কলকাতা প্রতিনিধি

কংগ্রেসের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট কে হবেন তা নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা কাটেনি। বিভিন্ন আলাপ চলছে। নেতা-কর্মীদের একটি বড় অংশের আস্থা এখনো রাহুল গান্ধীর ওপর। তবে তিনি আপাতত না করে দিয়েছেন। এই অবস্থায় পরবর্তী করণীয় নিয়ে আগামী রোববার বৈঠকে বসতে যাচ্ছে দলটির ওয়ার্কিং কমিটি।
সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক কেসি ভেনুগোপাল জানিয়েছেন, এই বৈঠকেই ঠিক হবে সভাপতি নির্বাচনের দিন-তারিখ। দলের এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হবে ভার্চুয়ালি। তবে বৈঠকে সশরীরে হাজির থাকছেন না কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী, সাবেক সভাপতি রাহুল গান্ধী বা সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। সোনিয়া গান্ধী চিকিৎসার জন্য বিদেশে গিয়েছেন। তাঁর সঙ্গেই গিয়েছেন রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা।
এক টুইটে কংগ্রেসের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ভেনুগোপাল বলেছেন, ‘তাঁরা সবাই ভার্চুয়ালি বৈঠকে যোগ দেবেন। বিদেশ থেকে বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন সোনিয়া।’
এদিকে, ভারতের সবচেয়ে প্রাচীন রাজনৈতিক দলটির প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিয়ে জলঘোলা চলছেই। প্রবীণ কংগ্রেস নেতারা এখনো সমানে চাপ দিয়ে চলেছেন দলের সাবেক সভাপতি রাহুল গান্ধীকে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য। কিন্তু রাহুল কিছুতেই রাজি নন। এমনকি, গান্ধী পরিবারের কেউ কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন এটাও তিনি চান না বলে প্রচার করা হচ্ছে তাঁর ঘনিষ্ঠ মহল থেকে।
এই অবস্থায় প্রবীণ কংগ্রেস নেতা ও রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট রাহুলের হয়ে প্রচার শুরু করেছেন। তাঁর মতে, ‘দলকে একমাত্র রাহুলের নেতৃত্বই বাঁচাতে পারে বলে মনে করে কংগ্রেস কর্মীরা।’ তবে গান্ধী পরিবারের কেউ রাজি না হলে অশোক নিজেও কংগ্রেস সভাপতি হতে পারেন বলেও জল্পনা শুরু হয়েছে।
গত ২১ আগস্ট থেকে শুরু হয়েছে কংগ্রেসের সাংগঠনিক নির্বাচন প্রক্রিয়া। দলের নির্বাচনের ভারপ্রাপ্ত কমিটির চেয়ারম্যান মধুসূদন মিস্ত্রি জানিয়েছেন, ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ করার বিষয়ে তাঁরা বদ্ধপরিকর। বেশির ভাগ কংগ্রেস কর্মীই রাহুল গান্ধীকেই সভাপতি হিসেবে চাইলেও তিনি তা মানতে রাজি নন। রাহুল গান্ধী ব্যস্ত আগামী ৭ সেপ্টেম্বর থেকে ‘ভারত জোড়ো যাত্রা’ কর্মসূচি পালনে। মিস্ত্রির মতে, ‘কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী পর্যন্ত এই দীর্ঘ কর্মসূচি তাঁর কাছে তপস্যার মতো।’

কংগ্রেসের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট কে হবেন তা নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা কাটেনি। বিভিন্ন আলাপ চলছে। নেতা-কর্মীদের একটি বড় অংশের আস্থা এখনো রাহুল গান্ধীর ওপর। তবে তিনি আপাতত না করে দিয়েছেন। এই অবস্থায় পরবর্তী করণীয় নিয়ে আগামী রোববার বৈঠকে বসতে যাচ্ছে দলটির ওয়ার্কিং কমিটি।
সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক কেসি ভেনুগোপাল জানিয়েছেন, এই বৈঠকেই ঠিক হবে সভাপতি নির্বাচনের দিন-তারিখ। দলের এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হবে ভার্চুয়ালি। তবে বৈঠকে সশরীরে হাজির থাকছেন না কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী, সাবেক সভাপতি রাহুল গান্ধী বা সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। সোনিয়া গান্ধী চিকিৎসার জন্য বিদেশে গিয়েছেন। তাঁর সঙ্গেই গিয়েছেন রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা।
