কলকাতা প্রতিনিধি

ভারতের কট্টর মুসলিমবিরোধী সংগঠন বলে পরিচিত রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ বা আরএসএসের শীর্ষ নেতৃত্ব ইদানীং মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রশংসা শুরু করেছেন। এমনকি মসজিদে গিয়েও মুসলিম নেতা ও বুদ্ধিজীবীদের সঙ্গে বৈঠক করতে দেখা গেছে সংঘের প্রধান মোহন ভগবতকে। বর্তমানে দেশজুড়ে সাম্প্রদায়িক অসংহতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করতে দেখা গেছে তাঁকে। সংঘের এমন আচরণকে সন্দেহের চোখে দেখছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা।
মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রশংসা, নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করলেও আসামে অসমিয়া মুসলমানদের প্রশংসার পাশাপাশি বাঙালি মুসলমানদের বিদেশি বা বাংলাদেশি বলে বিভাজনের রেখা টানার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও আরএসএস মদদপুষ্ট বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠছে। পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের অনুমান, ভারতের বিশালসংখ্যক মুসলিম ভোটব্যাংকের কথা মাথায় রেখেই বিজেপি মুসলমানদের মধ্যে বিভাজন চাইছে। তাই পপুলার ফ্রন্ট অব ইন্ডিয়া বা পিএফআইয়ের মতো মুসলিম সংগঠনের নেতাদের গ্রেপ্তার করে সংগঠনটিকেই নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হলেও মুসলিম বুদ্ধিজীবীদের একাংশের সঙ্গে হিন্দুত্ববাদী নেতাদের দহরম-মহরম বাড়ছে।
গত আগস্টে আরএসএস সংঘের প্রধান মোহন ভগবত পাঁচজন মুসলিম বুদ্ধিজীবীর সঙ্গে বৈঠক করে গোটা দেশকে অবাক করে মুসলিমদের প্রতি সহিষ্ণুতার বার্তা দেন। অতি সম্প্রতি দিল্লির একটি মসজিদে বৈঠক করেন অল ইন্ডিয়া ইমাম অর্গানাইজেশনের প্রধান ইমাম উমর আহমেদ ইলিয়াসীর সঙ্গে। সেখান থেকেও মৈত্রী বার্তা পৌঁছে যায় মুসলিম সমাজের কাছে। শুধু তাই নয়, নিজেদের অন্য ধর্মের প্রতি সহিষ্ণুতার পরিচয় দেওয়ার পাশাপাশি কংগ্রেসশাসিত ছত্তিশগড়ে মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেলের আমন্ত্রণেও তাঁর রাজ্যে হাজির হন।
এর আগে প্রয়াত সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জিকে নিজেদের সদর দপ্তরে নিয়ে গিয়ে রাজনৈতিক সহিষ্ণুতারও পরিচয় দেওয়ার চেষ্টা করে আরএসএস। বাংলাদেশের প্রতিবেশী আসামে রীতিমতো অসমিয়া মুসলিমদের আলাদা মর্যাদা দিচ্ছে সরকার। সেখানে বাঙালি ও অসমিয়া মুসলমানদের মধ্যে বিভাজনের রাজনীতি স্পষ্ট।
বামপন্থীদের মতে, আরএসএস হলো বিজেপির আসল চালিকাশক্তি। গোটা দেশে হিন্দুত্ববাদীদের দৌরাত্ম্যের সঙ্গে যুক্ত আরএসএসের সদস্যরাই। প্রবীণ সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তীর মতে, হাতির যেমন দেখানোর ও খাওয়ার দাঁত আলাদা থাকে, আরএসএসেরও ঠিক তাই। কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরীর মতে, জাতির জনক গান্ধীজির হত্যাকারীদের রক্তের দাগ লেগে রয়েছে আরএসএসের গায়ে।
গোটা দেশে সাম্প্রদায়িক অশান্তির জন্য তিনি আরএসএস-বিজেপিকেই দায়ী করেন। সম্প্রতি কলকাতায় দুই প্রয়াত আরএসএস নেতা কেশব রাও দীক্ষিত ও শ্যামলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্মরণসভায় মোহন ভাগবত বলেন, ‘গোটা বিশ্বের মানবিকতার জন্য ভারতীয় হিন্দুরা রোল মডেল হবে। সংঘের স্বয়ংসেবকদের সেই রোল মডেল হতে হবে। ধীরে ধীরে মানুষ সংঘের স্বয়ংসেবকদের অনুকরণ করতে শুরু করেছে।’

