আজকের পত্রিকা ডেস্ক

স্পেনের দক্ষিণাঞ্চলে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৯ জনে। এতে আরও বহু মানুষ আহত হয়েছেন। স্পেনের সিভিল গার্ড এ তথ্য জানিয়েছে। এটি গত এক দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে দেশটির সবচেয়ে ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনা বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। খবর বিবিসির।
স্থানীয় সময় গতকাল রোববার সন্ধ্যায় আদামুজ এলাকায় মাদ্রিদগামী একটি ট্রেনের কয়েকটি বগি লাইনচ্যুত হয়ে বিপরীত দিকের রেললাইনে চলে যায়। সেখানেই বিপরীত দিক থেকে আসা আরেকটি ট্রেনের সঙ্গে সেটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
স্পেনের রেল নেটওয়ার্ক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দুই ট্রেন মিলিয়ে প্রায় ৪০০ যাত্রী ও কর্মী ছিলেন। জরুরি সেবা বিভাগ ১২২ জনকে চিকিৎসা দিয়েছে। এর মধ্যে ৪৮ জন এখনো হাসপাতালে ভর্তি আছেন। হাসপাতালে থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে পাঁচজন শিশু রয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় ১১ জন প্রাপ্তবয়স্ক ও একজন শিশু নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন।
স্পেনের পরিবহনমন্ত্রী অস্কার পুয়েন্তে বলেছেন, নিহতের সংখ্যা এখনো চূড়ান্ত নয়। দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হয়েছে। পুয়েন্তে ঘটনাটিকে ‘অত্যন্ত অস্বাভাবিক’ বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি মাদ্রিদে সাংবাদিকদের বলেন, সরকারের সঙ্গে পরামর্শ করা সব রেল বিশেষজ্ঞই এই দুর্ঘটনায় ‘চরমভাবে বিভ্রান্ত।’
রেল নেটওয়ার্ক অপারেটর এডিআইএফ জানিয়েছে, স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিটে দুর্ঘটনাটি ঘটে। মালাগা থেকে মাদ্রিদের দিকে রওনা দেওয়ার প্রায় এক ঘণ্টা পর, কর্ডোবা শহরের কাছে একটি সোজা রেলপথে ট্রেনটি লাইনচ্যুত হয়। পরিবহনমন্ত্রী জানান, সংঘর্ষের তীব্রতায় দ্বিতীয় ট্রেনটির বগিগুলো পাশের একটি বাঁধের দিকে ছিটকে যায়। তিনি আরও বলেন, নিহত ও আহতদের বেশির ভাগই দ্বিতীয় ট্রেনটির সামনের দিকের বগিতে ছিলেন। ওই ট্রেনটি মাদ্রিদ থেকে দক্ষিণের হুয়েলভার দিকে যাচ্ছিল।
দুর্ঘটনাকবলিত জড়িত ট্রেনটি ছিল ফ্রেচিয়া ১০০০ মডেলের। ইতালির রেল কোম্পানি ফেরোভিয়ে দেল্লো স্তাতোর এক মুখপাত্র রয়টার্সকে জানান, এই ধরনের ট্রেন সর্বোচ্চ ঘণ্টায় ৪০০ কিলোমিটার (২৫০ মাইল) গতিতে চলতে পারে। উদ্ধারকর্মীরা জানিয়েছেন, ট্রেনগুলোর দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া ধ্বংসাবশেষের কারণে ভেতরে আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধার করা খুব কঠিন হয়ে পড়েছে।
কর্ডোবা ফায়ার সার্ভিসের প্রধান ফ্রান্সিসকো কারমোনা স্পেনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আরটিভিইকে বলেন, ‘জীবিত কাউকে উদ্ধার করতে গিয়ে আমাদের এমন পরিস্থিতিও এসেছে, যেখানে আগে একজন মৃত ব্যক্তিকে সরাতে হয়েছে। কাজটি খুবই কঠিন ও ঝুঁকিপূর্ণ।’ আরটিভিইর সাংবাদিক সালভাদোর হিমেনেজ সংঘর্ষের সময় একটি ট্রেনে ছিলেন। তিনি বলেন, সংঘর্ষের সময় ঘটনাটি যেন ‘ভূমিকম্পের মতো’ মনে হয়েছিল। তিনি বলেন, ‘আমি প্রথম বগিতে ছিলাম। এক মুহূর্তে মনে হলো ভূমিকম্প হচ্ছে, আর ট্রেনটি সত্যিই লাইনচ্যুত হয়ে গিয়েছিল।’
ঘটনাস্থলের ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, কয়েকটি ট্রেনের বগি পাশ ফিরে পড়ে আছে। উদ্ধারকর্মীদের ট্রেনের গায়ে উঠে হেলে পড়া দরজা ও জানালা দিয়ে যাত্রীদের বের করে আনতে দেখা যায়। মাদ্রিদগামী ট্রেনের এক যাত্রী হোসে আঞ্চলিক সম্প্রচারমাধ্যম ক্যানাল সুরকে বলেন, ‘চারদিকে মানুষ আর চিৎকার। সবাই ডাকছিল—ডাক্তার, ডাক্তার।’