এক টুইটে কংগ্রেসের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ভেনুগোপাল বলেছেন, ‘তাঁরা সবাই ভার্চুয়ালি বৈঠকে যোগ দেবেন। বিদেশ থেকে বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন সোনিয়া।’
এদিকে, ভারতের সবচেয়ে প্রাচীন রাজনৈতিক দলটির প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিয়ে জলঘোলা চলছেই। প্রবীণ কংগ্রেস নেতারা এখনো সমানে চাপ দিয়ে চলেছেন দলের সাবেক সভাপতি রাহুল গান্ধীকে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য। কিন্তু রাহুল কিছুতেই রাজি নন। এমনকি, গান্ধী পরিবারের কেউ কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন এটাও তিনি চান না বলে প্রচার করা হচ্ছে তাঁর ঘনিষ্ঠ মহল থেকে।
এই অবস্থায় প্রবীণ কংগ্রেস নেতা ও রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট রাহুলের হয়ে প্রচার শুরু করেছেন। তাঁর মতে, ‘দলকে একমাত্র রাহুলের নেতৃত্বই বাঁচাতে পারে বলে মনে করে কংগ্রেস কর্মীরা।’ তবে গান্ধী পরিবারের কেউ রাজি না হলে অশোক নিজেও কংগ্রেস সভাপতি হতে পারেন বলেও জল্পনা শুরু হয়েছে।
গত ২১ আগস্ট থেকে শুরু হয়েছে কংগ্রেসের সাংগঠনিক নির্বাচন প্রক্রিয়া। দলের নির্বাচনের ভারপ্রাপ্ত কমিটির চেয়ারম্যান মধুসূদন মিস্ত্রি জানিয়েছেন, ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ করার বিষয়ে তাঁরা বদ্ধপরিকর। বেশির ভাগ কংগ্রেস কর্মীই রাহুল গান্ধীকেই সভাপতি হিসেবে চাইলেও তিনি তা মানতে রাজি নন। রাহুল গান্ধী ব্যস্ত আগামী ৭ সেপ্টেম্বর থেকে ‘ভারত জোড়ো যাত্রা’ কর্মসূচি পালনে। মিস্ত্রির মতে, ‘কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী পর্যন্ত এই দীর্ঘ কর্মসূচি তাঁর কাছে তপস্যার মতো।’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার হুমকি আরও জোরালো করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বলেছেন, গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণের পথ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘পিছু হটার সুযোগ নেই’ এবং ‘গ্রিনল্যান্ড অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
২ ঘণ্টা আগে
অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমে জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থীবিষয়ক সংস্থার (ইউএনআরডব্লিউএ) সদর দপ্তর গতকাল মঙ্গলবার ভেঙে দিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভিরের নেতৃত্বে স্থানীয় সময় সকাল প্রায় ৭টায় ইসরায়েলি বাহিনী ওই কম্পাউন্ডে অভিযান চালায়। অভিযান শেষে মূল ভবনের ওপর
২ ঘণ্টা আগে
ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনসহ খুলনা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও সিলেটে দেশটির সহকারী হাইকমিশন রয়েছে। এসব মিশন থেকেই কূটনীতিক ও অন্য কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্যদের ফিরিয়ে নিচ্ছে ভারত। নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের কারণে কূটনীতিকদের জন্য বাংলাদেশকে ‘নন-ফ্যামিলি’ পোস্টিং ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নয়াদিল্লি।
২ ঘণ্টা আগে
গাজা পুনর্গঠনের লক্ষ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত শান্তি পর্ষদ নিয়ে বিশ্বজুড়ে তীব্র বিতর্ক ও নানা প্রশ্ন সৃষ্টি হয়েছে। ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া গাজাকে পুনরুজ্জীবিত করার কথা বলা হচ্ছে। তবে এই উদ্যোগের আড়ালে ট্রাম্পের ব্যক্তিগত ব্যবসায়িক স্বার্থ এবং ঘনিষ্ঠ মহলের প্রভাব বিস্তারের...
১২ ঘণ্টা আগে