদ্ধে জনগণের হতাশা ও অসন্তোষের শক্তিকে সমন্বিত উপায়ে জড়ো করতে নেতৃত্ব দেবেন।’
শারদ পাওয়ারের এনসিপি এবং নিতীশ কুমারের জনতা দল (ইউনাইটেড) সহ বেশ কয়েকটি দলের নেতারা কংগ্রেসকে অন্তর্ভুক্ত করে একটি নতুন জোটের আহ্বান জানিয়েছেন। তবে অমর্ত্য সেন ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ‘দুর্বল’ দলগুলোর সম্ভাবনা সম্পর্কে কিছুটা সন্দিহান।
তিনি বলেন, ‘কংগ্রেস অনেক দুর্বল হয়ে গেছে বলে মনে হচ্ছে। আমি জানি না অন্যরা কংগ্রেসের ওপর কতটা নির্ভর করতে পারে। অন্যদিকে, কংগ্রেসের অবশ্যই একটি সর্বভারতীয় দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে, যা অন্য দল দিতে পারে না। কংগ্রেসের ভেতর আবার বিভাজনও রয়েছে।’
উল্লেখ্য, অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন প্রকাশ্যে বহুবার ক্ষমতাসীন বিজেপির সমালোচনা করেছেন। ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি ক্ষমতায় আসার পর একাধিকবার উগ্র জাতীয়তাবাদের বিপদ সম্পর্কে সতর্ক করেছেন তিনি। এর জন্য বিজেপি নেতাদের ধারাবাহিক আক্রমণের মুখেও পড়তে হয়েছে তাঁকে।
ক্ষমতায় আসার পরেই ২০১৪ সালে অমর্ত্য সেনকে ‘ভারতরত্ন’ সম্মানে ভূষিত করে নরেন্দ্র মোদির সরকার।

ভারতে ঘনিয়ে আসছে লোকসভা নির্বাচন। এমন সময়ে দেশটির আঞ্চলিক রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকার ওপর জোর দিচ্ছেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন। সেই সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
আজ শনিবার ভারতীয় বার্তা সংস্থা পিটিআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ অর্থনীতিবিদ ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির একাধিপত্যের অবসানের সম্ভাবনার কথা বলেছেন। ৯০ বছর বয়সী এ প্রথিতযশা অর্থনীতিবিদ বলেছেন, এমনটা ভাবা ভুল হবে যে, আগামী লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির পক্ষেই সব ভোট যাবে। ভোটের ময়দানে ক্ষমতাসীন বিজেপি একাই দাপিয়ে বেড়াবে এমনটা ধরে নিয়ে তামিলনাড়ুর ডিএমকে, পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল কংগ্রেস এবং উত্তরপ্রদেশের সমাজবাদী পার্টির মতো দলগুলোর ভূমিকাকে খাটো করে দেখা ভুল হবে।
অমর্ত্য সেনের মতে, আগামী লোকসভা ভোটে বিজেপিকে হারাতে হলে দেশের আঞ্চলিক দলগুলোকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।
এ অর্থনীতিবিদ ও বুদ্ধিজীবী বলেন, ‘যদি বিজেপিকে শক্তিশালী এবং দৃঢ় দেখায়, তবে তার দুর্বলতাও রয়েছে। তাই, আমি মনে করি অন্য রাজনৈতিক দলগুলো যদি সত্যিই চেষ্টা করে তবে তারা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আসতে পারবে। আমি জানি না বিজেপি–বিরোধীদের অবস্থা এখন কী।’
‘আমি মনে করি, বেশ কয়েকটি আঞ্চলিক দল সুস্পষ্টভাবে গুরুত্বপূর্ণ। আমি মনে করি, ডিএমকে একটি গুরুত্বপূর্ণ দল, টিএমসি অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ এবং সমাজবাদী পার্টির কিছুটা অবস্থান রয়েছে। তবে এদের প্রভাব বাড়ানো যেতে পারে কি না আমি জানি না।’ পিটিআইকে বলেন অমর্ত্য সেন।
এদিকে আসন্ন সাধারণ নির্বাচনে জোটবদ্ধ হয়ে লড়ার লক্ষ্যে কাজ করার নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে বিরোধী দলগুলোর মধ্য থেকে বেশ কয়েকটি নাম বারবার উচ্চারিত হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নিতীশ কুমার এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কংগ্রেস নেতারাও রাহুল গান্ধীকে বিরোধীদের মুখ হওয়ার সম্ভাবনার কথা বলছেন।
