কলকাতা প্রতিনিধি

বাংলাদেশ থেকে কয়েক শ কোটি টাকা তছরুপ ও বেআইনিভাবে সেই অর্থ ভারতে পাচারের অভিযোগে অভিযুক্ত সাতক্ষীরার প্রগতি সঞ্চয় ও ঋণদান কো-অপারেটিভ সোসাইটির নির্বাহী পরিচালক প্রাণনাথ দাশ পশ্চিমবঙ্গে গ্রেপ্তার হয়েছেন। গত রোববার গোপন সূত্রের ভিত্তিতে রাজ্যের উত্তর ২৪-পরগনা জেলার গোবরডাঙ্গা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্কফোর্সের একটি দল রোববার রাতে গোবরডাঙ্গা থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রাণনাথ দাশকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের পর গত সোমবার অভিযুক্তকে বারাসাত জেলা আদালতে তোলা হয়। আদালত তাঁকে ১৪ দিনের জন্য বিচার বিভাগীয় হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেয়।
পুলিশ জানিয়েছে, ২০১২ সালে সাতক্ষীরায় প্রগতি সঞ্চয় ও ঋণদান কো-অপারেটিভ সোসাইটি খোলেন প্রাণনাথ। সোসাইটির চেয়ারম্যান হিসেবে নিজের স্ত্রী ইতি রানী বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক হিসেবে বড় ভাই বিশ্বনাথ দাশকে নিযুক্ত করেন। লাখপ্রতি মাসে দেড় হাজার টাকা মুনাফা ও ডিপিএসে সঞ্চয়কৃত টাকা ৫ বছরে দ্বিগুণ করে ফিরিয়ে দেওয়ার লোভ দেখিয়ে অন্তত ২০ হাজার মানুষের কাছ থেকে শতকোটি টাকা হাতিয়ে নেন। পরে ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে সপরিবারে ভারতে পালিয়ে আসেন তিনি।
এসটিএফ বলছে, আগে থেকেই নিজের ও পরিবারের সদস্যদের ভুয়া ভারতীয় নথি তৈরি করে রেখেছিলেন প্রাণনাথ। গ্রাহকদের আত্মসাৎ করা টাকায় কলকাতার নিউটাউনে কয়েক কোটি টাকার বাড়িও কিনেছিলেন তিনি। সাতক্ষীরার শ্যামনগরের রমজাননগরের সীমান্ত হয়ে ভারতে অবৈধ অনুপ্রবেশ করেন প্রাণনাথ ও তাঁর পরিবার। পরে নিউটাউনের সেই বাড়িতে ওঠেন।
এসটিএফের দাবি, রোববার বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন প্রাণনাথ। এ সময় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে তাঁর পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য জানায়নি এসটিএফ। প্রাণনাথ বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের দমদম কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী।

বাংলাদেশ থেকে কয়েক শ কোটি টাকা তছরুপ ও বেআইনিভাবে সেই অর্থ ভারতে পাচারের অভিযোগে অভিযুক্ত সাতক্ষীরার প্রগতি সঞ্চয় ও ঋণদান কো-অপারেটিভ সোসাইটির নির্বাহী পরিচালক প্রাণনাথ দাশ পশ্চিমবঙ্গে গ্রেপ্তার হয়েছেন। গত রোববার গোপন সূত্রের ভিত্তিতে রাজ্যের উত্তর ২৪-পরগনা জেলার গোবরডাঙ্গা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্কফোর্সের একটি দল রোববার রাতে গোবরডাঙ্গা থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রাণনাথ দাশকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের পর গত সোমবার অভিযুক্তকে বারাসাত জেলা আদালতে তোলা হয়। আদালত তাঁকে ১৪ দিনের জন্য বিচার বিভাগীয় হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেয়।
পুলিশ জানিয়েছে, ২০১২ সালে সাতক্ষীরায় প্রগতি সঞ্চয় ও ঋণদান কো-অপারেটিভ সোসাইটি খোলেন প্রাণনাথ। সোসাইটির চেয়ারম্যান হিসেবে নিজের স্ত্রী ইতি রানী বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক হিসেবে বড় ভাই বিশ্বনাথ দাশকে নিযুক্ত করেন। লাখপ্রতি মাসে দেড় হাজার টাকা মুনাফা ও ডিপিএসে সঞ্চয়কৃত টাকা ৫ বছরে দ্বিগুণ করে ফিরিয়ে দেওয়ার লোভ দেখিয়ে অন্তত ২০ হাজার মানুষের কাছ থেকে শতকোটি টাকা হাতিয়ে নেন। পরে ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে সপরিবারে ভারতে পালিয়ে আসেন তিনি।
এসটিএফ বলছে, আগে থেকেই নিজের ও পরিবারের সদস্যদের ভুয়া ভারতীয় নথি তৈরি করে রেখেছিলেন প্রাণনাথ। গ্রাহকদের আত্মসাৎ করা টাকায় কলকাতার নিউটাউনে কয়েক কোটি টাকার বাড়িও কিনেছিলেন তিনি। সাতক্ষীরার শ্যামনগরের রমজাননগরের সীমান্ত হয়ে ভারতে অবৈধ অনুপ্রবেশ করেন প্রাণনাথ ও তাঁর পরিবার। পরে নিউটাউনের সেই বাড়িতে ওঠেন।
এসটিএফের দাবি, রোববার বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন প্রাণনাথ। এ সময় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে তাঁর পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য জানায়নি এসটিএফ। প্রাণনাথ বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের দমদম কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী।

ভারতের কেন্দ্র সরকার পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও ত্রিপুরায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার কয়েকটি পরিত্যক্ত এয়ারস্ট্রিপ পুনরুজ্জীবিত করার পরিকল্পনা নিয়েছে। সূত্র জানিয়েছে, বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলোতে আঞ্চলিক যোগাযোগ বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
১৮ মিনিট আগে
হাসান আলী প্রশ্ন করেন—কেন তাঁর বাবাকে দুই দেশের মধ্যে এভাবে ছোড়াছুড়ি করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমার দেশ আমার বাবাকে বাংলাদেশি বলে ঘোষণা করেছে। কিন্তু বাংলাদেশ তাঁকে দুইবার ফেরত পাঠিয়েছে। তাহলে আমাদের দেশ কোনটা? আমাদের দেশ আছে কি?’
২ ঘণ্টা আগে
লোহিত সাগর অঞ্চলে উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে সব চুক্তি বাতিল করেছে সোমালিয়া সরকার। গতকাল সোমবার মোগাদিসু সরকার এই ঘোষণা দিয়ে পারস্য উপসাগরীয় দেশটিকে তাদের সামরিক ঘাঁটি ও প্রধান বন্দর অবকাঠামো থেকে বহিষ্কার করেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইরানে সামরিক হামলার হুমকি দেওয়া অব্যাহত রেখেছে। দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া বিক্ষোভের মুখে ইরানি সরকার যখন ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে, তখন প্রশাসন জানিয়েছে যে সম্ভাব্য বিভিন্ন বিকল্পের মধ্যে ‘বিমান হামলা’ অন্যতম।
৩ ঘণ্টা আগে