কলকাতা প্রতিনিধি

ভারতে বইতে শুরু করেছে নির্বাচনী হাওয়া। দেশটির ১৫টি রাজ্যের ৫৭টি কেন্দ্রে রাজ্যসভা অনুষ্ঠিত হবে নির্বাচন ১০ জুন। এসব কেন্দ্রের মধ্যে খাতায় কলমে এবং অন্যান্য বিচারে অন্তত ১০টি কেন্দ্রে কংগ্রেসের জয় প্রায় নিশ্চিত। তবে সেই জয় ছিনিয়ে নিতে মরিয়া ভারতীয় জনতা পার্টি-বিজেপিও।
এরই মধ্যে দেশটির রাজ্যে রাজ্যে শুরু হয়েছে কংগ্রেস ঘর ভাঙানোর খেলা। দলের বিক্ষুব্ধ নেতা-কর্মী বিশেষ করে বিধায়কদের নিজেদের দলে টানতে নানা কৌশল অবলম্বন করেছে বিজেপি। বিদ্রোহী-ক্ষুব্ধ বিধায়কদের দলে টেনে কংগ্রেসকে আরও বেশি কোণঠাসা করে ফেলতে চায় বিজেপি। সদ্য সমাপ্ত আসামের রাজ্যসভা নির্বাচনে এমন কৌশলে অনেকটাই সফল বিজেপি। এই সাফল্যের আত্মবিশ্বাস কাজে লাগিয়ে অন্যান্য রাজ্যেও কংগ্রেসের ঘর ভাঙতে চায় বিজেপি।
ভারতের পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ রাজ্যসভার প্রতিনিধিদের নির্বাচন করে থাকেন দেশটির রাজ্যগুলোর বিধায়কেরা। দলের নির্দেশ মেনে দলীয় প্রতিনিধিকেই ভোট দেওয়ার নিয়ম প্রচলিত ভারতে। ফলে ফ্লোর ক্রসিং বা ক্রস ভোটের সম্ভাবনা কম। কিন্তু তারপরও রাজ্যে রাজ্যে ক্রস ভোট বা ভোট নষ্ট করে দলীয় প্রার্থীকে হারানোর একাধিক উদাহরণ রয়েছে।
বিশেষ করে একটি রাজ্যের একাধিক আসনে রাজ্যসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে বিরোধীদেরও জয়ের সম্ভাবনা থাকে। সেই সম্ভাবনা মাথায় রেখেই কংগ্রেসের ক্ষুব্ধদের ক্রস ভোটের দিকে নিয়ে গিয়ে রাজস্থান, হরিয়ানা, কর্ণাটক ও মহারাষ্ট্রে কংগ্রেসকে হারানোর ছক কষছে বিজেপি। তাই সংখ্যার হিসেবেও হার নিশ্চিত বুঝেও প্রার্থী দিয়েছে তাঁরা।
কংগ্রেস মুখপাত্র রণদ্বীপ সিং সুরজেওয়ালার দাবি, দল ঐক্যবদ্ধ রয়েছে। কিন্তু বাস্তবতা বলছে রাজ্যসভার প্রার্থী বাছাই নিয়ে কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ কোন্দল তুঙ্গে। আর এরই ফায়দা নিতে মরিয়া বিজেপি।

