আজকের পত্রিকা ডেস্ক

সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যম ইউটিউবে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁকে মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত থাকতে বলেছেন এক ইহুদি রাব্বি। ডেভিড ড্যানিয়েল কোহেন নামের ওই রাব্বি রীতিমতো হুমকি দিয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্টকে। এই ইস্যুতে তদন্ত শুরু করেছে প্যারিস প্রসিকিউটরস অফিস।
ফরাসি সংবাদমাধ্যম ফ্রান্স ২৪-এর এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত শুক্রবার তদন্ত শুরুর বিষয়টি জানিয়েছে প্রসকিউটরস অফিস। ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার ঘোষণার কারণেই মাখোঁকে এসব হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।
ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রুনো রেতেইলু সামাজিক মাধ্যম এক্সে এক পোস্টে কোহেন নামের ওই রাব্বির বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। লিখেছেন, ‘তিনি প্রেসিডেন্ট মাখোঁকে অত্যন্ত ভয়ংকর ও অপমানজনক হুমকি দিয়েছেন। এবং এমন নয় যে এটিই প্রথম। একাধিক হুমকি দিয়েছেন তিনি, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’
রেতেইলু জানান, বিপজ্জনক ও অপরাধমূলক কন্টেন্টের ওপর নজরদারির জন্য ফরাসি সরকারের অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ‘ফ্যারোস’ বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়েছে। পাশাপাশি ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০ নম্বর ধারার অধীনে এসব বক্তব্য বিচার বিভাগেও পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।
উল্লেখ্য, কোহেন রাব্বি ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁকে উদ্দেশ্য করে এক ইউটিউব ভিডিওতে বলেন, ‘কফিনে ঢোকার জন্য প্রস্তুত হতে হবে এই ফরাসি প্রেসিডেন্টকে। তিনি ঈশ্বরের বিরুদ্ধে কথা বলছেন। এর মূল্য কী হতে পারে ঈশ্বরই তাঁকে তা বুঝিয়ে দেবেন। আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার ঘোষণার মধ্য দিয়ে ঈশ্বরের বিরুদ্ধেই যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন মাখোঁ। তিনি প্রচণ্ড মাত্রায় ইহুদিবিদ্বেষী।’
এদিকে, কোহেনের এমন বক্ত্যের কড়া নিন্দা জানিয়েছেন ফ্রান্সের প্রধান রাব্বি হাইম করসিয়া। তিনি কোহেনের বক্তব্যকে ‘অসহনীয়’ আখ্যা দিয়েছেন। তিনি জানান, কোহেন কখনো ফ্রান্সে কোনো রাব্বিনিক পদে ছিলেন না এবং ফরাসি কোনো রাব্বিনিক স্কুল থেকে প্রশিক্ষণও পাননি তিনি।

সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যম ইউটিউবে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁকে মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত থাকতে বলেছেন এক ইহুদি রাব্বি। ডেভিড ড্যানিয়েল কোহেন নামের ওই রাব্বি রীতিমতো হুমকি দিয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্টকে। এই ইস্যুতে তদন্ত শুরু করেছে প্যারিস প্রসিকিউটরস অফিস।
ফরাসি সংবাদমাধ্যম ফ্রান্স ২৪-এর এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত শুক্রবার তদন্ত শুরুর বিষয়টি জানিয়েছে প্রসকিউটরস অফিস। ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার ঘোষণার কারণেই মাখোঁকে এসব হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।
ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রুনো রেতেইলু সামাজিক মাধ্যম এক্সে এক পোস্টে কোহেন নামের ওই রাব্বির বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। লিখেছেন, ‘তিনি প্রেসিডেন্ট মাখোঁকে অত্যন্ত ভয়ংকর ও অপমানজনক হুমকি দিয়েছেন। এবং এমন নয় যে এটিই প্রথম। একাধিক হুমকি দিয়েছেন তিনি, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’
রেতেইলু জানান, বিপজ্জনক ও অপরাধমূলক কন্টেন্টের ওপর নজরদারির জন্য ফরাসি সরকারের অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ‘ফ্যারোস’ বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়েছে। পাশাপাশি ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০ নম্বর ধারার অধীনে এসব বক্তব্য বিচার বিভাগেও পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।
উল্লেখ্য, কোহেন রাব্বি ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁকে উদ্দেশ্য করে এক ইউটিউব ভিডিওতে বলেন, ‘কফিনে ঢোকার জন্য প্রস্তুত হতে হবে এই ফরাসি প্রেসিডেন্টকে। তিনি ঈশ্বরের বিরুদ্ধে কথা বলছেন। এর মূল্য কী হতে পারে ঈশ্বরই তাঁকে তা বুঝিয়ে দেবেন। আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার ঘোষণার মধ্য দিয়ে ঈশ্বরের বিরুদ্ধেই যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন মাখোঁ। তিনি প্রচণ্ড মাত্রায় ইহুদিবিদ্বেষী।’
এদিকে, কোহেনের এমন বক্ত্যের কড়া নিন্দা জানিয়েছেন ফ্রান্সের প্রধান রাব্বি হাইম করসিয়া। তিনি কোহেনের বক্তব্যকে ‘অসহনীয়’ আখ্যা দিয়েছেন। তিনি জানান, কোহেন কখনো ফ্রান্সে কোনো রাব্বিনিক পদে ছিলেন না এবং ফরাসি কোনো রাব্বিনিক স্কুল থেকে প্রশিক্ষণও পাননি তিনি।

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
৩ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
৪ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
৭ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
৭ ঘণ্টা আগে