অমর্ত্য সেন অবশ্য মনে করেন, তৃণমূল কংগ্রেস নেতা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার সক্ষমতা থাকলেও, বিজেপির বিরুদ্ধে জনসাধারণের আবেগকে এক কেন্দ্রে আনতে পারবেন কি না তা এখনো স্পষ্ট নয়।
তিনি বলেন, ‘এমন নয় যে, তাঁর সেই সক্ষমতা নেই। স্পষ্টভাবেই সেই সক্ষমতা তাঁর রয়েছে। অন্যদিকে, এটি এখনো সুপ্রতিষ্ঠিত নয় যে, ভারতে এই বিভক্তির অবসান ঘটাতে মমতা বিজেপির বিরুদ্ধে জনগণের হতাশা ও অসন্তোষের শক্তিকে সমন্বিত উপায়ে জড়ো করতে নেতৃত্ব দেবেন।’
শারদ পাওয়ারের এনসিপি এবং নিতীশ কুমারের জনতা দল (ইউনাইটেড) সহ বেশ কয়েকটি দলের নেতারা কংগ্রেসকে অন্তর্ভুক্ত করে একটি নতুন জোটের আহ্বান জানিয়েছেন। তবে অমর্ত্য সেন ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ‘দুর্বল’ দলগুলোর সম্ভাবনা সম্পর্কে কিছুটা সন্দিহান।
তিনি বলেন, ‘কংগ্রেস অনেক দুর্বল হয়ে গেছে বলে মনে হচ্ছে। আমি জানি না অন্যরা কংগ্রেসের ওপর কতটা নির্ভর করতে পারে। অন্যদিকে, কংগ্রেসের অবশ্যই একটি সর্বভারতীয় দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে, যা অন্য দল দিতে পারে না। কংগ্রেসের ভেতর আবার বিভাজনও রয়েছে।’
উল্লেখ্য, অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন প্রকাশ্যে বহুবার ক্ষমতাসীন বিজেপির সমালোচনা করেছেন। ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি ক্ষমতায় আসার পর একাধিকবার উগ্র জাতীয়তাবাদের বিপদ সম্পর্কে সতর্ক করেছেন তিনি। এর জন্য বিজেপি নেতাদের ধারাবাহিক আক্রমণের মুখেও পড়তে হয়েছে তাঁকে।
ক্ষমতায় আসার পরেই ২০১৪ সালে অমর্ত্য সেনকে ‘ভারতরত্ন’ সম্মানে ভূষিত করে নরেন্দ্র মোদির সরকার।

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণের অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী একটি শক্তিশালী ‘সনিক উইপন’ (শব্দাস্ত্র) ব্যবহার করেছিল বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, অস্ত্রটি বিশেষ। এটা আর কারও কাছে নেই। একই সঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তির...
৬ ঘণ্টা আগে
গত বছরের জুলাইয়ে স্কটল্যান্ডের টার্নবেরিতে ট্রাম্প এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েনের মধ্যে এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল ইউরোপীয় পণ্যের ওপর মার্কিন শুল্ক ৩০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশ করা এবং লবস্টারসহ (একধরনের সামুদ্রিক মাছে) নির্দিষ্ট কিছু মার্কিন পণ্যের
৮ ঘণ্টা আগে
ফোরামে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি মনে করি, আমরা একটি চুক্তির খুব কাছাকাছি আছি। আমি বিশ্বাস করি, তাঁরা এখন এমন এক জায়গায় আছে, যেখান থেকে এক হয়ে চুক্তি সম্পন্ন করতে পারে। আর যদি তাঁরা তা না করে, তবে তাঁরা স্টুপিড। আমি জানি তাঁরা আসলে নির্বোধ নন, কিন্তু এই সমাধান করতে না পারলে তাঁদের নির্বোধই বলতে হবে।’
৮ ঘণ্টা আগে
বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনে আবারও গ্রিনল্যান্ড দখলের ঘোষণা দিয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আজ বুধবার ফোরামে দেওয়া ভাষণে তিনি গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে আনার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন এবং ইউরোপীয় মিত্রদের প্রতি হুঁশিয়ারি...
৯ ঘণ্টা আগে