দুর্ঘটনার পর মাদ্রিদ ও আন্দালুসিয়ার মধ্যে সব ধরনের রেল চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সোমবার সারা দিন এই রুট বন্ধ থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মালাগা থেকে যাত্রা পরিচালনাকারী বেসরকারি রেল কোম্পানি ইরিও জানিয়েছে, প্রথম যে ট্রেনটি লাইনচ্যুত হয়, তাতে প্রায় ৩০০ যাত্রী ছিলেন। অপর ট্রেনটি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন রেনফে পরিচালিত ছিল, সেখানে প্রায় ১০০ জন যাত্রী ছিলেন।
দুর্ঘটনার আনুষ্ঠানিক কারণ এখনো জানা যায়নি। পরিবহনমন্ত্রী জানিয়েছেন, কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে, তা জানতে অন্তত এক মাস সময় লাগতে পারে। স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ বলেছেন, দেশটি একটি ‘গভীর বেদনার রাত’ পার করল।

স্পেনের দক্ষিণাঞ্চলে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৯ জনে। এতে আরও বহু মানুষ আহত হয়েছেন। স্পেনের সিভিল গার্ড এ তথ্য জানিয়েছে। এটি গত এক দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে দেশটির সবচেয়ে ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনা বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। খবর বিবিসির।
স্থানীয় সময় গতকাল রোববার সন্ধ্যায় আদামুজ এলাকায় মাদ্রিদগামী একটি ট্রেনের কয়েকটি বগি লাইনচ্যুত হয়ে বিপরীত দিকের রেললাইনে চলে যায়। সেখানেই বিপরীত দিক থেকে আসা আরেকটি ট্রেনের সঙ্গে সেটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
স্পেনের রেল নেটওয়ার্ক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দুই ট্রেন মিলিয়ে প্রায় ৪০০ যাত্রী ও কর্মী ছিলেন। জরুরি সেবা বিভাগ ১২২ জনকে চিকিৎসা দিয়েছে। এর মধ্যে ৪৮ জন এখনো হাসপাতালে ভর্তি আছেন। হাসপাতালে থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে পাঁচজন শিশু রয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় ১১ জন প্রাপ্তবয়স্ক ও একজন শিশু নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন।
স্পেনের পরিবহনমন্ত্রী অস্কার পুয়েন্তে বলেছেন, নিহতের সংখ্যা এখনো চূড়ান্ত নয়। দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হয়েছে। পুয়েন্তে ঘটনাটিকে ‘অত্যন্ত অস্বাভাবিক’ বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি মাদ্রিদে সাংবাদিকদের বলেন, সরকারের সঙ্গে পরামর্শ করা সব রেল বিশেষজ্ঞই এই দুর্ঘটনায় ‘চরমভাবে বিভ্রান্ত।’
রেল নেটওয়ার্ক অপারেটর এডিআইএফ জানিয়েছে, স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিটে দুর্ঘটনাটি ঘটে। মালাগা থেকে মাদ্রিদের দিকে রওনা দেওয়ার প্রায় এক ঘণ্টা পর, কর্ডোবা শহরের কাছে একটি সোজা রেলপথে ট্রেনটি লাইনচ্যুত হয়। পরিবহনমন্ত্রী জানান, সংঘর্ষের তীব্রতায় দ্বিতীয় ট্রেনটির বগিগুলো পাশের একটি বাঁধের দিকে ছিটকে যায়। তিনি আরও বলেন, নিহত ও আহতদের বেশির ভাগই দ্বিতীয় ট্রেনটির সামনের দিকের বগিতে ছিলেন। ওই ট্রেনটি মাদ্রিদ থেকে দক্ষিণের হুয়েলভার দিকে যাচ্ছিল।
দুর্ঘটনাকবলিত জড়িত ট্রেনটি ছিল ফ্রেচিয়া ১০০০ মডেলের। ইতালির রেল কোম্পানি ফেরোভিয়ে দেল্লো স্তাতোর এক মুখপাত্র রয়টার্সকে জানান, এই ধরনের ট্রেন সর্বোচ্চ ঘণ্টায় ৪০০ কিলোমিটার (২৫০ মাইল) গতিতে চলতে পারে। উদ্ধারকর্মীরা জানিয়েছেন, ট্রেনগুলোর দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া ধ্বংসাবশেষের কারণে ভেতরে আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধার করা খুব কঠিন হয়ে পড়েছে।
