
ঢাকা:পার্লামেন্টে অনাস্থা ভোটে হেরে যাওয়ার পর সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী স্টেফান লোফভেন পদত্যাগ করেছেন। আজ সোমবার তিনি পদত্যাগ করেন।
গত ২১ জুন দেশটির সুইডেনের পার্লামেন্টে সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টির নেতৃত্বাধীন সরকারের বিপক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠ আইনপ্রণেতা ভোট দেওয়ায় সরকারের পতন ঘটল। সুইডিশ ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনো প্রধানমন্ত্রী সংসদের ভোটাভুটিতে হেরে ক্ষমতাচ্যুত হন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, পার্লামেন্টে আস্থা ভোটে হেরে যাওয়ায় আজ সোমবার পর্যন্ত দেশটির ক্ষমতাসীন সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টির নেতা ও প্রধানমন্ত্রী স্টেফান লোফভেনকে পদত্যাগ করতে হতো অথবা নতুন সরকার গঠনে আগাম নির্বাচন ডাকতে হতো।
এ নিয়ে একটি সংবাদ সম্মেলনে লোফভেন বলেন, `আমাকে পদত্যাগ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। আমরা রাজনৈতিক জীবনে এটি সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত।'
লোফভেন পদত্যাগ করায় এখন দেশটির নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করবেন স্পিকার আন্দ্রিয়াস নোরলেন। এতে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে না পারলে সুইডেনে আগাম নির্বাচন ডাকতে হবে।
আজ সোমবার সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টির নেতা লোফভেন বলেন, মহামারির মধ্যে আগাম নির্বাচন সুইডেনের জন্য সর্বোত্তম কিছু নয়।
নবনির্মিত ভবনের ভাড়া কমানোর পরিকল্পনাকে ঘিরে সুইডেনের ক্ষমতাসীন সরকারের ওপর থেকে লেফট পার্টি তাদের সমর্থন প্রত্যাহার করে নেওয়ার পর জাতীয়তাবাদী সুইডিশ ডেমোক্র্যাটরা পার্লামেন্টে আস্থা ভোটের ডাক দেন। পরে গত ২১ জুন পার্লামেন্টে ভোটাভুটি অনুষ্ঠিত হয়। পার্লামেন্টের ৩৪৯ আইনপ্রণেতার মধ্যে সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে ১৭৫ ভোটের দরকার হলেও মোট ১৮১ জন স্টেফান নেতৃত্বাধীন সরকারের বিপক্ষে ভোট দেন। ভোটদান থেকে বিরত ছিলেন ৫১ জন।
সুইডেনের সোডারটারন বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর নিকোলাস আইলট বলেন, লোফভেন আবারও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ফিরতে পারেন, যদি তিনি মধ্য ও বামপন্থীদের সমর্থন পান।

ঢাকা:পার্লামেন্টে অনাস্থা ভোটে হেরে যাওয়ার পর সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী স্টেফান লোফভেন পদত্যাগ করেছেন। আজ সোমবার তিনি পদত্যাগ করেন।
গত ২১ জুন দেশটির সুইডেনের পার্লামেন্টে সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টির নেতৃত্বাধীন সরকারের বিপক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠ আইনপ্রণেতা ভোট দেওয়ায় সরকারের পতন ঘটল। সুইডিশ ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনো প্রধানমন্ত্রী সংসদের ভোটাভুটিতে হেরে ক্ষমতাচ্যুত হন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, পার্লামেন্টে আস্থা ভোটে হেরে যাওয়ায় আজ সোমবার পর্যন্ত দেশটির ক্ষমতাসীন সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টির নেতা ও প্রধানমন্ত্রী স্টেফান লোফভেনকে পদত্যাগ করতে হতো অথবা নতুন সরকার গঠনে আগাম নির্বাচন ডাকতে হতো।
এ নিয়ে একটি সংবাদ সম্মেলনে লোফভেন বলেন, `আমাকে পদত্যাগ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। আমরা রাজনৈতিক জীবনে এটি সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত।'
লোফভেন পদত্যাগ করায় এখন দেশটির নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করবেন স্পিকার আন্দ্রিয়াস নোরলেন। এতে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে না পারলে সুইডেনে আগাম নির্বাচন ডাকতে হবে।
আজ সোমবার সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টির নেতা লোফভেন বলেন, মহামারির মধ্যে আগাম নির্বাচন সুইডেনের জন্য সর্বোত্তম কিছু নয়।
নবনির্মিত ভবনের ভাড়া কমানোর পরিকল্পনাকে ঘিরে সুইডেনের ক্ষমতাসীন সরকারের ওপর থেকে লেফট পার্টি তাদের সমর্থন প্রত্যাহার করে নেওয়ার পর জাতীয়তাবাদী সুইডিশ ডেমোক্র্যাটরা পার্লামেন্টে আস্থা ভোটের ডাক দেন। পরে গত ২১ জুন পার্লামেন্টে ভোটাভুটি অনুষ্ঠিত হয়। পার্লামেন্টের ৩৪৯ আইনপ্রণেতার মধ্যে সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে ১৭৫ ভোটের দরকার হলেও মোট ১৮১ জন স্টেফান নেতৃত্বাধীন সরকারের বিপক্ষে ভোট দেন। ভোটদান থেকে বিরত ছিলেন ৫১ জন।
সুইডেনের সোডারটারন বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর নিকোলাস আইলট বলেন, লোফভেন আবারও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ফিরতে পারেন, যদি তিনি মধ্য ও বামপন্থীদের সমর্থন পান।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সব ধরনের বৈঠক বাতিল করেছেন। একইসঙ্গে, তেহরানের দমন-পীড়নের মুখে বিক্ষোভকারীদের ‘আপনাদের প্রতিষ্ঠানগুলো দখল করে নিন’ বলে আহ্বান জানিয়েছেন। বিক্ষোভকারীদের ‘আশ্বাস দিয়ে’ বলেছেন, ‘সাহায্য আসছে।’
২ মিনিট আগে
মুসলিম ব্রাদারহুডের মিসর ও জর্ডান শাখাকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে এবং লেবাননের শাখাকে আরও কঠোর শ্রেণি ভুক্তি অনুযায়ী ‘বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এই সংক্রান্ত ঘোষণা দেয় মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।
৯ ঘণ্টা আগে
ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা দেশগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্র ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করতে পারে—এমন ঘোষণা দিয়ে নতুন করে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও ভূরাজনীতিতে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমন ও মানবাধিকার পরিস্থিতির অবনতির প্রেক্ষাপটে এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
১০ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে দেশটির জনগণের প্রতি বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার সরাসরি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি ইরানিদের নিজ নিজ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান দখল করে নেওয়ার কথা বলেন এবং বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার অনুরোধ জানান।
১১ ঘণ্টা আগে