
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার দেড় মাসের মাথায় বিদ্রোহের মুখে পড়া ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রাস জাতির কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের যে ভুলগুলো হয়েছে, তার জন্য আমি দুঃখিত।’ তবে এ কারণে তিনি পদত্যাগ করবেন না বলেও জানিয়েছেন এবং আগামী নির্বাচনে দলের নেতৃত্ব দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে।
বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে গতকাল সোমবার ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘আমি যুক্তরাজ্যের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর জন্য এখনো প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তবে এটি অর্জন করতে আমাদের একটু সময় লাগবে।’
কর কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে দেড় মাস আগে যুক্তরাজ্যের ক্ষমতায় আসেন লিজ ট্রাস। ক্ষমতায় এসেই ‘মিনি বাজেট’ প্রণয়নসহ আরও কিছু অজনপ্রিয় অর্থনৈতিক পদক্ষেপ নেন তিনি। এসব পদক্ষেপের কারণে বিরোধী দল ও নিজ দলের এমপিদের কাছেই বিতর্কিত হয়ে পড়েন। তারা লিজের পদত্যাগ দাবি করেছেন।
এমন পরিস্থিতিতে বিবিসির সাক্ষাৎকারে ক্ষমা চান লিজ ট্রাস। তিনি বলেছেন, ‘ভুল যা কিছু হয়েছে, তার জন্য আমি ক্ষমাপ্রার্থী। স্বল্প কর, উচ্চ প্রবৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা করাই ছিল আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার।’
লিজ ট্রাস আরও বলেছেন, ‘আমি মনে করি, তিনিই একজন সৎ রাজনীতিক, যিনি বলেন, আমি ভুল করেছি। আমি আমার ভুল বুঝতে পেরেছি। এখন ভুলটির সমাধান করার চেষ্টা করছি।’ এ সময় তিনি আগামী নির্বাচনে কনজারভেটিভ পার্টির নেতৃত্ব দেবেন বলেও জানান।
তবে যুক্তরাজ্যের ছায়া সরকারের অর্থমন্ত্রী জেমস মুরে বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টি তাঁর ‘মিনি বাজেট’ দেওয়ার পর যে ক্ষতি হয়েছে তা পুষিয়ে নিতে পারবে না। ক্ষমাপ্রার্থনা করলেই বাস্তবতা পরিবর্তন হবে না। তাঁর ভুলের মূল্য দিতে হচ্ছে কর্মজীবী মানুষকে।’

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার দেড় মাসের মাথায় বিদ্রোহের মুখে পড়া ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রাস জাতির কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের যে ভুলগুলো হয়েছে, তার জন্য আমি দুঃখিত।’ তবে এ কারণে তিনি পদত্যাগ করবেন না বলেও জানিয়েছেন এবং আগামী নির্বাচনে দলের নেতৃত্ব দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে।
বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে গতকাল সোমবার ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘আমি যুক্তরাজ্যের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর জন্য এখনো প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তবে এটি অর্জন করতে আমাদের একটু সময় লাগবে।’
কর কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে দেড় মাস আগে যুক্তরাজ্যের ক্ষমতায় আসেন লিজ ট্রাস। ক্ষমতায় এসেই ‘মিনি বাজেট’ প্রণয়নসহ আরও কিছু অজনপ্রিয় অর্থনৈতিক পদক্ষেপ নেন তিনি। এসব পদক্ষেপের কারণে বিরোধী দল ও নিজ দলের এমপিদের কাছেই বিতর্কিত হয়ে পড়েন। তারা লিজের পদত্যাগ দাবি করেছেন।
এমন পরিস্থিতিতে বিবিসির সাক্ষাৎকারে ক্ষমা চান লিজ ট্রাস। তিনি বলেছেন, ‘ভুল যা কিছু হয়েছে, তার জন্য আমি ক্ষমাপ্রার্থী। স্বল্প কর, উচ্চ প্রবৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা করাই ছিল আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার।’
লিজ ট্রাস আরও বলেছেন, ‘আমি মনে করি, তিনিই একজন সৎ রাজনীতিক, যিনি বলেন, আমি ভুল করেছি। আমি আমার ভুল বুঝতে পেরেছি। এখন ভুলটির সমাধান করার চেষ্টা করছি।’ এ সময় তিনি আগামী নির্বাচনে কনজারভেটিভ পার্টির নেতৃত্ব দেবেন বলেও জানান।
তবে যুক্তরাজ্যের ছায়া সরকারের অর্থমন্ত্রী জেমস মুরে বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টি তাঁর ‘মিনি বাজেট’ দেওয়ার পর যে ক্ষতি হয়েছে তা পুষিয়ে নিতে পারবে না। ক্ষমাপ্রার্থনা করলেই বাস্তবতা পরিবর্তন হবে না। তাঁর ভুলের মূল্য দিতে হচ্ছে কর্মজীবী মানুষকে।’

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
৬ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
৬ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
৯ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
১০ ঘণ্টা আগে