কর্ডোবা ফায়ার সার্ভিসের প্রধান ফ্রান্সিসকো কারমোনা স্পেনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আরটিভিইকে বলেন, ‘জীবিত কাউকে উদ্ধার করতে গিয়ে আমাদের এমন পরিস্থিতিও এসেছে, যেখানে আগে একজন মৃত ব্যক্তিকে সরাতে হয়েছে। কাজটি খুবই কঠিন ও ঝুঁকিপূর্ণ।’ আরটিভিইর সাংবাদিক সালভাদোর হিমেনেজ সংঘর্ষের সময় একটি ট্রেনে ছিলেন। তিনি বলেন, সংঘর্ষের সময় ঘটনাটি যেন ‘ভূমিকম্পের মতো’ মনে হয়েছিল। তিনি বলেন, ‘আমি প্রথম বগিতে ছিলাম। এক মুহূর্তে মনে হলো ভূমিকম্প হচ্ছে, আর ট্রেনটি সত্যিই লাইনচ্যুত হয়ে গিয়েছিল।’
ঘটনাস্থলের ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, কয়েকটি ট্রেনের বগি পাশ ফিরে পড়ে আছে। উদ্ধারকর্মীদের ট্রেনের গায়ে উঠে হেলে পড়া দরজা ও জানালা দিয়ে যাত্রীদের বের করে আনতে দেখা যায়। মাদ্রিদগামী ট্রেনের এক যাত্রী হোসে আঞ্চলিক সম্প্রচারমাধ্যম ক্যানাল সুরকে বলেন, ‘চারদিকে মানুষ আর চিৎকার। সবাই ডাকছিল—ডাক্তার, ডাক্তার।’
দুর্ঘটনার পর মাদ্রিদ ও আন্দালুসিয়ার মধ্যে সব ধরনের রেল চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সোমবার সারা দিন এই রুট বন্ধ থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মালাগা থেকে যাত্রা পরিচালনাকারী বেসরকারি রেল কোম্পানি ইরিও জানিয়েছে, প্রথম যে ট্রেনটি লাইনচ্যুত হয়, তাতে প্রায় ৩০০ যাত্রী ছিলেন। অপর ট্রেনটি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন রেনফে পরিচালিত ছিল, সেখানে প্রায় ১০০ জন যাত্রী ছিলেন।
দুর্ঘটনার আনুষ্ঠানিক কারণ এখনো জানা যায়নি। পরিবহনমন্ত্রী জানিয়েছেন, কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে, তা জানতে অন্তত এক মাস সময় লাগতে পারে। স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ বলেছেন, দেশটি একটি ‘গভীর বেদনার রাত’ পার করল।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দায়মুক্তির মনোভাব নিয়ে কাজ করছে এবং আন্তর্জাতিক আইনের চেয়ে নিজ শক্তি ও ‘গায়ের জোরকেই’ বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। এমনটাই মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। তিনি বলেছেন, ওয়াশিংটনের কাছে বহুপক্ষীয় সমাধান কার্যত অপ্রাসঙ্গিক বলে মনে হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ায় একটি মোটেলে মাদক ও যৌনব্যবসার অভিযোগে এক ভারতীয় দম্পতিসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এনডিটিভির প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ফেডারেল ও স্থানীয় গোয়েন্দাদের যৌথ অভিযানে ওই অপরাধ চক্রের মূল আস্তানা হিসেবে পরিচিত মোটেলটিতে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন যুদ্ধ পরবর্তী গাজার শাসনব্যবস্থা এবং পুনর্গঠন তদারকি করার জন্য ‘বোর্ড অব পিস’ বা শান্তি পরিষদ এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোতে যোগ দেওয়ার জন্য বিশ্বের বিভিন্ন ব্যক্তিত্বের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে।
৪ ঘণ্টা আগে
বিশ্বের সবচেয়ে বড় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত কাশিওয়াজাকি-কারিওয়া জাপানের সাগর উপকূলে নিইগাতা প্রিফেকচারের ৪ দশমিক ২ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে অবস্থিত। সাতটি রিঅ্যাক্টর পুরোপুরি চালু থাকলে কেন্দ্রটি সর্বোচ্চ ৮ দশমিক ২ গিগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারে, যা লাখ লাখ পরিবারের বিদ্যুৎ চাহিদা মেট
৪ ঘণ্টা আগে