ভারতে বইতে শুরু করেছে নির্বাচনী হাওয়া। দেশটির ১৫টি রাজ্যের ৫৭টি কেন্দ্রে রাজ্যসভা অনুষ্ঠিত হবে নির্বাচন ১০ জুন। এসব কেন্দ্রের মধ্যে খাতায় কলমে এবং অন্যান্য বিচারে অন্তত ১০টি কেন্দ্রে কংগ্রেসের জয় প্রায় নিশ্চিত। তবে সেই জয় ছিনিয়ে নিতে মরিয়া ভারতীয় জনতা পার্টি-বিজেপিও।
এরই মধ্যে দেশটির রাজ্যে রাজ্যে শুরু হয়েছে কংগ্রেস ঘর ভাঙানোর খেলা। দলের বিক্ষুব্ধ নেতা-কর্মী বিশেষ করে বিধায়কদের নিজেদের দলে টানতে নানা কৌশল অবলম্বন করেছে বিজেপি। বিদ্রোহী-ক্ষুব্ধ বিধায়কদের দলে টেনে কংগ্রেসকে আরও বেশি কোণঠাসা করে ফেলতে চায় বিজেপি। সদ্য সমাপ্ত আসামের রাজ্যসভা নির্বাচনে এমন কৌশলে অনেকটাই সফল বিজেপি। এই সাফল্যের আত্মবিশ্বাস কাজে লাগিয়ে অন্যান্য রাজ্যেও কংগ্রেসের ঘর ভাঙতে চায় বিজেপি।
ভারতের পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ রাজ্যসভার প্রতিনিধিদের নির্বাচন করে থাকেন দেশটির রাজ্যগুলোর বিধায়কেরা। দলের নির্দেশ মেনে দলীয় প্রতিনিধিকেই ভোট দেওয়ার নিয়ম প্রচলিত ভারতে। ফলে ফ্লোর ক্রসিং বা ক্রস ভোটের সম্ভাবনা কম। কিন্তু তারপরও রাজ্যে রাজ্যে ক্রস ভোট বা ভোট নষ্ট করে দলীয় প্রার্থীকে হারানোর একাধিক উদাহরণ রয়েছে।
বিশেষ করে একটি রাজ্যের একাধিক আসনে রাজ্যসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে বিরোধীদেরও জয়ের সম্ভাবনা থাকে। সেই সম্ভাবনা মাথায় রেখেই কংগ্রেসের ক্ষুব্ধদের ক্রস ভোটের দিকে নিয়ে গিয়ে রাজস্থান, হরিয়ানা, কর্ণাটক ও মহারাষ্ট্রে কংগ্রেসকে হারানোর ছক কষছে বিজেপি। তাই সংখ্যার হিসেবেও হার নিশ্চিত বুঝেও প্রার্থী দিয়েছে তাঁরা।
কংগ্রেস মুখপাত্র রণদ্বীপ সিং সুরজেওয়ালার দাবি, দল ঐক্যবদ্ধ রয়েছে। কিন্তু বাস্তবতা বলছে রাজ্যসভার প্রার্থী বাছাই নিয়ে কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ কোন্দল তুঙ্গে। আর এরই ফায়দা নিতে মরিয়া বিজেপি।

আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
১ মিনিট আগে
চলতি মাসের শুরুতে জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের পক্ষ থেকে মসজিদসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে চার পাতার একটি ফরম বিতরণ করা হয়। এর শিরোনাম ছিল—‘মসজিদের প্রোফাইলিং’। কিন্তু ভারত সরকারের এই উদ্যোগ কাশ্মীরের মুসলিম-অধ্যুষিত অঞ্চলগুলোর মানুষের মধ্যে তৈরি করেছে একধরনের উদ্বেগ।
৪১ মিনিট আগে
ভারতে ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় এবার নজিরবিহীন বিতর্কের সৃষ্টি হলো। খোদ নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর প্রপৌত্র (নাতির ছেলে) চন্দ্র বসুকে নাগরিকত্বের প্রমাণ যাচাইয়ের জন্য ‘এসআইআর’ শুনানিতে তলব করেছে নির্বাচন কমিশন। এই নোটিস পাওয়া মাত্রই তীব্র বিস্ময় ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাবেক এই বিজেপি নেতা।
৩ ঘণ্টা আগে
স্পেনের দক্ষিণাঞ্চলে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৯ জনে। এতে আরও বহু মানুষ আহত হয়েছেন। স্পেনের সিভিল গার্ড এ তথ্য জানিয়েছে। এটি গত এক দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে দেশটির সবচেয়ে ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনা বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। খবর বিবিসির।
৫ ঘণ্টা আগে