
সাম্প্রতিক সময়ে ভারতীয় উপমহাদেশের দেশগুলোতে দূষণ একটি নিয়মিত ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে ভারত। দেশটি বিভিন্ন ধরনের দূষণকে ‘আন্তসীমান্ত’ ইস্যু বলে আখ্যা দিয়েছে। পাশাপাশি এই দূষণ, বিশেষ করে বায়ুদূষণ রোধে দুই প্রতিবেশী পাকিস্তান ও ভারতের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে দেশটি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার আজারবাইজানের বাকুতে চলমান বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলন কপ-২৯—এর দ্বিতীয় দিনে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে আয়োজিত এক বৈঠকে পৃথিবীর সবচেয়ে লম্বা ক্রায়োস্ফিয়ার জোনের (জমাটবাঁধা পানির বৃহৎ অঞ্চলকে ক্রায়োস্ফিয়ার বলা হয়) আওতায় পড়া ৮ দেশের মধ্যে ছয়টি দেশের মন্ত্রী এবং প্রতিনিধিদলের প্রধানেরা বৈঠকে বসেন।
ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড মাউন্টেন ডেভেলপমেন্ট বুধবার এক বিবৃতিতে জানায়, বৈঠকে ভারত বায়ু দূষণকে ইন্দো-গাঙ্গেয় এয়ারশেডে (একটি সাধারণ প্রবাহ চক্র) দূষণ সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরে।
বৈঠকে ভারতের পরিবেশ ও বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব নরেশ পাল গাংওয়ার বলেন, ‘আমাদের বেশির ভাগ দেশ একই এয়ারশেড—অর্থাৎ ইন্দো-গাঙ্গেয় এয়ারশেডের অধীনে পড়ে। এটি (বায়ুদূষণ) একটি আন্তসীমান্ত সমস্যা। বায়ুদূষণ মোকাবিলায় সব দেশকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’ বিবৃতিতে বলা হয়, নরেশ পাল বিশেষ করে পাকিস্তান ও বাংলাদেশকে আন্তসীমান্ত বায়ুদূষণ ব্যবস্থাপনা ও প্রশমনে সক্রিয়, সহযোগিতামূলক পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
এর আগে, পাকিস্তানের সবচেয়ে জনবহুল প্রদেশ পাঞ্জাবের এক উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী মরিয়ম নওয়াজ এই তীব্র বায়ুদূষণ সমস্যা সমাধানের ভারতের পাঞ্জাব প্রদেশের সঙ্গে কাজ করার জন্য দেশটি সফরের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। সম্প্রতি, লাহোর ও ভারতের রাজধানী দিল্লি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি দূষিত শহরগুলোতে তালিকায় শীর্ষস্থান দখল করেছে।
পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সচিব রাজা জাহাঙ্গীর আনওয়ার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী মারিয়াম নওয়াজ শিগগিরই ভারতীয় পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রীর (ভগবন্ত সিং মান) কাছে চিঠি পাঠাবেন। তিনি ভারত সফরের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন এবং তাঁকে পাকিস্তান সফরের আমন্ত্রণ জানানোর কথাও বলেছেন।
উল্লেখ্য, দক্ষিণ এশিয়ায় বায়ু দূষণ মোকাবিলায় বিদ্যমান একমাত্র আন্তঃসরকারী কাঠামো মালে ঘোষণা। ১৯৯৮ সালে বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, ইরান, মালদ্বীপ, নেপাল, পাকিস্তান এবং শ্রীলঙ্কা যৌথভাবে এই ঘোষণায় স্বাক্ষর করে।
২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে প্রকাশিত আইকিউএয়ারের প্রতিবেদন অনুসারে, দক্ষিণ এশিয়া বিশ্বের সবচেয়ে গুরুতর বায়ুদূষণের প্রভাবিত অঞ্চল। গত বছর বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও ভারতের বাতাসের মান সবচেয়ে খারাপ ছিল। যুক্তরাজ্যভিত্তিক মেডিকেল জার্নাল ল্যানসেটের সাম্প্রতিক এক গবেষণায় প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে,২০২১ সালে ভারতে ১৬ লাখ মানুষ বায়ুদূষণের কারণে মারা গেছে।

সাম্প্রতিক সময়ে ভারতীয় উপমহাদেশের দেশগুলোতে দূষণ একটি নিয়মিত ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে ভারত। দেশটি বিভিন্ন ধরনের দূষণকে ‘আন্তসীমান্ত’ ইস্যু বলে আখ্যা দিয়েছে। পাশাপাশি এই দূষণ, বিশেষ করে বায়ুদূষণ রোধে দুই প্রতিবেশী পাকিস্তান ও ভারতের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে দেশটি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার আজারবাইজানের বাকুতে চলমান বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলন কপ-২৯—এর দ্বিতীয় দিনে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে আয়োজিত এক বৈঠকে পৃথিবীর সবচেয়ে লম্বা ক্রায়োস্ফিয়ার জোনের (জমাটবাঁধা পানির বৃহৎ অঞ্চলকে ক্রায়োস্ফিয়ার বলা হয়) আওতায় পড়া ৮ দেশের মধ্যে ছয়টি দেশের মন্ত্রী এবং প্রতিনিধিদলের প্রধানেরা বৈঠকে বসেন।
ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড মাউন্টেন ডেভেলপমেন্ট বুধবার এক বিবৃতিতে জানায়, বৈঠকে ভারত বায়ু দূষণকে ইন্দো-গাঙ্গেয় এয়ারশেডে (একটি সাধারণ প্রবাহ চক্র) দূষণ সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরে।
বৈঠকে ভারতের পরিবেশ ও বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব নরেশ পাল গাংওয়ার বলেন, ‘আমাদের বেশির ভাগ দেশ একই এয়ারশেড—অর্থাৎ ইন্দো-গাঙ্গেয় এয়ারশেডের অধীনে পড়ে। এটি (বায়ুদূষণ) একটি আন্তসীমান্ত সমস্যা। বায়ুদূষণ মোকাবিলায় সব দেশকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’ বিবৃতিতে বলা হয়, নরেশ পাল বিশেষ করে পাকিস্তান ও বাংলাদেশকে আন্তসীমান্ত বায়ুদূষণ ব্যবস্থাপনা ও প্রশমনে সক্রিয়, সহযোগিতামূলক পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
এর আগে, পাকিস্তানের সবচেয়ে জনবহুল প্রদেশ পাঞ্জাবের এক উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী মরিয়ম নওয়াজ এই তীব্র বায়ুদূষণ সমস্যা সমাধানের ভারতের পাঞ্জাব প্রদেশের সঙ্গে কাজ করার জন্য দেশটি সফরের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। সম্প্রতি, লাহোর ও ভারতের রাজধানী দিল্লি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি দূষিত শহরগুলোতে তালিকায় শীর্ষস্থান দখল করেছে।
পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সচিব রাজা জাহাঙ্গীর আনওয়ার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী মারিয়াম নওয়াজ শিগগিরই ভারতীয় পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রীর (ভগবন্ত সিং মান) কাছে চিঠি পাঠাবেন। তিনি ভারত সফরের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন এবং তাঁকে পাকিস্তান সফরের আমন্ত্রণ জানানোর কথাও বলেছেন।
উল্লেখ্য, দক্ষিণ এশিয়ায় বায়ু দূষণ মোকাবিলায় বিদ্যমান একমাত্র আন্তঃসরকারী কাঠামো মালে ঘোষণা। ১৯৯৮ সালে বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, ইরান, মালদ্বীপ, নেপাল, পাকিস্তান এবং শ্রীলঙ্কা যৌথভাবে এই ঘোষণায় স্বাক্ষর করে।
২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে প্রকাশিত আইকিউএয়ারের প্রতিবেদন অনুসারে, দক্ষিণ এশিয়া বিশ্বের সবচেয়ে গুরুতর বায়ুদূষণের প্রভাবিত অঞ্চল। গত বছর বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও ভারতের বাতাসের মান সবচেয়ে খারাপ ছিল। যুক্তরাজ্যভিত্তিক মেডিকেল জার্নাল ল্যানসেটের সাম্প্রতিক এক গবেষণায় প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে,২০২১ সালে ভারতে ১৬ লাখ মানুষ বায়ুদূষণের কারণে মারা গেছে।

ভেনেজুয়েলার বিরোধীদলীয় নেতা মারিয়া কোরিনা মাচাদো শিগগির দেশে ফেরার ঘোষণা দিয়েছেন এবং যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজের কর্তৃত্ব প্রত্যাখ্যান করেছেন। নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতা থেকে জোরপূর্বক সরিয়ে নেওয়ার পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের মধ্যে দেওয়া
৪ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্রমবর্ধমান চাপ ও শুল্ক হুমকির মধ্যেও রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল আমদানিতে ভারত এখনো শক্ত অবস্থানে। সাম্প্রতিক ছয় মাসে রাশিয়া থেকে ভারতের তেল আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেলেও মোট আমদানির প্রায় এক-চতুর্থাংশ এখনো রুশ তেল থেকেই আসছে।
৫ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক সামরিক অভিযানের পর লাতিন আমেরিকায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। এই প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে প্রকাশ্য চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো। এক কড়া বক্তব্যে তিনি বলেছেন, ‘এসে ধরুন আমাকে। আমি এখানেই আপনাদের জন্য
৬ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে ‘ভেনেজুয়েলার নিকোলাস মাদুরোর মতো অপহরণ করতে পারেন কি না’—এমন মন্তব্য করে তীব্র বিতর্ক ও সমালোচনার মুখে পড়েছেন ভারতের কংগ্রেস নেতা পৃথ্বীরাজ চবন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর এই মন্তব্যকে অনেকেই ‘অবাস্তব’, ‘হাস্যকর’ ও ‘দেশের জন্য অপমানজনক’ বলে
৮ ঘণ্টা আগে