ভারতের কট্টর মুসলিমবিরোধী সংগঠন বলে পরিচিত রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ বা আরএসএসের শীর্ষ নেতৃত্ব ইদানীং মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রশংসা শুরু করেছেন। এমনকি মসজিদে গিয়েও মুসলিম নেতা ও বুদ্ধিজীবীদের সঙ্গে বৈঠক করতে দেখা গেছে সংঘের প্রধান মোহন ভগবতকে। বর্তমানে দেশজুড়ে সাম্প্রদায়িক অসংহতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করতে দেখা গেছে তাঁকে। সংঘের এমন আচরণকে সন্দেহের চোখে দেখছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা।
মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রশংসা, নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করলেও আসামে অসমিয়া মুসলমানদের প্রশংসার পাশাপাশি বাঙালি মুসলমানদের বিদেশি বা বাংলাদেশি বলে বিভাজনের রেখা টানার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও আরএসএস মদদপুষ্ট বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠছে। পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের অনুমান, ভারতের বিশালসংখ্যক মুসলিম ভোটব্যাংকের কথা মাথায় রেখেই বিজেপি মুসলমানদের মধ্যে বিভাজন চাইছে। তাই পপুলার ফ্রন্ট অব ইন্ডিয়া বা পিএফআইয়ের মতো মুসলিম সংগঠনের নেতাদের গ্রেপ্তার করে সংগঠনটিকেই নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হলেও মুসলিম বুদ্ধিজীবীদের একাংশের সঙ্গে হিন্দুত্ববাদী নেতাদের দহরম-মহরম বাড়ছে।
গত আগস্টে আরএসএস সংঘের প্রধান মোহন ভগবত পাঁচজন মুসলিম বুদ্ধিজীবীর সঙ্গে বৈঠক করে গোটা দেশকে অবাক করে মুসলিমদের প্রতি সহিষ্ণুতার বার্তা দেন। অতি সম্প্রতি দিল্লির একটি মসজিদে বৈঠক করেন অল ইন্ডিয়া ইমাম অর্গানাইজেশনের প্রধান ইমাম উমর আহমেদ ইলিয়াসীর সঙ্গে। সেখান থেকেও মৈত্রী বার্তা পৌঁছে যায় মুসলিম সমাজের কাছে। শুধু তাই নয়, নিজেদের অন্য ধর্মের প্রতি সহিষ্ণুতার পরিচয় দেওয়ার পাশাপাশি কংগ্রেসশাসিত ছত্তিশগড়ে মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেলের আমন্ত্রণেও তাঁর রাজ্যে হাজির হন।
এর আগে প্রয়াত সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জিকে নিজেদের সদর দপ্তরে নিয়ে গিয়ে রাজনৈতিক সহিষ্ণুতারও পরিচয় দেওয়ার চেষ্টা করে আরএসএস। বাংলাদেশের প্রতিবেশী আসামে রীতিমতো অসমিয়া মুসলিমদের আলাদা মর্যাদা দিচ্ছে সরকার। সেখানে বাঙালি ও অসমিয়া মুসলমানদের মধ্যে বিভাজনের রাজনীতি স্পষ্ট।
বামপন্থীদের মতে, আরএসএস হলো বিজেপির আসল চালিকাশক্তি। গোটা দেশে হিন্দুত্ববাদীদের দৌরাত্ম্যের সঙ্গে যুক্ত আরএসএসের সদস্যরাই। প্রবীণ সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তীর মতে, হাতির যেমন দেখানোর ও খাওয়ার দাঁত আলাদা থাকে, আরএসএসেরও ঠিক তাই। কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরীর মতে, জাতির জনক গান্ধীজির হত্যাকারীদের রক্তের দাগ লেগে রয়েছে আরএসএসের গায়ে।
গোটা দেশে সাম্প্রদায়িক অশান্তির জন্য তিনি আরএসএস-বিজেপিকেই দায়ী করেন। সম্প্রতি কলকাতায় দুই প্রয়াত আরএসএস নেতা কেশব রাও দীক্ষিত ও শ্যামলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্মরণসভায় মোহন ভাগবত বলেন, ‘গোটা বিশ্বের মানবিকতার জন্য ভারতীয় হিন্দুরা রোল মডেল হবে। সংঘের স্বয়ংসেবকদের সেই রোল মডেল হতে হবে। ধীরে ধীরে মানুষ সংঘের স্বয়ংসেবকদের অনুকরণ করতে শুরু করেছে।’

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
১ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
১ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
৪ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
৫ ঘণ্টা আগে